বৃহস্পতিবার, ৩০ মে ২০২৪

সেকশন

 

জলদস্যুদের হাতে জিম্মি নাবিকদের চলতি মাসেই উদ্ধার সম্ভব: নৌপ্রতিমন্ত্রী

আপডেট : ০৯ এপ্রিল ২০২৪, ১৬:১৭

নৌপ্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী। ছবি: সংগৃহীত  সোমালিয়ার জলদস্যুদের হাতে জিম্মি নাবিকদের চলতি মাসেই সুষ্ঠুভাবে উদ্ধার করা সম্ভব হবে। আজ মঙ্গলবার সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী এ কথা জানান।

নৌপ্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘সোমালিয়ার জলদস্যুদের হাতে জিম্মি নাবিকদের চলতি মাসেই উদ্ধার করা সম্ভব হবে। দেশে ফিরিয়ে এনে তাঁদের পরিবারের কাছে ফেরত দেওয়া আমাদের প্রধান দায়িত্ব। সেই লক্ষ্যে কাজ চলছে।’ 

নৌপ্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ‘এটা কোনো ছোট ঘটনা না, অনেক বড় ঘটনা। কাজেই দিন-তারিখ দিয়ে এটার সমাধান করা সম্ভব না। সম্পূর্ণ ঘটনা আমাদের নিয়ন্ত্রণে আছে। আশা করছি আমরা নাবিকদের সুষ্ঠুভাবে দেশে ফিরিয়ে আনতে পারব।’

খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ‘আমাদের একটা লক্ষ্য ছিল, পবিত্র ঈদুল ফিতরের আগে নাবিকদের যেন দেশে আনতে পারি। সেই টার্গেট পূরণ করতে পারিনি। আশা করছি, অল্প কিছুদিনের মধ্যেই তাদের দেশে ফিরিয়ে আনতে পারব।’ 

তিনি আরও বলেন, ‘পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমেই জিনিসটার সমাধানের চেষ্টা করছি। তবে আমাদের নৌপরিবহন অধিদপ্তর আন্তর্জাতিক এলাকায় কাজ করে। তারাও খোঁজখবর রাখছে। সার্বিক বিবেচনায় বলছি—পরিস্থিতি আমাদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে যাইনি।’ 

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের সঙ্গে নাবিকদের যোগাযোগ হচ্ছে। নৌপরিবহন অধিদপ্তর নিয়মিত যোগযোগ রাখছে। কথাবার্তা হচ্ছে, তারা ভালো আছে। বিষয়টি অল্প কিছুদিনের মধ্যে সমাধান হবে। এখন দস্যুদের সঙ্গে আচরণটা কীভাবে হয়, এই ধরনের আলোচনা করার জন্য কিছু কিছু সংগঠন আছে, মানুষ আছে, তাদের মাধ্যমে যোগাযোগ হচ্ছে।’ 

দস্যুদের আগে কখনো মোকাবিলা করা হয়নি উল্লেখ করে খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ‘আমরা তো কখনো দস্যুদের মোকাবিলা করিনি। কাজেই আমরা বলতে পারব না, কীভাবে আলোচনা হচ্ছে। যারা দস্যুদের সঙ্গে চলাফেরা করে, সেই মানুষদের মাধ্যমেই তাদের সঙ্গে যোগাযোগ হচ্ছে। এর আগে ইউক্রেনের অলিভিয়া বন্দরে যখন বাংলার সমৃদ্ধি জাহাজ আটকে গেল, তখনো এ ধরনের কিছু সাহায্য নিয়ে সমাধান করেছিলাম। বাংলার সমৃদ্ধি জাহাজ ও নাবিকদের উদ্ধারে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যথেষ্ট তৎপর ছিলেন। তাঁর সহায়তায় আমরা সেটির দ্রুত সমাধান করতে পেরেছি।’ 

ঈদযাত্রায় নৌপথের প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘নৌপথে চাপ আছে, ভোগান্তি নেই। ঈদুল ফিতরের ছুটিতে ঘর ফেরা মানুষের ভোগান্তি হচ্ছে না। ঈদযাত্রার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি কৃতজ্ঞতা। কারণ, তিনি মাল্টিমোডাল কানেকটিভিটির কথা ১৯৯৬ সালে প্রথম বলেছিলেন। বাংলাদেশে তিনি এই বহুমুখী যোগাযোগব্যবস্থা চালু করেছেন। আকাশ, রেল ও সড়কপথ—যা দেখেন, যে পরিমাণ অভূতপূর্ব উন্নয়ন হয়েছে তা প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার সময়েই হয়েছে। বাংলাদেশের মূল ভূখণ্ড থেকে দূরে ছিল দক্ষিণাঞ্চল। মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে দক্ষিণাঞ্চলকে যুক্ত করেছে পদ্মাসেতু। একটি পদ্মাসেতু যোগাযোগব্যবস্থায় কী ধরনের শৃঙ্খলা আনতে পারে, সেটা আমরা দেখতে পাচ্ছি।’

মন্তব্য

আপনার পরিচয় গোপন রাখতে
আমি নীতিমালা মেনে মন্তব্য করছি।
Show
 
    সব মন্তব্য

    ইহাতে মন্তব্য প্রদান বন্ধ রয়েছে

    এলাকার খবর

     

    সংসদে জাতীয় পতাকার আকার বাড়ছে

    আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করলেন ধর্মমন্ত্রী 

    ১০ বছরে প্রথম থেকে নবম গ্রেডের ১৮১ কর্মকর্তাকে শাস্তি দিয়েছে সরকার

    সরকারি চাকরিতে পদ খালি ৩ লাখ ৭০ হাজার: জনপ্রশাসনমন্ত্রী

    তৃতীয় ধাপের উপজেলা নির্বাচন: নির্বাচিতদের আয় বেড়েছে ১০, সম্পদ ৩৭ গুণ

    চীনের সঙ্গে পররাষ্ট্রসচিব পর্যায়ে বৈঠক ৩ জুন 

    মেরুপথের দুই অভিযাত্রী

    ৫০ লাখের মাইলফলকে হামাদ এয়ারপোর্ট

    নজরুলের স্মৃতিধন্য তেওতা

    আলোকচিত্র প্রদর্শনী

    দুই শতাধিক ওষুধের দাম বেড়েছে