শনিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১

সেকশন

 

নৌপথে বড় ঝুঁকি ডুবে থাকা জাহাজ

আপডেট : ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১০:১২

চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ চ্যানেলে ডুবে যাওয়া একটি লাইটার জাহাজ। ফাইল ছবি চট্টগ্রাম অঞ্চলে বিশেষ করে হাতিয়া ও সন্দ্বীপ অভ্যন্তরীণ নৌ রুটে লাইটার জাহাজ দুর্ঘটনা বেড়েই চলেছে। গত পাঁচ বছরে ডুবেছে ৩২টি লাইটার জাহাজ, যার ৭টিই সাগরের তলদেশ থেকে আর ওঠানো হয়নি। গুরুত্বপূর্ণ নৌ-পথে ডুবে থাকা এসব জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে বড় জাহাজ চলাচলের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। এত বেশি জাহাজ দুর্ঘটনার ফলে ব্যাপক জানমালের ক্ষতির পাশাপাশি চট্টগ্রাম বন্দরের সুনামও নষ্ট হচ্ছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

বাংলাদেশ কার্গো ভেসেল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মো. নুরুল হক আজকের পত্রিকাকে বলেন, গত কয়েক বছরে বেশ কিছু জাহাজ ডুবেছে সন্দ্বীপ চ্যানেলে। ডুবে যাওয়া এসব  বাল্কহেডের সঙ্গে ধাক্কা লেগেও অনেক জাহাজ দুর্ঘটনায় পড়ছে।  

বেসরকারি লাইটার জাহাজ পরিচালনা সংস্থা ওয়াটার ট্রান্সপোর্ট সেল (ডব্লিউটিসি) সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরের জুলাই মাসে ১৫ দিনের ব্যবধানে চট্টগ্রাম বন্দর চ্যানেলের আশপাশে ৩টি লাইটার জাহাজ ডুবেছে। ১০ জুলাই ভাসানচরের কাছে ফুলতলা-১ নামে ছোলা বোঝাই একটি জাহাজ ডুবে যায়। ১৩ জুলাই পদ্মা সেতু মালামাল নিয়ে ভাসানচরের কাছে এমভি হ্যাং গ্যাং-১ নামের একটি জাহাজ ডুবে। এই জাহাজে পদ্মা সেতুর কাজের জন্য আনা মালামাল ছিল। সর্বশেষ ২৭ জুলাই পতেঙ্গা লাইট হাউস থেকে ২ দশমিক ২ নটিক্যাল মাইল দূরে এমভি সুফলা নামের আরেকটি  জাহাজ ডুবে যায়। 

সম্প্রতি চট্টগ্রাম বন্দরের আশপাশে কয়েকটি লাইটার জাহাজ দুর্ঘটনার কথা স্বীকার করে চট্টগ্রাম বন্দরের ডেপুটি কনজারভেটর ক্যাপ্টেন ফরিদুল আলম আজকের পত্রিকাকে বলেন, এগুলো চট্টগ্রাম বন্দর এলাকায় নয়। তারপরও এসব দুর্ঘটনার ফলে ডুবে থাকা জাহাজে পলি জমে সাগর বা নদীর নাব্যতা কমে যাচ্ছে। ডুবে থাকা জাহাজের কারণে বড় জাহাজ চলাচলে দুর্ঘটনার আশঙ্কাও বেড়ে যাচ্ছে।

উপকূলীয় এলাকায় জাহাজ চলাচলে বিধিনিষেধ না মানা এবং আবহাওয়ার সিগন্যাল অমান্য করার ফলে জাহাজ দুর্ঘটনা বাড়ছে বলে মনে করেন বিআইডব্লিউটিএ চট্টগ্রামের উপপরিচালক মো. সেলিম।  এ জন্য জাহাজ চলাচলে সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। 

মন্তব্য

আপনার পরিচয় গোপন রাখতে
আমি নীতিমালা মেনে মন্তব্য করছি।
Show
 
    সব মন্তব্য

    ইহাতে মন্তব্য প্রদান বন্ধ রয়েছে

    এলাকার খবর

    কক্সবাজার সৈকতে আরও একজনের মরদেহ উদ্ধার

    কক্সবাজার সৈকতে আরও একজনের মরদেহ উদ্ধার

    ইপিজেডের নারী শ্রমিককে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে মামলা

    ইপিজেডের নারী শ্রমিককে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে মামলা

    কানাডায় উচ্চশিক্ষার আবেদনে অযোগ্যদের তালিকায় কুবির নাম নিয়ে বিভ্রান্তি

    কানাডায় উচ্চশিক্ষার আবেদনে অযোগ্যদের তালিকায় কুবির নাম নিয়ে বিভ্রান্তি

    শাহরাস্তিতে বাথরুমে শিক্ষার্থী আটকে থাকার ঘটনায় আয়া বরখাস্ত

    শাহরাস্তিতে বাথরুমে শিক্ষার্থী আটকে থাকার ঘটনায় আয়া বরখাস্ত

    দেশে কার্যকর বিরোধী দল নেই, চলছে দুঃশাসন: কাদের মির্জা

    দেশে কার্যকর বিরোধী দল নেই, চলছে দুঃশাসন: কাদের মির্জা

    ফাঁদ পেতে বন বিড়াল আটক, পানিতে চুবিয়ে হত্যা

    ফাঁদ পেতে বন বিড়াল আটক, পানিতে চুবিয়ে হত্যা

    কণ্ঠ হারিয়েছেন বাপ্পী লাহিড়ি? ছেলে বললেন, ‘একেবারেই মিথ্যে’

    কণ্ঠ হারিয়েছেন বাপ্পী লাহিড়ি? ছেলে বললেন, ‘একেবারেই মিথ্যে’

    সিগারেটের আগুন না দেওয়ায় হোটেল মালিককে ঘুষি মেরে হত্যা

    সিগারেটের আগুন না দেওয়ায় হোটেল মালিককে ঘুষি মেরে হত্যা

    বৈরী আবহাওয়ার বঙ্গোপসাগরে ট্রলার ডুবি নিখোঁজ ১

    বৈরী আবহাওয়ার বঙ্গোপসাগরে ট্রলার ডুবি নিখোঁজ ১

    কাঁকড়া চাষ হতে পারে সুন্দরবন নির্ভর জনগোষ্ঠীর অন্যতম বিকল্প কর্মসংস্থান

    কাঁকড়া চাষ হতে পারে সুন্দরবন নির্ভর জনগোষ্ঠীর অন্যতম বিকল্প কর্মসংস্থান

    দিনাজপুরে মসজিদ আটককৃতদের মধ্যে ১১ জনের নামে মামলা

    দিনাজপুরে মসজিদ আটককৃতদের মধ্যে ১১ জনের নামে মামলা