বৃহস্পতিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৪

সেকশন

 

অবৈধ পথে উপার্জনের শাস্তি

আপডেট : ১৬ মার্চ ২০২৩, ২১:৪২

অবৈধ পথে উপার্জনের শাস্তি সম্পদের প্রকৃত মালিক মহান আল্লাহ। মানুষ তাঁর প্রতিনিধি হিসেবে কেবল সেগুলো ভোগ করে। জাগতিক জীবনে ধন-সম্পদের প্রয়োজনীয়তা অনস্বীকার্য। মানুষের অর্থনৈতিক তৎপরতা, উপার্জন এবং উৎপাদনের প্রচেষ্টা করা শুধু প্রশংসনীয়ই নয়, বরং ইসলাম সেটাকে আবশ্যক করেছে। কিন্তু তা হতে হবে হালাল বা বৈধ পথে। তাই ইসলাম হালাল উপার্জনকে ফরজ করেছে। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘হে মুমিনগণ, তোমরা আমার দেওয়া হালাল ও পূতপবিত্র রিজিক খাও।’ (সুরা বাকারা: ১০২)

পক্ষান্তরে হারাম পথে উপার্জনকারী ব্যক্তির সাজা হবে অত্যন্ত কঠোর। মহানবী (সা.) বলেন, ‘হারাম সম্পদ দিয়ে গঠিত শরীর জান্নাতে প্রবেশ করবে না। কারণ যে শরীর হারাম দিয়ে গঠিত, জাহান্নামই তার উপযুক্ত স্থান।’ (মিশকাত) একইভাবে যে বস্তু খাওয়া হারাম, তার মাধ্যমে জীবিকা উপার্জনও হারাম। মহানবী (সা.) বলেন, ‘আল্লাহ যখন কোনো জাতির জন্য কোনো বস্তু খাওয়া হারাম করেন, তখন তার বিক্রয়লব্ধ মূল্যও হারাম করেন।’ (আবু দাউদ)

মৃত প্রাণীর গোশত, রক্ত এবং মদ, শরাব, গাঁজা, আফিম, হেরোইনসহ যাবতীয় মাদকদ্রব্য ও পূজার মূর্তি এসব মৌলিকভাবে হারাম। তাই, এগুলোর মাধ্যমে জীবিকা উপার্জন করা মুসলমানদের জন্য হারাম। হারাম খাদ্য খেয়ে ইবাদত করলে তা কবুল হয় না। ইবনে ওমর (রা.) বলেন, ‘যে ব্যক্তি দশ দিরহাম দিয়ে একটি কাপড় কিনল, যাতে একটি হারাম দিরহামও ছিল, আল্লাহ তার কোনো নামাজ কবুল করবেন না যতক্ষণ পর্যন্ত সে ওই কাপড় পরবে।’ (আহমদ) ইসলামের নির্দেশ মোতাবেক হালাল জীবিকা উপার্জন করা এবং সব হারাম ও অবৈধ উপার্জন থেকে বেঁচে থাকা আমাদের সবারই নৈতিক ও ইমানি দায়িত্ব।

ড. এ এন এম মাসউদুর রহমান, অধ্যাপক, ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়

মন্তব্য

আপনার পরিচয় গোপন রাখতে
আমি নীতিমালা মেনে মন্তব্য করছি।
Show
 
    সব মন্তব্য

    ইহাতে মন্তব্য প্রদান বন্ধ রয়েছে

    এলাকার খবর

     

    ঈদে উপহার বিনিময় সওয়াবের কাজ

    পবিত্র শবে কদর আজ

    শবে কদর যে কারণে শ্রেষ্ঠ

    রমজানে দান করলে যে সওয়াব

    মাতৃভূমির প্রতি নবীজির ভালোবাসা

    ইচ্ছাকৃত রোজা ভঙ্গকারীর শাস্তি

    উপজেলা নির্বাচন: চেয়ারম্যান পদে লড়ার ঘোষণা দিলেন প্রতিমন্ত্রীর ভাই

    ডেমরায় ঈদের ছুটিতে ফাঁকা বাসার ৪ ফ্ল্যাটে দুর্ধর্ষ চুরি

    অন্যের হয়ে জেল খাটার মামলায় দুজনের কারাদণ্ড

    গাইবান্ধায় রেলের চোরাই লোহা বিক্রির সময় আটক ৩

    মানবাধিকারকর্মীর দৃষ্টিতে কতটুকু আধুনিক হলো সৌদি আরব 

    এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের অবসর ও কল্যাণ ট্রাস্ট খাতে বছরে ঘাটতি ৫৬০ কোটি টাকা