রোববার, ১৯ মে ২০২৪

সেকশন

 

স্বীকৃতি ও সম্মানে আপ্লুত রিকশাচিত্রশিল্পীরা

আপডেট : ২৭ ডিসেম্বর ২০২৩, ১৩:২৬

রিকশাচিত্র ইউনেসকোর সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের স্বীকৃতি পাওয়ায় ১১১ শিল্পীকে সংবর্ধনা দিল বাংলা একাডেমি। গতকাল একাডেমির আবদুল করিম সাহিত্যবিশারদ মিলনায়তনে। ছবি: আজকের পত্রিকা ­­বৈশ্বিক স্বীকৃতিটা আগেই মিলেছে। এবার পেলেন সম্মান-সংবর্ধনা। ‘ঢাকার রিকশা ও রিকশাচিত্র’ অপরিমেয় সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য হিসেবে জাতিসংঘ শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি সংস্থার (ইউনেসকো) স্বীকৃতি পাওয়ায় গতকাল মঙ্গলবার ১১১ জন রিকশাচিত্রশিল্পীকে সংবর্ধনা দিয়েছে বাংলা একাডেমি।

বাংলা একাডেমির এমন সম্মাননায় আপ্লুত শিল্পীরা। অনুষ্ঠানের মঞ্চে এসে তাঁরা জানিয়েছেন কৃতজ্ঞতা। বলেছেন নিজেদের কষ্ট ও প্রত্যাশার কথা। সংবর্ধিতদের একজন মনির হোসেন অনুষ্ঠানে বলেন, ‘আমরা অবহেলিত ছিলাম। আজ আমাদের সম্মানিত করা হয়েছে। এ জন্য বাংলা একাডেমিসহ সবার কাছে কৃতজ্ঞতা।’ 

পরে আজকের পত্রিকার সঙ্গে আলাদাভাবে কথা কয় এই শিল্পীর। মনির হোসেন বলেন, ‘ঢাকার গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় রিকশাচিত্রের কাজ করেছি। মগবাজার ফ্লাইওভার, টিএসসিতে রিকশাচিত্র করেছি, বইমেলায় অঙ্গসজ্জা করেছি। এগুলো স্বীকৃতির পেছনে বড় ভূমিকা রেখেছে। আমাদের যারা উস্তাদ (শিক্ষক) রয়েছেন, তাঁদেরও অবদান রয়েছে। আপনাদেরও  (সাংবাদিক) বড় ভূমিকা রয়েছে। ইউনেসকোর স্বীকৃতি অনেক লাভজনক হবে, যদি আমরা সেটা ধরে রাখতে পারি। এ জন্য সরকারি পৃষ্ঠপোষকতায় ইনস্টিটিউট করা যায়।’

আরেক শিল্পী রুমা ইসলাম বলেন, ‘কী যে বলব, ভাষা খুঁজে পাচ্ছি না। কারণ, আমার আব্বু সম্পর্কে জানানো হয়েছে, আমি কার মেয়ে! আমার আব্বুর নাম আলাউদ্দিন আহমেদ নাজ। উনি রিকশাচিত্রের কাজ এতটা ভালোবাসতেন, এত পছন্দ করতেন, তা বলার মতো নয়। এত আবেগ উনার ছিল, আজকে উনি থাকলে কতই-না খুশি হতেন! আমি খুশি হয়েছি, কিন্তু আমার আব্বুর খুশি দেখছি না। আজকের প্রোগ্রাম দেখে সারাক্ষণ আব্বুর কথা মনে পড়েছে।’

রিকশাচিত্রের কাজ নিয়ে জানতে চাইলে শিল্পী মোহাম্মদ দুলাল হোসেন হতাশা প্রকাশ করে বলেন, ‘পেটের দায় থাকায় রিকশা পেইন্টিংয়ের কাজ আবেগ নিয়ে করতে পারছি না। এখন যা পাই, তা-ই করছি। শুধু রিকশা পেইন্টিংয়ের কাজ করে পেট চলবে না। সরকারের পক্ষ থেকে জরুরি পদক্ষেপ নিতে হবে। অন্যথায় রিকশা পেইন্টিং হারিয়ে যাবে।’

গতকাল সকাল ১০টার দিকে যখন বাংলা একাডেমির আবদুল করিম সাহিত্যবিশারদ মিলনায়তনে রিকশাচিত্রশিল্পীদের সংবর্ধনার অনুষ্ঠান শুরু হয়, তার আগেই মিলনায়তনে এসে উপস্থিত হন শিল্পীরা। বাংলা একাডেমির পরিচালক কবি মুহম্মদ নূরুল হুদার স্বাগত বক্তব্যের মধ্য দিয়ে শুরু হয় অনুষ্ঠান। বাংলা একাডেমির সভাপতি ও কথাসাহিত্যিক সেলিনা হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ। 

মন্তব্য

আপনার পরিচয় গোপন রাখতে
আমি নীতিমালা মেনে মন্তব্য করছি।
Show
 
    সব মন্তব্য

    ইহাতে মন্তব্য প্রদান বন্ধ রয়েছে

    এলাকার খবর

     

    রাজধানীতে ১৫ দিনব্যাপী চিত্র প্রদর্শনী ‘কানেকশন’ 

    বইমেলায় ড. মোস্তফা সারওয়ারের ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প: উলঙ্গ সম্রাট’

    কলকাতা বই মেলায় রিকশাচিত্রে নজর কাড়ছে বাংলাদেশ প্যাভিলিয়ন

    বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার পাচ্ছেন যাঁরা

    ‘যুদ্ধ গণহত্যা সহে না কবিতা’ স্লোগানে জাতীয় কবিতা উৎসব ১ ও ২ ফেব্রুয়ারি

    বাংলা একাডেমিতে ‘লেনিন’ উপন্যাসের প্রকাশনা উৎসব

    ৭২ লাখ টাকা জরিমানা দিয়ে চট্টগ্রাম বন্দর ছাড়ল বিদেশি জাহাজ

    শরীয়তপুরে চেয়ারম্যান প্রার্থীর ওপর হামলা, আহত ১০ 

    মাকে হত্যার আসামি হওয়ার পর জানলেন তিনি আসলে পালিত কন্যা

    চট্টগ্রাম কলেজ ছাত্রলীগের কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা

    কিরগিজস্তানে বিদেশি শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার নেপথ্যে

    ইরানে দুই নারীসহ সাতজনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর, ফাঁসিতে ঝুলতে পারে আরেক ইহুদি