মঙ্গলবার, ২১ মে ২০২৪

সেকশন

 

সূর্যমুখীর হাসিতে লাখ টাকার স্বপ্ন

আপডেট : ২৪ মার্চ ২০২৩, ১৪:৩৫

পরিত্যক্ত জমিতে দুলছে সূর্যমুখী ফুল। ছবি: আজকের পত্রিকা এক বছর আগেও যে জমি ছিল পরিত্যক্ত, এখন সেখানে রাশি রাশি সূর্যমুখীর হাসি। এই হাসিতেই স্বপ্ন বুনছেন দুই যুবক, অপেক্ষা করছেন নতুন দিনের। পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলা সদরের পিচঢালা রাস্তা থেকে কিছু দূর এগিয়ে নাপিতখালী সেতু। এই সেতুর ঢালে রাস্তার পাশে জমিতে চাষ হয়েছে সূর্যমুখী। 

গ্রামের শিক্ষিত দুই ভাই শামিম ও সুমন নিজস্ব ৩০ শতক জমিতে আবাদ করেছেন সূর্যমুখী ফুল। প্রথমবারের মতো ওই জমিতে সূর্যমুখী চাষ করে সাড়া ফেলেছেন অন্য কৃষকদের মধ্যেও। কৃষকেরা তাঁদের কাছে জানতে চাইছেন চাষের পদ্ধতি ও লাভের পরিমাণ সম্পর্কে। ত্রিশ শতক জমিতে মাত্র ৩০ হাজার টাকা খরচে সূর্যমুখী চাষে এখন স্বপ্ন দেখছেন লাখ টাকার।

চাষি শামিম আহমেদ বলেন, ‘এইচএসসি পর্যন্ত লেখাপড়া করে অনেক চাকরি খুঁজেছি। একসময় চাকরির আশা ছেড়ে দিয়ে ঝুঁকে পড়ি কৃষিকাজে। একদিন কৃষি কার্যালয় থেকে আমাদের পরামর্শ দেওয়া হয় সূর্যমুখী চাষের। কৃষি কার্যালয় থেকে বীজ ও সার পেয়ে শুরু করি সূর্যমুখীর চাষ। প্রথমে কয়েকবার জমি চাষ করে আগাছা পরিষ্কার করে বীজ বপন করি। বীজ বপন করে সেচ দিলে কিছুদিনের মধ্যই অঙ্কুরিত হয় বীজ। মাত্র তিন মাসে গাছ বড় হয়ে প্রথমে ফুল এখন বীজও ধরেছে।’ 

খেতে সূর্যমুখী ফুল পরিচর্যা করছেন কৃষক। ছবি: আজকের পত্রিকা কৃষক শামিম বলেন, ‘ত্রিশ শতক জমিতে সূর্যমুখী চাষে ৩০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। ৩০ হাজার টাকা খরচে সূর্যমুখীর বীজ থেকে চার মণ তেলের আশা করছি। এই পরিমাণ তেল পেলে আশা করছি আশি থেকে ১ লাখ টাকা পাব।’ 

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা চপল কৃষ্ণনাথ বলেন, উপজেলার এই অঞ্চলে সাধারণত পেয়ারা, আমড়া, লেবু, মালটা চাষে সুনাম রয়েছে। তবে সূর্যমুখী চাষে তেমন আগ্রহ নেই। আমাদের দেশের ভোজ্য তেলের চাহিদা মেটাতে এবং অনাবাদি জমি ফেলে না রাখার জন্য কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে কৃষকদের হাইব্রিড জাতের সূর্যমুখী চাষে সহায়তা করি। 

এই কৃষি কর্মকর্তা আরও বলেন, তরুণ দুই কৃষক সাহস করে সূর্যমুখী চাষ করেছেন, তা সবার মধ্যে সাড়া ফেলার মতো। তাঁদের দেখে অনেক কৃষক সূর্যমুখী চাষে আগ্রহ দেখাচ্ছেন।

মন্তব্য

আপনার পরিচয় গোপন রাখতে
আমি নীতিমালা মেনে মন্তব্য করছি।
Show
 
    সব মন্তব্য

    ইহাতে মন্তব্য প্রদান বন্ধ রয়েছে

    এলাকার খবর

     

    ৪ ঘণ্টা পর ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক

    ধানমন্ডিতে অফিসমুখী যুবকের গলায় চাপাতি ঠেকিয়ে ছিনতাই, গ্রেপ্তার ৪ 

    যশোরে ইজিবাইক চালককে হত্যা মামলায় ৫ জনের মৃত্যুদণ্ড

    শরীয়তপুরে মারধরের শিকার ভোট কর্মকর্তাকেই অব্যাহতি

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর শ্যালকের পক্ষে কাজ করছে প্রশাসন, অভিযোগ প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর 

    আশুলিয়ায় দম্পতির লাশ উদ্ধার: স্ত্রী–শ্যালিকার অনৈতিক সম্পর্ক নিয়ে স্বামীর চিরকুট

    লিফট ও এসি দেখতে বিদেশ যাচ্ছেন আমলারা

    সমৃদ্ধ হচ্ছে রঙিন মাছের অর্থনীতি

    নজরুলসংগীত নিয়ে ভারত ও কানাডা যাচ্ছেন ফেরদৌস আরা

    মানুষ বড় কাঁদছে

    কানে গিয়ে নতুন সিনেমায় ভাবনা

    প্রশান্তির জন্য মেডিটেশন