শনিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১

সেকশন

 

প্রতিকূলতার মধ্যেও শিক্ষায় এগিয়ে চাকেরা

আপডেট : ১১ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১১:৩০

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার বাইশারী এলাকায় চাকপাড়া। ফাইল ছবি প্রতিকূলতার মধ্যেই পাহাড়ে শিক্ষা-দীক্ষায় এগিয়ে যাচ্ছে চাকেরা। পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসকারী ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মধ্যে কম জনসংখ্যার দিক দিয়ে চতুর্থ এই নৃগোষ্ঠী।

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ৩টি ইউনিয়নে ১৪টি পাড়ায় চাকদের বসবাস। এ ছাড়া রাঙামাটি ও খাগড়াছড়িতে কয়েকটি পরিবার অন্য নৃগোষ্ঠীর সঙ্গে বসবাস করলেও নিজেদের কোনো পাড়া নেই। চাকদের নিজস্ব ভাষা তু। নিজস্ব বর্ণমালাও আছে। এরা মূলত বৌদ্ধধর্ম অনুসারী।

২০১১ সালে জরিপ অনুযায়ী, চাকদের জনসংখ্যা প্রায় আড়াই হাজার। বর্তমানে এই সংখ্যা ৪ থেকে ৫ হাজার বলে ধারণা চাকদের। অনেকে একই মনে করলেও চাক ও চাকমা আলাদা নৃগোষ্ঠী।

চাকদের মতে, তাঁদের শিক্ষার হার ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ। চাকদের ৫০ জনের বেশি স্নাতক ও ১০ জনের বেশি স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেছেন। ৬ জন এমবিবিএস ডাক্তার আছে চাক গোষ্ঠীতে। এর মধ্যে ১ জন বিসিএস স্বাস্থ্য ক্যাডার।

সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়ারিং কোরের কর্মকর্তা হয়েছেন ১ জন। শিক্ষিতদের অধিকাংশই ব্যাংকিং, শিক্ষকতা, এনজিওকর্মী ও সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে গুরুত্বপূর্ণ পদে কর্মরত।

চাকদের জনপ্রতিনিধির মধ্যে ৪ হেডম্যান (মৌজাপ্রধান) আছেন। কোনো চেয়ারম্যান না থাকলেও ইউপি সদস্য আছেন ৪ জন। চাকদের সর্বোচ্চ প্রতিনিধি বান্দরবান জেলা পরিষদের সদস্য ক্যনে ওয়ান চাক।

ক্যনে ওয়ান চাক বলেন, ‘প্রতিকূলতার ভিড় ঠেলে চাকেরা তাদের অস্তিত্ব ধরে রেখেছে। সরকার আরও সহায়ক হলে আমরা আরও এগিয়ে যেতে পারব। চাকরিতে বিশেষ কোটা না থাকায় লেখাপড়া করে বেকার থাকছেন আমাদের ছেলেরা। অর্থনৈতিক অবস্থা খারাপ হওয়ার কারণে ব্যবসাও করতে পারছেন না।’

চাক সম্প্রদায়ের নেতা চিংহ্লা মং চাক বলেন, পাকিস্তান আমলে ২টি ও পার্বত্য চুক্তির পর ৩টি চাক গ্রাম উচ্ছেদের শিকার হয়েছে। আরও ৩-৪টি চাক গ্রাম উচ্ছেদের আশঙ্কা রয়েছে। প্রভাবশালী ভূমিদস্যুদের রাবারবাগান কোম্পানি এর নেতৃত্ব দিচ্ছে। এগুলো বন্ধ করা দরকার। 

মন্তব্য

আপনার পরিচয় গোপন রাখতে
আমি নীতিমালা মেনে মন্তব্য করছি।
Show
 
    সব মন্তব্য

    ইহাতে মন্তব্য প্রদান বন্ধ রয়েছে

    এলাকার খবর

    সিগারেটের আগুন না দেওয়ায় হোটেল মালিককে ঘুষি মেরে হত্যা

    সিগারেটের আগুন না দেওয়ায় হোটেল মালিককে ঘুষি মেরে হত্যা

    বৈরী আবহাওয়ার বঙ্গোপসাগরে ট্রলার ডুবি নিখোঁজ ১

    বৈরী আবহাওয়ার বঙ্গোপসাগরে ট্রলার ডুবি নিখোঁজ ১

    দিনাজপুরে মসজিদ আটককৃতদের মধ্যে ১১ জনের নামে মামলা

    দিনাজপুরে মসজিদ আটককৃতদের মধ্যে ১১ জনের নামে মামলা

    শিশু হত্যার দায় স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি চাচির

    শিশু হত্যার দায় স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি চাচির

    সাভারে নারী পোশাক শ্রমিকের অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার

    সাভারে নারী পোশাক শ্রমিকের অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার

    কক্সবাজার সৈকতে আরও একজনের মরদেহ উদ্ধার

    কক্সবাজার সৈকতে আরও একজনের মরদেহ উদ্ধার

    সিগারেটের আগুন না দেওয়ায় হোটেল মালিককে ঘুষি মেরে হত্যা

    সিগারেটের আগুন না দেওয়ায় হোটেল মালিককে ঘুষি মেরে হত্যা

    বৈরী আবহাওয়ার বঙ্গোপসাগরে ট্রলার ডুবি নিখোঁজ ১

    বৈরী আবহাওয়ার বঙ্গোপসাগরে ট্রলার ডুবি নিখোঁজ ১

    কাঁকড়া চাষ হতে পারে সুন্দরবন নির্ভর জনগোষ্ঠীর অন্যতম বিকল্প কর্মসংস্থান

    কাঁকড়া চাষ হতে পারে সুন্দরবন নির্ভর জনগোষ্ঠীর অন্যতম বিকল্প কর্মসংস্থান

    দিনাজপুরে মসজিদ আটককৃতদের মধ্যে ১১ জনের নামে মামলা

    দিনাজপুরে মসজিদ আটককৃতদের মধ্যে ১১ জনের নামে মামলা

    ৩০ সেপ্টেম্বর উচ্চ মাধ্যমিকের জন্য খুলছে ঢাকা কলেজের ছাত্রাবাস

    ৩০ সেপ্টেম্বর উচ্চ মাধ্যমিকের জন্য খুলছে ঢাকা কলেজের ছাত্রাবাস