শুক্রবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৪

সেকশন

 

আদানির কাছ থেকে বেশি দামে বিদ্যুৎ কেনা কেন, সংসদে প্রশ্ন

আপডেট : ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ২২:১৩

 জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য মুজিবুল হক চুন্নু। ফাইল ছবি ভারতের আলোচিত ব্যবসায়িক গ্রুপ আদানির কাছ থেকে বেশি দামে বিদ্যুৎ কেন কেনা হয়েছে তা নিয়ে জাতীয় সংসদে প্রশ্ন তুলেছেন জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য মুজিবুল হক চুন্নু। তিনি বলেছেন, ‘আদানি গ্রুপ থেকে উচ্চমূল্য দিয়ে আমরা কেন বিদ্যুৎ আনব? আনলে এটা জনগণের স্বার্থে কি না এ বিষয়ে সরকার আবারও পরীক্ষা করে দেখবে।’

আজ মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতি মো. আব্দুল হামিদের ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে এসব কথা বলেন মুজিবুল হক চুন্নু। 

এ জাপা নেতা বলেন, ‘আমি সবচেয়ে বেশি আশ্চর্য হলাম যে, আদানি গ্রুপ নিয়ে ভারতে এত সমালোচনা, সেই আদানি গ্রুপ ১ হাজার ৫০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন করছে। তাদের থেকে আনা প্রতি ইউনিটের মূল্য ২৪ টাকা ১০ পয়সা। বছরে ক্যাপাসিটি চার্জ দিতে হবে ৬ হাজার কোটি টাকা। আদানি গ্রুপ থেকে এত উচ্চমূল্য দিয়ে আমরা কেন বিদ্যুৎ আনব? আনলে এটা জনগণের স্বার্থে কি না এ বিষয়ে সরকার আবারও পরীক্ষা করে দেখবে।’

মার্কিন গবেষণা প্রতিষ্ঠান হিনডেনবার্গ রিসার্চের প্রতিবেদনে ভারতের শীর্ষস্থানীয় ধনী ব্যবসায়ী গৌতম আদানির বাণিজ্যিক সাম্রাজ্যের বিরুদ্ধে জালিয়াতির অভিযোগ আনা হয়েছে। এরপর আদানির সব কোম্পানির শেয়ারের দামে ধস নেমেছে। এ নিয়ে ভারতের লোকসভায় রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে সমালোচনা করে দেশটির বিরোধী দলগুলো। 

বিদ্যুতের সরবরাহ ঠিক রাখতে আদানি গ্রুপের কোম্পানি আদানি পাওয়ারের কাছ থেকে বিদ্যুৎ কিনতে ২০১৭ সালের ৫ নভেম্বর চুক্তি করে বাংলাদেশের বিদ্যুৎ বিভাগ। চুক্তির আওতায় আদানি ঝাড়খন্ডে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন করে বাংলাদেশে সরবরাহ করবে। আগামী মার্চ থেকে এ বিদ্যুৎ বাংলাদেশে আসার কথা জানিয়েছেন বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ। 

মুজিবুল হক বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, বিদ্যুতে ভর্তুকি দিতে হয়। এটা ঠিক। আমরা গ্রামে গ্রামে বিদ্যুতের লাইন পেয়েছি। কোনো সন্দেহ নাই। সমস্যা হলো, বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির জন্য রেগুলেটরি কমিশন ছিল, এখন বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী সেটা তাঁর হাতে নিয়ে নিয়েছেন। তিনি বলেছেন, বিদ্যুতের দাম প্রতি মাসে সমন্বয় করবেন।’

সমন্বয়ের নামে বিদ্যুতের দাম সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে যাওয়ার আশঙ্কা করে মুজিবুল হক বলেন, বাংলায় সমন্বয় মানে হলো একটার সঙ্গে আরেকটার সমন্বয় করা। আসলে এটা হবে প্রতি মাসে মূল্য বৃদ্ধি। জানুয়ারি মাসে দুইবার মূল্যবৃদ্ধি করেছেন। এটা যদি সহনশীলতার মধ্যে না থাকে, মানুষ সেটা ব্যবহার করতে পারবে কি না সেটা নিয়ে সন্দেহ থাকবে।

চুন্নু বলেন, পায়রা বিদ্যুৎকেন্দ্রে ১ হাজার ২৪৪ মেগাওয়াটে প্রতি ইউনিটের দাম ১৩ টাকা ৩৭ পয়সা। বছরে ক্যাপাসিটি চার্জ ৩ হাজার কোটি টাকা। এস আলম কোম্পানির ১ হাজার ২৪৪ মেগাওয়াটের প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম এসেছে ১৮ টাকা ৩৯ পয়সা। ক্যাপাসিটি চার্জ ৫ হাজার কোটি টাকা।

মন্তব্য

আপনার পরিচয় গোপন রাখতে
আমি নীতিমালা মেনে মন্তব্য করছি।
Show
 
    সব মন্তব্য

    ইহাতে মন্তব্য প্রদান বন্ধ রয়েছে

    পঠিতসর্বশেষ

    এলাকার খবর

     

    কৃষিজমি সুরক্ষা আইন পাস করতে পরামর্শ হাইকোর্টের

    দ্বাদশ সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশন শুরু ২ মে

    জিএম কাদের ও রওশন এরশাদকে নববর্ষ ও ঈদের শুভেচ্ছা প্রধানমন্ত্রীর

    বিদ্যুতের তার ছিঁড়ে বসতঘরে আগুনের ঘটনায় কর্তৃপক্ষকে দায় খতিয়ে দেখতে বলল মানবাধিকার কমিশন

    ভুটান থেকে বিদ্যুৎ আনতে ভারতের সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী

    ইফতারের আয়োজনে এক হলেন প্রধান ৩ দলের সিনিয়র নেতারা

    সাউথইস্ট ইউনিভার্সিটির নতুন প্রো ভিসি অধ্যাপক এম মোফাজ্জল হোসেন

    নোয়াখালীতে মিয়ানমার থেকে চোরাই পথে আসা ৫ টন কফি জব্দ, আটক ২

    কচুয়ায় বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত

    ইরানে ইসরায়েলের হামলার খবর আগেই পেয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র

    ইসরায়েলি হামলায় ইরানের পরমাণু স্থাপনার কোনো ‘ক্ষতি হয়নি’ 

    যুক্তরাজ্যে ৫ থেকে ৭ বছর বয়সীদের এক চতুর্থাংশের হাতে স্মার্টফোন: গবেষণা