Alexa
মঙ্গলবার, ৩১ জানুয়ারি ২০২৩

সেকশন

epaper
 

নন–টিচিং পদ ছাড়ছেন না চবির শিক্ষকেরা, ঝুলে আছে রেজিস্ট্রার নিয়োগ

আপডেট : ২৫ জানুয়ারি ২০২৩, ০০:৪৭

ফাইল ছবি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) নন–টিচিং পদে শিক্ষকেরা থাকা নিয়ে জটিলতায় গত ৮ জানুয়ারি ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক এসএম মনিরুল হাসান পদত্যাগ করেছেন। সেই পদে এখনো কাউকে নিয়োগ দেওয়া হয়নি।

বিশ্ববিদ্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ সব নন–টিচিং পদ থেকে শিক্ষকদের সরিয়ে কর্মকর্তাদের নিয়োগের দাবিতে আন্দোলন করছেন কর্মকর্তারা। এ নিয়ে তাঁরা মঙ্গলবার (২৪ জানুয়ারি) উপাচার্যের কাছে চিঠি দিয়েছেন। চিঠিতে আগামী ১ ফেব্রুয়ারির মধ্যে কর্মকর্তাদের মধ্য থেকে কাউকে পূর্ণকালীন রেজিস্ট্রার নিয়োগ দেওয়ার দাবি জানান। তা না হলে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। তবে এ নিয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনো কিছু জানানো হয়নি।

বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিসার সমিতির সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গত ১ জানুয়ারি থেকে রেজিস্ট্রার, আইসিটি সেল, জাদুঘর, গ্রন্থাগার, পরিবহন দপ্তর, প্রেস, কলেজ পরিদর্শক, নিরাপত্তা দপ্তর ও এস্টেট শাখাসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ সব নন–টিচিং পদ থেকে শিক্ষকদের সরিয়ে কর্মকর্তাদের নিয়োগের দাবিতে আন্দোলন শুরু করেন কর্মকর্তারা। সেই আন্দোলনের মুখে গত ২ জানুয়ারি চার দিনের ছুটিতে যান ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক এসএম মনিরুল হাসান। এ সময় এস্টেট শাখার ডেপুটি রেজিস্ট্রার মাহবুব হারুন চৌধুরীকে রেজিস্ট্রারের রুটিন দায়িত্ব পালন করতে বলা হয়।

চার দিনের ছুটি শেষ হলেও রেজিস্ট্রার পদে আর যোগদান করেননি অধ্যাপক মনিরুল হাসান। এর মধ্যে রেজিস্ট্রারের রুটিন দায়িত্বে থাকা মাহবুব হারুনের মেয়াদও তিন দফা বাড়িয়েছে প্রশাসন। গত ৮ জানুয়ারি ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রারের পদ থেকে পদত্যাগ করেন অধ্যাপক মনিরুল হাসান।

এ নিয়ে জানতে চাইলে অধ্যাপক এসএম মনিরুল হাসান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমি ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রারের পদে আর যোগদান করব না। উপাচার্যের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছি। এ নিয়ে উপাচার্যই বিস্তারিত বলতে পারবেন।’

এ নিয়ে মঙ্গলবার গুরুত্বপূর্ণ সব নন–টিচিং পদ থেকে শিক্ষকদের সরিয়ে কর্মকর্তাদের নিয়োগের দাবি জানিয়ে সভাপতি রশীদুল হায়দার জাবেদ ও সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ হামিদ হাসান নোমানীর স্বাক্ষর করা একটি চিঠি উপাচার্য বরাবর দেয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিসার সমিতি।

চিঠিতে বলা হয়, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আইসিটি সেল, জাদুঘর, গ্রন্থাগার দপ্তর, পরিবহন দপ্তর, চবি প্রেস, কলেজ পরিদর্শক, নিরাপত্তা দপ্তর ও এস্টেট শাখাসহ অনেক গুরুত্বপূর্ণ পদে ‘প্রশাসক’ নামে ও ‘ভারপ্রাপ্ত’ দিয়ে বিধিবহির্ভূতভাবে শিক্ষকদের পদায়নের কারণে শিক্ষার্থীরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন এবং পাশাপাশি প্রশাসনিক কার্যক্রমও ব্যাহত হচ্ছে।

চিঠিতে আরও বলা হয়, দ্রুততম সময়ের মধ্যে অভ্যন্তরীণ কর্মকর্তাকে (নন–টিচিং পদে কর্মরত) পূর্ণকালীন রেজিস্ট্রার নিয়োগ দিতে হবে। অন্যথায় আগামী ১ ফেব্রুয়ারি থেকে অফিসার সমিতি কঠোর কর্মসূচিতে যাবে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয় অফিসার সমিতির সভাপতি রশীদুল হায়দার জাবেদ আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমরা আমাদের শিক্ষকদের প্রতি পূর্ণ শ্রদ্ধাশীল। আমরা চাই আমাদের শিক্ষকেরা শ্রেণিকক্ষে পাঠদান, গবেষণায় ব্যস্ত থাকুন। আমরা কর্মকর্তারা কর্মকর্তাদের কাজে ব্যস্ত থাকি। আমরা চাই তাঁরা আমাদের জায়গাটা ছেড়ে দিন। আমরা আমাদের কাজ করি, তাঁরা মনিটর করুন। উভয় পক্ষ মিলে শিক্ষার সুন্দর একটা পরিবেশ তৈরি করি।’

তবে এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির সভাপতি (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ড. আবদুল হক। তিনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘এ বিষয়ে কিছু বলতে হলে শিক্ষক সমিতির কার্যকরী কমিটি বসে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। এরপর কিছু বলা যাবে।’

রেজিস্ট্রারের রুটিন দায়িত্বে থাকা মাহবুব হারুনের মোবাইল ফোনে মঙ্গলবার সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত কয়েকবার কল করা হয়। কিন্তু তিনি ‘মিটিংয়ে’ আছেন জানিয়ে প্রতিবারই সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন।

এসব বিষয়ে জানতে মোবাইল ফোনে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. শিরীণ আখতারকেও একাধিকবার কল করা হয়। কিন্তু তিনি কল রিসিভ করেননি। 

মন্তব্য

আপনার পরিচয় গোপন রাখতে
আমি নীতিমালা মেনে মন্তব্য করছি।
Show
 
    সব মন্তব্য

    ইহাতে মন্তব্য প্রদান বন্ধ রয়েছে

    এলাকার খবর

     
     

    সাটুরিয়ায় সড়কের কাজে ধীর গতি, জনদুর্ভোগ চরমে

    বাকি খাইয়ে প্রায় দেউলিয়া, ঢাবির জসীমউদ্দিন হলের ক্যানটিন বন্ধ

    বাঘায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে এক যুবক গ্রেপ্তার

    সংবাদ প্রকাশের পর চট্টগ্রামে রেলের সেই কর্মচারীর অবৈধ দোকান উচ্ছেদ

    মাছ কাটা নিয়ে ঝগড়া, গায়ে আগুন দিয়ে গৃহবধূর ‘আত্মহত্যা’

    ফজর নামাজ পড়তে বেরিয়েছিলেন বৃদ্ধ, লাশ মিলল হাওরে

    নাটক ছাড়ছেন না মেহজাবীন

    শুরু হচ্ছে সিসিমপুরের নতুন মৌসুম

    এভাবেও প্রচারণা হয়!

    বাস্তবতা দিয়ে গড়া প্রতিটি দৃশ্য

    মনসুর কি হারিয়ে যাবেন

    ক্ষমা পেলেও পদ পাচ্ছেন না