সোমবার, ১৭ জুন ২০২৪

সেকশন

 

সাক্ষাৎকার: অধ্যাপক ড. দেলোয়ার হোসেন

প্রধানমন্ত্রীর তিন দেশ সফর ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে

আপডেট : ৩০ এপ্রিল ২০২৩, ১০:১৩

ড. দেলোয়ার হোসেন

অধ্যাপক ড. দেলোয়ার হোসেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক। তিনি ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব জাপান থেকে এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের স্কলার হিসেবে মাস্টার্স করেন। পরে পিএইচডি ডিগ্রি নেন জাপানেরই ফেরিস ইউনিভার্সিটি থেকে মনবুশো স্কলার হিসেবে। বর্তমানে প্রেষণে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (বিপিএসসি) সদস্য। তিনি সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রীর তিন দেশ সফর নিয়ে আজকের পত্রিকার মাসুদ রানার সঙ্গে কথা বলেছেন।

আজকের পত্রিকা: আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে প্রধানমন্ত্রীর তিন দেশ সফরকে আপনি কীভাবে দেখছেন? 
দেলোয়ার হোসেন: নিশ্চিতভাবে এই সফরটা গুরুত্বপূর্ণ। নির্বাচন এবং নির্বাচন ছাড়াও বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি, প্রধানমন্ত্রীর কূটনীতির ক্ষেত্রে সফররত দেশগুলোতে আমাদের দেশের স্বতন্ত্র অবস্থান রয়েছে। বাংলাদেশের সঙ্গে জাপানের যে সম্পর্ক, সেটা ১৯৭২ সালে জাপান যখন বাংলাদেশকে স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছিল, সেখান থেকে সম্পর্কটা এখন পর্যন্ত সচল রয়েছে। তখন থেকে দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক শক্তিশালী অবস্থায় আছে। এই সম্পর্কের বহুমাত্রিকতা এবং বৈচিত্র্য অন্য মাত্রায় পৌঁছেছে।

বিশ্বব্যাংকের ৫০ বছর পূর্তি অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী অংশ নেবেন। যেহেতু বিশ্বব্যাংকের অন্যতম পার্টনার হলো যুক্তরাষ্ট্র। তাই বিশ্বব্যাংকের এই অনুষ্ঠানে যোগদানের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আমাদের সম্পর্কে ইতিবাচক পরিবর্তন আনবে। আর যুক্তরাজ্য আমাদের পুরোনো এবং গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক অংশীদার।

তাই এই তিন দেশ সফর বাংলাদেশের জন্য সব সময়ের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। একই সঙ্গে বর্তমানে বাংলাদেশ যে ধরনের অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং বিভিন্নভাবে এই অঞ্চলে একটা শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে—সেই পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশের প্রতি এসব দেশের আগ্রহ বেড়েছে। ২০২৩ সালের সফরের সঙ্গে ১৫-২০ বছরের আগের সফরের একটা বড় পার্থক্য রয়েছে। বাংলাদেশের যে সাফল্য এবং অন্যান্য দিকে যে উন্নয়নের গতি চলমান রয়েছে, আর নির্বাচন নিয়ে অনেক ধরনের বিতর্ক ও আলোচনা আছে, সেই জায়গা থেকে এ রকম একটি সফরের মাধ্যমে সেসব দেশের কাছ থেকে সমর্থন আদায় করা সম্ভব হবে। জাপান জানিয়েছে, এই সফরটাকে গুরুত্ব দিচ্ছে দুই দেশের সম্পর্ক উন্নয়নের জন্য। সরকারের সাফল্যের ইতিবাচক দিকগুলো এই সফরের মাধ্যমে প্রভাব ফেলতে পারে। তাই নির্বাচন বাদেও এই সফরের গুরুত্ব অনেক বেশি বাংলাদেশের জন্য।

বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা, ২০২৬ থেকে ২০৪১ সালের মধ্যে নতুন বাংলাদেশের দিকে যাত্রা করে উন্নত দেশে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার যে স্বপ্ন এবং স্মার্ট বাংলাদেশের জন্য এ সফর অনেক তাৎপর্যপূর্ণ।

আজকের পত্রিকা: জাপানের সঙ্গে বেশ কয়েকটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। এসব চুক্তির বিশেষ তাৎপর্য কী? 
দেলোয়ার হোসেন: আমার কাছে মনে হয়, এটি একটি ডেট চেঞ্জিং আইডিয়া। বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে সম্পর্কটা একটা নতুন বাস্তবতায় পৌঁছে গেছে। যে ৮টি চুক্তি এবং সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে, একজন আন্তর্জাতিক বিষয়ের বিশ্লেষক হিসেবে বলব, এককথায় বিরল। প্রতিটি চুক্তিই ব্যতিক্রমধর্মী এ জন্য যে শুধু বাংলাদেশ-জাপান সম্পর্কের ক্ষেত্রে নয়, যেকোনো বন্ধুরাষ্ট্রের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। জাপান বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আমাদের প্রতি আগ্রহ দেখিয়েছে। এসব চুক্তি স্বাক্ষরের মধ্য দিয়ে কৌশলগত অংশীদারত্ব প্রতিষ্ঠা হবে।

বাংলাদেশের সঙ্গে জাপানের সম্পর্কের নতুন ধারা সূচিত হয়েছে। প্রতিরক্ষা খাতে সংলাপ, প্রশিক্ষণ ও প্রযুক্তি হস্তান্তরের কথা বলা হয়েছে, সেটি এককথায় নতুন ধারণা। বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে এর গুরুত্ব রয়েছে।

জাপানের হাত ধরেই বাংলাদেশ নতুন রেলযোগাযোগে প্রবেশ করেছে। মেট্রোরেল বাংলাদেশের মানুষের কাছে স্বপ্নের মতো ছিল। সেটা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাস্তবায়ন করেছেন জাপানের সহযোগিতায়। এটাকে আরও সম্প্রসারিত ও শক্তিশালী করার জন্য সহযোগিতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে।

আরও একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো জাহাজভাঙা শিল্প। এর জন্য সহযোগিতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। তারপর বাংলাদেশে ভবিষ্যতে ইন্টেলেকচুয়াল প্রপার্টি রাইট বিষয়ে চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হবে। এ নিয়ে তাদের সহযোগিতার কথা বলা হয়েছে। কৃষি নিয়ে সহযোগিতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। এক একটা সেক্টর নিয়ে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক অন্য এক উচ্চতায় নিয়ে যাওয়া যেতে পারে। বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সেক্টর নিয়ে এক সফরেই ৮টি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। এসব চুক্তি স্বাক্ষর ভবিষ্যতে আরও শক্তিশালী, গতিশীল এবং পরস্পরকে কাছাকাছি নিয়ে আসবে।

বাংলাদেশকে উন্নয়নের শীর্ষে পৌঁছাতে যে ধরনের শিল্প উৎপাদনের ক্ষমতা বৃদ্ধি করা দরকার, সেই বিষয়েও একটা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। বাংলাদেশে ইন্ডাস্ট্রি ক্যাপাসিটি বিল্ডআপ কীভাবে বাড়ানো যায়, সে বিষয়েও একটা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।

জাপান পৃথিবীর অন্যতম উন্নত রাষ্ট্র। একসময় জাপানকে বলা হতো অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে অন্যতম পরাশক্তি। এ রকম একটা অগ্রসর রাষ্ট্রের সঙ্গে যখন ইন্ডাস্ট্রি ক্যাপাসিটি বিল্ডআপ চুক্তি হয়, সেটা অবশ্যই বাংলাদেশকে অনেকভাবে লাভবান করবে।

আজকের পত্রিকা: গত জাতীয় নির্বাচন নিয়ে ঢাকায় নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত যে বক্তব্য রেখেছিলেন, প্রধানমন্ত্রীর সফরে তার পরিবর্তন হবে বলে মনে করেন?
দেলোয়ার হোসেন: জাপানের রাষ্ট্রদূতের যে মন্তব্য ছিল, সেটা তাঁর ব্যক্তিগত মতামত। তাঁর এই মন্তব্যের সঙ্গে জাপানের রাষ্ট্রীয় পলিসির কোনো সম্পর্ক নেই। জাপান বরাবরই তার উন্নয়ন-সহযোগী এবং বন্ধুরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করে না। আমরা জানি, বাহাত্তর সাল থেকে বাংলাদেশকে সবচেয়ে বেশি সাহায্য দিয়ে আসছে জাপান। বিশ্বের অন্য দেশগুলোও সাহায্য দিয়েছে, কিন্তু বাংলাদেশের জন্য জাপানের সাহায্য ছিল একটা গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার। আর জাপান সাধারণত কোনো দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে অবস্থান গ্রহণ বা মন্তব্য করে না। তাই বর্তমানে দুই দেশের মধ্যে যে বিরাজমান সম্পর্ক স্থাপিত হয়েছে, সে কারণে বাংলাদেশের জন্য যা ক্ষতিকর, তা নিয়ে জাপান কোনো কাজ করবে, তা আমার কাছে বিশ্বাসযোগ্য মনে হয় না।

আমার কাছে মনে হয়, জাপান অতীতে যেভাবে কোনো ধরনের অপতৎপরতার মধ্যে ছিল না, বর্তমানেও তা হবে না। তাই জাপানের রাষ্ট্রদূতের যে বক্তব্য, তা ছিল একেবারেই বিচ্ছিন্ন একটা মন্তব্য। এরপর আমরা লক্ষ করেছি, তা নিয়ে পরে আর কোনো আলোচনা হয়নি। এ রকম একটি সফল রাষ্ট্রীয় সফরের মাধ্যমে জাপান আবার প্রমাণ করেছে, জাপানের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক অনেক গুরুত্বপূর্ণ।

আজকের পত্রিকা: যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য সফরে সরকারিভাবে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের কোনো কর্মসূচি নেই। তারপরও এই দুই দেশের মধ্যে বিশেষ কোনো আলোচনার সম্ভাবনা আছে বলে মনে করেন? 
দেলোয়ার হোসেন: এখন পর্যন্ত দুই দেশের মধ্যে কোনো সরকারি কর্মসূচি দেখিনি। প্রধানমন্ত্রী বিশ্বব্যাংকের একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে অংশ নেবেন। এর বাইরে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের সঙ্গে অনানুষ্ঠানিক বৈঠক হবে। তবে আনুষ্ঠানিক আলোচনার চেয়ে বিভিন্ন ধরনের অনানুষ্ঠানিক আলোচনায় কূটনৈতিক ভূমিকা থাকে। কিছুদিন আগে আমরা যেমন দেখলাম হঠাৎ করে সৌদি আরব ও ইরানের মধ্যে নতুনভাবে পারস্পরিক সহযোগিতার সম্পর্ক স্থাপিত হয়েছে। অথচ এটা নিয়ে এর আগে কোনো ধরনের কথাই শোনা যায়নি। চীন এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। চীন এটা কীভাবে করেছে, কত ধরনের অনানুষ্ঠানিক আলোচনা তাদের মধ্যে হয়েছে, সেসব বিষয়ের আমরা কিছুই জানি না। সে কারণে প্রধানমন্ত্রীর এই সফরে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে অনানুষ্ঠানিক আলোচনা তো হতেই পারে। বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের একটা সম্পর্ক আছে। সবকিছু মিলিয়ে আমি বলতে পারি, ভিন্ন ধরনের একটা সুযোগ তৈরি করেছে বাংলাদেশের জন্য। এর মধ্যে বিশ্বব্যাংক আগামী চার বছরের জন্য ৮ বিলিয়ন ডলার ঋণ দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে।

আর যুক্তরাজ্যে নতুন রাজা আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব নেবেন। সেই অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনার উপস্থিত থাকা মানেই যুক্তরাজ্যের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্কের যে উষ্ণতা ও গভীরতা, সেটাই স্পষ্ট করে। এ ধরনের অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ করার মানেই হলো, অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার মাধ্যমেই সম্পর্কের মাত্রা, বাংলাদেশের প্রতি আস্থা এবং কূটনৈতিক সম্পর্কের বহিঃপ্রকাশ বলতে হবে।

আমার মনে হয়, সেখানে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তাদের অনেক বিষয়ে কথা হবে। বিশাল বাংলাদেশি প্রবাসী জনগোষ্ঠী সেখানে আছে, তাদেরও অনেক ভূমিকা আছে বাংলাদেশের ক্ষেত্রে। সবকিছু মিলিয়ে এই দুই দেশ সফর বাংলাদেশের জন্য ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

আজকের পত্রিকা: যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, চীন ও ভারতের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক দ্বন্দ্বমূলক। কিন্তু চারটি দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক ভালো। এটা 
কীভাবে সম্ভব? 
দেলোয়ার হোসেন: এটা আলোচনার জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয় এবং এটা নিয়ে বিভিন্ন ধরনের ব্যাখ্যা রয়েছে। তবে এটার জন্য গুরুত্বপূর্ণ হলো বাংলাদেশের কূটনীতির যে মূল মন্ত্র, সেটা। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের যে কূটনৈতিক আদেশ, ‘সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারও সঙ্গে বৈরিতা নয়’। এটা বাংলাদেশের জন্মের সময় একটা স্লোগান ছিল। বাংলাদেশ তার আচরণে, নীতিতে তার প্রতিফলন ঘটিয়েছে। অনেক দেশের ক্ষেত্রে আমরা দেখি যে এটা শুধু ফাঁকা বুলি হিসেবে কাজ করে। কিন্তু বাংলাদেশ সত্যি সত্যি মনে করে, যদি আমরা শান্তি, সমৃদ্ধি, উন্নতি অর্জন করতে চাই, তাহলে শান্তিপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখার জন্য কঠিন পরিস্থিতিতেও আমাদের কাজ করা উচিত। আমরা সেটা করেও দেখেছি।

আমরা সবার সঙ্গে একটা ভারসাম্যপূর্ণ এবং নিরপেক্ষ সম্পর্ক বজায় রাখছি। কয়েক বছরের মধ্যে দেখছি, বিশ্বের বেশ কিছু দেশ নিজেদের মধ্যে দ্বন্দ্ব, সংঘাত বজায় রেখেছে। কিন্তু বাংলাদেশ এ ধরনের কোনো সংঘাত থেকে নিজেদের মুক্ত রাখতে পেরেছে। পৃথিবীর অনেক ছোট ছোট রাষ্ট্র কিন্তু বৈশ্বিক জোটের রাজনীতির মধ্যে চলে যাচ্ছে। বাংলাদেশ বঙ্গবন্ধুর সময়ও সেই জায়গায় যায়নি এবং এখনো সেটা করছে না। এটার একটা গুরুত্বপূর্ণ বার্তা প্রতিটি দেশ খেয়াল করছে।

বাংলাদেশ তার পলিসি, পররাষ্ট্রনীতি, প্রতিরক্ষানীতি, নিরাপত্তার দিক থেকে কোনো আচরণ করছে না, যার জন্য কোনো রাষ্ট্রের ক্ষতি হতে পারে। এ বিষয়টি বাংলাদেশ সচেতনভাবে মেনে চলছে। শেখ হাসিনা বলেছেন, বাংলাদেশের মাটি অন্য দেশের ক্ষতির কারণ হিসেবে ব্যবহৃত হবে না। বলা সহজ, করা কঠিন—এ জায়গাটায় বাংলাদেশ তা করে দেখাতে পেরেছে। এ কারণে বাংলাদেশ ক্রমেই এগিয়ে যাচ্ছে।

এসব কারণে যুক্তরাষ্ট্রের আজ বাংলাদেশের প্রতি আস্থা আছে, যতই বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে কথা বলুক না কেন। জাপান, রাশিয়া, চীন, ভারতের আস্থা আছে বাংলাদেশের প্রতি। এ জায়গাটি তৈরির জন্য আর একটি উপায় হলো বলিষ্ঠ নেতৃত্ব তৈরি করা। বাংলাদেশ সম্পর্কে অন্যান্য দেশের যে দৃষ্টিভঙ্গি, সেখানে আমরা পরিবর্তন আনতে পেরেছি।

আজকের পত্রিকা: সময় দেওয়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।
দেলোয়ার হোসেন: আপনাদেরও ধন্যবাদ।

মন্তব্য

আপনার পরিচয় গোপন রাখতে
আমি নীতিমালা মেনে মন্তব্য করছি।
Show
 
    সব মন্তব্য

    ইহাতে মন্তব্য প্রদান বন্ধ রয়েছে

    পঠিতসর্বশেষ

    এলাকার খবর

     

    ঈদে টিভি নাটক ও টেলিফিল্ম

    ঈদে টিভিতে সিনেমা

    শেষ সময়ে ইভিএম প্রকল্পের মেয়াদ বাড়ানোর তোড়জোড়

    টিভিতে ঈদের ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান

    টিভিতে ঈদের ধারাবাহিক নাটক

    টিভিতে ঈদের সংগীতানুষ্ঠান

    অভিবাসীকে গ্রিক কোস্টগার্ডের সমুদ্রে ছুড়ে ফেলার প্রমাণ পেল বিবিসি

    এক লাফে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেরা দশে তানজিম সাকিব-মোস্তাফিজ

    ‘দরদ’ সিনেমার টিজার, বুকে কাঁপন ধরিয়েছেন শাকিব খান

    ঈদ সাধারণ মানুষের জন্য আনন্দের বার্তা আনেনি: মির্জা ফখরুল

    দখলদারদের পেটে ২০ হাজার পুকুর-দিঘি, হারাচ্ছে আসকারদীঘি-বলুয়ারদীঘিও

    পাটকেলঘাটায় বিদ্যুতায়িত হয়ে শ্রমিকনেতার মৃত্যু