বৃহস্পতিবার, ২৩ মে ২০২৪

সেকশন

 

ইসরায়েলের পাল্টা হামলার আশঙ্কায় ইরানের পরমাণু স্থাপনা বন্ধ: আইএইএ

আপডেট : ১৬ এপ্রিল ২০২৪, ১৫:২৬

আন্তর্জাতিক পারমাণবিক শক্তি সংস্থার (আইএইএ) প্রধান রাফায়েল গ্রোসি। ছবি: এএফপি ইসরায়েলে ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানোর পর পাল্টা হামলার আশঙ্কায় পরমাণু স্থাপনা সাময়িকভাবে বন্ধ করে দিয়েছে ইরান। গতকাল সোমবার জাতিসংঘের পরমাণু পর্যবেক্ষণ সংস্থার প্রধান রাফায়েল গ্রোসি এ তথ্য জানান। 

জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় আন্তর্জাতিক পারমাণবিক শক্তি সংস্থার (আইএইএ) প্রধান গ্রোসিকে জিজ্ঞেস করা হয়, প্রতিশোধ হিসেবে ইরানের পরমাণু স্থাপনায় ইসরায়েলি হামলার আশঙ্কা নিয়ে তিনি উদ্বিগ্ন কি না। 

তিনি বলেন, ‘এই আশঙ্কা নিয়ে আমরা সব সময় উদ্বিগ্ন। ইরান আমাদের পরিদর্শকদের সরকার জানিয়েছে, নিরাপত্তার কারণে গত রোববার সমস্ত পারমাণবিক স্থাপনা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। সব স্থাপনাই আমরা প্রতিদিন পর্যবেক্ষণ করেছি।’ 

বার্তা সংস্থা এএফপির প্রতিবেদন অনুসারে, গতকাল সোমবার এই স্থাপনাগুলো আবারও খুলে দেওয়ার কথা। তবে আজ মঙ্গলবার পর্যন্ত পরিদর্শকেরা ফিরবেন না বলে জানান তিনি। 

তিনি আরও বলেন, ‘আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি, যতক্ষণ পর্যন্ত না পরিস্থিতি পুরোপুরি শান্ত হচ্ছে, ততক্ষণ পরিদর্শকদের ফিরে আসতে দেব না।’ এ সময় ‘চরম সংযম’-এর আহ্বান জানান তিনি। 

গত শনিবার রাত থেকে রোববার পর্যন্ত ইসরায়েলে তিন শতাধিক ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে ইরান। দামেস্কে ইরানের কনস্যুলার ভবনে ইসরায়েলের বিমান হামলায় সাত রেভল্যুশনারি গার্ডের নিহত হওয়ার ঘটনায় প্রতিক্রিয়া হিসেবে এ হামলা করেছে দেশটি।

তবে ইরানের হামলায় কোনো ধরনের হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। ইরানি বেশির ভাগ ক্ষেপণাস্ত্র ঠেকিয়ে দিয়েছে ইসরায়েল ও তার মিত্র দেশেরা। কিন্তু ইসরায়েলের সম্ভাব্য প্রতিশোধের আশঙ্কা সর্বাত্মক আঞ্চলিক যুদ্ধের আশঙ্কা উসকে দিয়েছে। 

এর আগেও ওই অঞ্চলে পরমাণু স্থাপনায় অভিযান চালিয়েছে ইসরায়েল। ১৯৮১ সালে ওয়াশিংটনের বিরোধিতা করা সত্ত্বেও সাদ্দাম হোসেনের ইরাকের ওসিরাক পারমাণবিক চুল্লিতে বোমা হামলা চালিয়েছিল ইসরায়েল। ২০১৮ সালে দেশটি ১১ বছর আগে সিরিয়ার একটি পরমাণু চুল্লিতে টপ সিক্রেট বিমান হামলা চালানোর কথা স্বীকার করে। 

এ ছাড়া ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ২০১০ সালে ইরানের দুজন পরমাণু পদার্থবিদকে হত্যা এবং এর আগের বছর আরেকজনকে অপহরণ করার অভিযোগ করে তেহরান। ২০১০ সালে ইরান ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রকে স্টাক্সনেট ভাইরাস ব্যবহার করে একটি অত্যাধুনিক সাইবার আক্রমণের জন্য দায়ী করে। এ হামলায় ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের জন্য ব্যবহৃত ইরানি সেন্ট্রিফিউজগুলোতে ধারাবাহিক বিপর্যয়ের সৃষ্টি হয়। 

ইসরায়েলের অভিযোগ, ইরান পরমাণু বোমা তৈরি করতে চায়। যদিও তেহরান এ দাবি অস্বীকার করে আসছে।

মন্তব্য

আপনার পরিচয় গোপন রাখতে
আমি নীতিমালা মেনে মন্তব্য করছি।
Show
 
    সব মন্তব্য

    ইহাতে মন্তব্য প্রদান বন্ধ রয়েছে

    পঠিতসর্বশেষ

    এলাকার খবর

     

    প্রেমে মেতেছেন চীনা তরুণী ও চ্যাটবট! 

    একতরফা স্বীকৃতি নয়, ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা হবে আলোচনার মাধ্যমে: যুক্তরাষ্ট্র

    নেতানিয়াহুর ওপর আইসিসির গ্রেপ্তারি পরোয়ানায় বিভক্ত পশ্চিমা বিশ্ব

    সৌদির সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপনে ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দেওয়া উচিত নেতানিয়াহুর: সাবেক প্রধানমন্ত্রী

    গাজায় জিম্মি নারী সেনাদের ভিডিও প্রকাশ, নতুন যুদ্ধবিরতি আলোচনায় নজর ইসরায়েলের

    এশীয় রেশম কীটের ব্যবহার কারিগরদের শেখাতে কিউবার পরীক্ষামূলক প্রকল্প

    বেনারসি তাঁত শিল্পকে আমরা ধ্বংস হতে দেব না: নানক

    মন্ত্রণালয়-ইসি দ্বন্দ্বের অবসান, ‘বীর মুক্তিযোদ্ধা’ লেখা স্মার্টকার্ড বিতরণ শুরু

    বগুড়ায় সেপটিক ট্যাংক থেকে ২ পরিচ্ছন্নতা কর্মীর মরদেহ উদ্ধার

    ৩ দিন আগে নিখোঁজ, লাশ পড়ে ছিল রাজস্থলীর সীমান্ত সড়কের পাশে

    চৌদ্দগ্রামে হিট স্ট্রোকে কৃষকের মৃত্যু

    লিটন-শান্তদের নতুন করে প্রমাণের কিছু নেই, বলছেন বিসিবি নির্বাচক