সোমবার, ২০ মে ২০২৪

সেকশন

 

ডিজে পার্টিতে মোবাইল ফোন চুরির জেরে সাভারের আকাশ হত্যা: র‍্যাব 

আপডেট : ২৫ মার্চ ২০২৪, ১৫:২৪

গ্রেপ্তার হওয়া হৃদয়সহ তাঁর গ্রুপের আট সদস্য। ছবি: আজকের পত্রিকা ডিজে পার্টিতে মোবাইল হারানোর জেরে দুই গ্রুপের দ্বন্দ্ব থেকে সাভারের আকাশকে খুন করা হয়েছে। খুনের সঙ্গে জড়িত প্রধান আসামি হৃদয় গ্রুপের প্রধান হৃদয় হোসেন ওরফে গিয়ার হৃদয়সহ আটজনকে গ্রেপ্তারের পর এ তথ্য দিয়েছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন-র‍্যাব। 

আজ সোমবার রাজধানীর কারওয়ান বাজারে র‍্যাব মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন র‍্যাবের মুখপাত্র কমান্ডার খন্দকার আল মঈন। গত রোববার রাতে সাভারে অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানান তিনি। 

গ্রেপ্তাররা হলেন হত্যাকাণ্ডের মূল হোতা হৃদয় গ্রুপের প্রধান মো. হৃদয় হোসেন ওরফে গিয়ার হৃদয় (২৪), মো. আরিয়ান আহম্মেদ জয় ওরফে ড্যাগার আরিয়ান (২৩), নাসির উদ্দিন নাসু ওরফে বাবা নাসু (৫২), মো. আবিরুল হক আবির ওরফে কাটা আবির (২৪), জোবায়ের হাসান খন্দকার ওরফে পাইটু জোবায়ের (১৯), মো. জাকির হোসেন রনি (৩০), মো. জাহিদুল ইসলাম ওরফে জাহেদ (৩৬) এবং আমির হামজা (২১)। 

র‍্যাবের কমান্ডার খন্দকার আল মঈন দাবি করেন, গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা আড়াপাড়া এলাকায় একটি বাসায় ডিজে পার্টির আয়োজন করে। ওই অনুষ্ঠানে একটি মোবাইল হারানোর ঘটনাকে কেন্দ্র মোবাইল চুরির অভিযোগে দুই যুবককে মারধর করা হয়। পরবর্তীতে ঘটনার জের ধরে সাভারের একটি খাবার হোটেলের ভেতর ‘হৃদয় গ্রুপ’ ও ‘পিনিক রাব্বি গ্রুপ’ সংঘর্ষে জড়ায়। এ সময় আকাশকে ধারালো দেশীয় অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে খুন করা হয়। 

তিনি আরও দাবি করেছেন, সম্প্রতি সাভার এলাকায় বেশ কয়েকটি হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এসব হত্যাকাণ্ডের পেছনে হৃদয় গ্রুপের সদস্যদের সম্পৃক্ততা রয়েছে। আকাশের পরে এই গ্রুপের সদস্যরা ১২ মার্চ সাভার পৌর এলাকায় সোহেল নামে এক ব্যক্তিকে এবং গত ২১ মার্চ সোবহানবাগ এলাকায় আমজাদ নামে আরেক ব্যক্তিকে ছুরিকাঘাতে খুন করেছেন। 

র‍্যাবের ধারণা, এই গ্রুপের কাছে যে পরিমাণ অস্ত্র মজুত ছিল, তাতে বড় কোনো অপরাধের পরিকল্পনা ছিল তাঁদের। 

গ্রেপ্তার হওয়া জাহিদুলের পরামর্শে এবং অর্থনৈতিক লোভে হৃদয় গ্রুপ এসব সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড করে আসছিল উল্লেখ করে খন্দকার মঈন বলেন, জাহিদুল কষ্টিপাথর ও ধাতব মুদ্রা প্রতারণার সঙ্গে জড়িত। এ ছাড়া তিনি বিভিন্ন ব্যক্তিকে ভুয়া পাথরের মূর্তি দেখিয়ে, কষ্টিপাথর বিক্রির কথা বলে, সুবিধাজনক স্থানে নিয়ে বিভিন্ন জনকে জিম্মি করে তাঁর সর্বস্ব হাতিয়ে নিত। এসব কাজের জন্য এই গ্রুপকে ব্যবহার করতেন তিনি। তাঁর বিরুদ্ধে ইতিপূর্বে বিভিন্ন থানায় ৬ থেকে ৭টি মামলা রয়েছে বলে জানা গেছে। 

গ্রেপ্তারকৃতদের কাছ থেকে জব্দকৃত অস্ত্রসহ অন্যান্য জিনিসপত্র। ছবি: আজকের পত্রিকা তিনি আরও বলেন, এ ছাড়া জাকির হোসেন রনি ওরফে মেশিন রনি হৃদয় গ্রুপের অন্যতম সদস্য। তিনি দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগের দিন হৃদয়ের কাছ থেকে ৪০ হাজার টাকার বিনিময়ে একটি আগ্নেয়াস্ত্র কেনেন। পরে বিভিন্ন সময়ে ওই অস্ত্র ব্যবহার করে সন্ত্রাসী কার্যক্রমের জন্য বিভিন্ন ব্যক্তিকে ভাড়া দিতেন। তিনি আগ্নেয়াস্ত্র ভাড়ায় দেওয়ায় তাঁকে সবাই মেশিন রনি হিসেবে চিনতেন। তাঁর বিরুদ্ধে সাভার থানায় হত্যা মামলা রয়েছে। গ্রেপ্তার সবার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। 

এদিকে পিনিক রাব্বি গ্রুপের সদস্যদেরও গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলেও জানান র‍্যাবের এ কর্মকর্তা।

মন্তব্য

আপনার পরিচয় গোপন রাখতে
আমি নীতিমালা মেনে মন্তব্য করছি।
Show
 
    সব মন্তব্য

    ইহাতে মন্তব্য প্রদান বন্ধ রয়েছে

    এলাকার খবর

     

    ব্রাহ্মণপাড়ায় সোনালু ফুলে শোভিত প্রকৃতি

    নিখোঁজের ৩ দিন পর পাশের ইউনিয়নের পুকুরপাড়ে মিলল বৃদ্ধার লাশ

    গাজীপুরে ভাতিজার ছুরির আঘাতে চাচার মৃত্যু

    ওএমএস বিতরণে গাফিলতি হলে জেল-জরিমানা: খাদ্যমন্ত্রী 

    লাখাইয়ে আ.লীগ নেতাকে ভোট না দিলে তালাক দিয়ে এলাকাছাড়া করার হুমকি

    যশোর-নড়াইল মহাসড়কের গাছ আপাতত কাটা যাবে না: হাইকোর্ট

    রাইসির হেলিকপ্টার দুর্ঘটনাকে ‘ঐশ্বরিক শাস্তি’ বললেন ইহুদি পুরোহিতরা

    আইসিবির শাখায় শাখায় ঘুরেও মিলছে না টাকা

    কে এই ইব্রাহিম রাইসি

    ইতিহাস গড়ার পর গার্দিওলা কি ম্যান সিটি ছাড়ার ইঙ্গিত দিলেন

    ব্রাহ্মণপাড়ায় সোনালু ফুলে শোভিত প্রকৃতি

    নিম্ন আদালতে পদ খালি, তবু হচ্ছে না বিচারকদের পদায়ন