Alexa
বৃহস্পতিবার, ২৬ মে ২০২২

সেকশন

epaper
 

অধিদপ্তরের অজুহাত করোনা প্রার্থীরা পরীক্ষার অপেক্ষায়

আপডেট : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৯:৩০

অধিদপ্তরের অজুহাত করোনা প্রার্থীরা পরীক্ষার অপেক্ষায় করোনা কমেছে, স্কুলও খুলেছে। কিন্তু আটকে আছে সাড়ে ৩২ হাজার প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের পরীক্ষা। এই পরীক্ষার অপেক্ষায় দিন পার করছেন ১৩ লক্ষাধিক প্রার্থী। আর কর্তৃপক্ষ বলছে, করোনা পরিস্থিতির জন্য এই পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের (ডিপিই) মহাপরিচালক আলমগীর মুহম্মদ মনসুরুল আলম গতকাল বুধবার আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘পিএসসি (পাবলিক সার্ভিস কমিশন) কিংবা বড় কোনো পরীক্ষাই তো হচ্ছে না। আমাদের পরীক্ষা নিয়ে এত অস্থির কেন?’

গত বছরের ১৯ অক্টোবর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। এই বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ৩২ হাজার ৫৭৭ জন শিক্ষক নিয়োগ দেওয়ার কথা রয়েছে। এর মধ্যে প্রাক্‌-প্রাথমিক পর্যায়ে ২৫ হাজার ৬৩০ জন নিয়োগ পাবেন। বাকিদের প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক হিসেবে নেওয়া হবে। গত ২৫ অক্টোবর সকাল সাড়ে ১০টা থেকে অনলাইনে এই পদের জন্য আবেদন নেওয়া শুরু হয়। আবেদনের সময়সীমা ছিল ২৪ নভেম্বর পর্যন্ত। আবেদনের এই প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পর কেটে গেছে প্রায় ১০ মাস।

প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক পদে আবেদনকারী রাবেয়া আক্তার বলেন, ‘এক বছর হইতে বসল আবেদন করছি। কত পরীক্ষার তারিখ হইল, স্থগিত হইল, আবার তারিখও পড়ল, পরীক্ষা হইল। আর প্রাইমারির (প্রাথমিকের) পরীক্ষা আর হয় না।’

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বলেন, ‘কোভিড-১৯ বিষয়ক জাতীয় টেকনিক্যাল পরামর্শক কমিটির পরামর্শ অনুযায়ী এখনো আমরা সমাবেশ করতে পারব না।’ এর মধ্যে ১৪ লাখ পরীক্ষার্থীর অংশগ্রহণে পরীক্ষা নেওয়াটা সমীচীন নয় বলে জানান তিনি।  

প্রাথমিক শিক্ষক পদে মোট আবেদনকারী ১৩ লাখ ৯ হাজার ৪৬১ জন। তবে এই সংখ্যাটা আগেরবারের চেয়ে কম। সবশেষ ২০১৯ সালের পরীক্ষায় ১৩ হাজার পদের বিপরীতে আবেদন জমা পড়েছিল ২৪ লাখের বেশি। কারণ, সে সময় উচ্চমাধ্যমিক পাসেই নারীরা প্রাথমিক শিক্ষক পদের 

জন্য আবেদন করতে পেরেছেন। কিন্তু এবার আবেদনের যোগ্যতা স্নাতক পাস। করোনার কারণে স্নাতক বা সম্মান চূড়ান্ত বর্ষের পরীক্ষা না হওয়ায় অনেকেই প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক পদে আবেদন করতে পারেননি।

বর্তমান বেতন স্কেল অনুযায়ী প্রশিক্ষণবিহীন প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক ১৫তম গ্রেড অনুযায়ী ৯ হাজার ৭০০ টাকা স্কেলে বেতন পান এবং প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক ১৪তম গ্রেডে ১০ হাজার ২০০ টাকা স্কেলে বেতন পান। তবে এবার নতুন করে যাঁরা সহকারী শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ পাবেন, তাঁদের বেতন হবে জাতীয় বেতন স্কেল ২০১৫-এর গ্রেড ১৩ অনুযায়ী ১১০০০-২৬৫৯০ টাকা।

ডিপিই সূত্রে জানা গেছে, এবার প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে একাধিক পরিবর্তন আনা হচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে, কেন্দ্রসচিব হিসেবে নিজ বিদ্যালয়ের শিক্ষকেরা থাকতে পারবেন না। লিখিত পরীক্ষার দিন লটারি করে কেন্দ্রসচিব নির্বাচন করা হবে। এ ছাড়া এবার চারটি ধাপে পরীক্ষা হবে বলে জানা গেছে।

ডিপিইর নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন কর্মকর্তা বলেন, `আমাদের সব প্রস্তুতি আছে। পরীক্ষার্থীদের উত্তরপত্র মূল্যায়নে সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্টের কাজও শেষ। কিন্তু শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা এ বছর হওয়ার সম্ভাবনা কম। করোনা পরিস্থিতির কারণে আমরা ঝুঁকি নিতে চাচ্ছি না।’

মন্তব্য

আপনার পরিচয় গোপন রাখতে
আমি নীতিমালা মেনে মন্তব্য করছি।
Show
 
    সব মন্তব্য

    ইহাতে মন্তব্য প্রদান বন্ধ রয়েছে

    এলাকার খবর

     
     

    কাল থেকে অগ্রিম টিকিট দেওয়া হবে আন্তদেশিয় ট্রেনের 

    বৈশ্বিক সংকট কাটাতে জিসিআরজি বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর ৪ প্রস্তাব 

    ৫ মাস পর অন-অ্যারাইভাল ভিসা চালু

    সোমবার থেকে ৫ দিন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে দর্শনার্থী প্রবেশ নিষিদ্ধ

    এক দশক পর প্রাথমিকে স্টুডেন্টস কাউন্সিল নির্বাচন ২ জুন

    সরকারি কর্মকর্তাদের বিদেশ ভ্রমণ বন্ধের পরিপত্র জারি

    সেনেগালে হাসপাতালে অগ্নিকাণ্ডে ১১ নবজাতকের মৃত্যু

    ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বাস-মাইক্রোবাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ, নিহত ১