Alexa
সোমবার, ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৩

সেকশন

epaper
 

‘জেলা প্রশাসকের অনুমোদন ছাড়া দখলদারদের তালিকা প্রকাশ করব না’

আপডেট : ২৫ জানুয়ারি ২০২৩, ১৭:২৫

কমিশনের সম্মেলনকক্ষে সংবাদ সম্মেলন করেন নদী রক্ষা কমিশনের চেয়ারম্যান ড. মনজুর আহমেদ চৌধুরী। ছবি: আজকের পত্রিকা জেলা প্রশাসকের অনুমোদন ছাড়া নদী দখলদারদের কোনো তালিকা প্রকাশ করা হবে না বলে জানিয়েছেন নদী রক্ষা কমিশনের চেয়ারম্যান ড. মনজুর আহমেদ চৌধুরী। আজ বুধবার কমিশনের সম্মেলনকক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান তিনি।

ড. মনজুর আহমেদ চৌধুরী বলেন, ‘বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে নদী দখলদারদের তথ্য মুছে দেওয়া-সংক্রান্ত যে তথ্য প্রকাশিত হয়েছে, তা সঠিক নয়। জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের আওতাধীন ৪৮টি নদী সমীক্ষা প্রকল্পটি গত ৩১ ডিসেম্বর শেষ হয়েছে। প্রকল্পের ডেটাবেজ কমিশনকে ২৮ ডিসেম্বর হস্তান্তর করা হয়। প্রথমত, প্রকল্প কর্তৃক প্রণীত রিপোর্টে কোথাও নদীর দখলদার চিহ্নিত করা হয়নি, চিহ্নিত করা হয়েছিল নদীর তীরবর্তী স্থাপনা। তাই ৩৭ হাজার ৩৯৬ জন নদী দখলদারের তালিকা জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছিল, কথাটি সত্য নয়। জাতীয় নদী রক্ষা কমিশন তার ওয়েবসাইটে এ পর্যন্ত প্রকল্পের কোনো তথ্যই প্রকাশ করেনি। তাই তথ্য মুছে ফেলার কথারও কোনো ভিত্তি নেই। এ ছাড়া প্রকল্প প্রতিবেদন কমিশন গ্রহণ করেনি, এ কথাও সম্পূর্ণ অসত্য।’

চেয়ারম্যান জানান, প্রকল্পের প্রতিবেদন কমিশনে জমা দিয়েছে। কিন্তু প্রকল্পের বিভিন্ন তথ্য ত্রুটিপূর্ণ হওয়ায় তা যাচাই-বাছাইয়ের জন্য জেলা প্রশাসক, বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড, পরিবেশ অধিদপ্তরসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোতে পাঠানো হয়েছে। জেলা থেকে নদীগুলোর তথ্য যাচাই-বাছাইয়ের পরই সব তথ্য প্রকাশ করা হবে বলে কমিশন সিদ্ধান্ত নিয়েছে। 

ড. মনজুর বলেন, ‘জেলা প্রশাসকের অনুমোদন ছাড়া কোনো লিস্ট আমরা প্রকাশ করব না। জেলা প্রশাসকই শুধু বলতে পারে, কে দখলদার আর কে দখলদার নয়। জেলা প্রশাসকের ওপর অবশ্যই আমাদের আস্থা আছে এবং থাকবে।’ 

প্রসঙ্গত, জীববৈচিত্র্য রক্ষা, নদীভাঙন রোধসহ দখলদারদের তালিকা তৈরিতে একটি প্রকল্প হাতে নিয়েছিল জাতীয় নদী রক্ষা কমিশন। ৪৮টি নদী জরিপের প্রকল্পটি ২০১৭ সালে গ্রহণ করা হয় এবং ২০২২ সালের ডিসেম্বরে শেষ হয়। প্রকল্পটির বাজেট ছিল প্রায় ৩৪ কোটি টাকা। সম্প্রতি বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদে জানানো হয়, ওই সমীক্ষায় ৪৮টি নদী দখলে ৩৮ হাজার ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের নাম উঠে আসে। কিন্তু কমিশন দখলদারদের তালিকা প্রকাশ করছে না। সংস্থাটির ওয়েবসাইটে অবৈধ স্থাপনার একটি তালিকা প্রকাশ করেও তা সরিয়ে নেওয়া হয়। 

এর মাধ্যমে দখলদারদের নাম আড়াল করা হচ্ছে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে নদী রক্ষা কমিশনের চেয়ারম্যান বলেন, ‘কোনো রকম ডেটা গুম করা হয়নি। একটি মহল এসব প্রচারণা চালিয়ে ফায়দা আদায়ের চেষ্টা করছে।’

মন্তব্য

আপনার পরিচয় গোপন রাখতে
আমি নীতিমালা মেনে মন্তব্য করছি।
Show
 
    সব মন্তব্য

    ইহাতে মন্তব্য প্রদান বন্ধ রয়েছে

    এলাকার খবর

     
     

    তুরস্ক-সিরিয়ায় ভূমিকম্পে হতাহতের ঘটনায় রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শোক

    আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে শহীদ মিনারে সর্বোচ্চ নিরাপত্তাব্যবস্থা নিচ্ছে সরকার

    টাকা পাচার বন্ধে এনবিআরকে শক্তিশালী ভূমিকা রাখতে হবে: কৃষিমন্ত্রী

    বেলজিয়ামের রানি মাতিল্ডা রাষ্ট্রীয় সফরে ঢাকায় পৌঁছেছেন

    আইনি হস্তক্ষেপে বিদায় নেবে মার্কিন ব্যবসায়ীরা

    যুক্তরাষ্ট্রের উপসহকারী মন্ত্রীর ঢাকা সফর স্থগিত

    মানিকছড়িতে শিক্ষকের মারধরে হাসপাতালে ভর্তি শিক্ষার্থী 

    পুলিশের প্রতিবেদনে ৫ আসামি নির্দোষ, কারাগারে পাঠালেন আদালত

    ‘বন্দুকযুদ্ধে’ জনি হত্যা: ১৫ পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে করা মামলা খারিজ

    চাঁদপুরে ‘আত্মহত্যা’র প্ররোচনা মামলায় ১০ আসামি কারাগারে

    রমেক হাসপাতালে দুদকের অভিযান

    শাজাহানপুরে কলেজছাত্র আশিক হত্যায় ব্যবহৃত চাকু উদ্ধার