Alexa
রোববার, ২৯ জানুয়ারি ২০২৩

সেকশন

epaper
 

ডিআইজি মিজানসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে মামলায় সাক্ষ্য দিলেন আরও একজন

আপডেট : ২৪ জানুয়ারি ২০২৩, ১৭:৪৩

ডিআইজি মিজানসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে মামলায় সাক্ষ্য দিলেন আরও একজন অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগের মামলায় সাময়িক বরখাস্ত পুলিশের উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মিজানুর রহমানসহ চারজনের বিরুদ্ধে মামলায় আরও একজন সাক্ষী সাক্ষ্য দিয়েছেন।

আজ মঙ্গলবার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৬ এ সাক্ষ্য দেন ডিআইজি মিজানের কাছে ফ্ল্যাট বিক্রি করা কামরুন নাহার বেগম শিমু। এ নিয়ে এই মামলায় মোট ২৭ জন সাক্ষী সাক্ষ্য দিলেন। 

কামরুন নাহার বেগমের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে বিচারক আসাদ মো. আসিফুজ্জামান পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি দিন ধার্য করেন। 

আসামি ডিআইজি মিজান ও তাঁর ভাগনে মাহমুদুল হাসানকে আদালতে হাজির করা হয়। তবে ডিআইজি মিজানের স্ত্রী সোহেলিয়া আনার রত্না ও ছোট ভাই মাহবুবুর রহমান পলাতক থাকায় তাদের অনুপস্থিতিতে বিচার চলছে। 

২০২০ সালের ২০ অক্টোবর আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়। ওই বছরের ৯ ফেব্রুয়ারি ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশ অভিযোগপত্র আমলে নিয়ে মিজানের স্ত্রী ও ভাইয়ের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। এরও আগে ৩০ জানুয়ারি দুদক পরিচালক মঞ্জুর মোর্শেদ এ মামলার চার্জশিট দাখিল করেন।

২০২০ সালের ১ জুলাই হাইকোর্টে আগাম জামিনের জন্য গেলে ডিআইজি মিজানকে গ্রেপ্তারের নির্দেশ দেন বিচারপতি ওবায়দুল হাসান ও বিচারপতি এস এম কুদ্দুস জামানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের বেঞ্চ। মিজানকে তাৎক্ষণিক হাইকোর্ট পুলিশের হাতে তুলে দেন আদালত। পরে তাঁকে শাহবাগ থানায় নেওয়া হয়। ওই বছরের ২ জুলাই মিজানের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাঁকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালত।

মিজানুর রহমান ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত কমিশনার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। বিয়ে গোপন করতে নিজের ক্ষমতার অপব্যবহার করে স্ত্রীকে গ্রেপ্তার করানোর অভিযোগ ওঠে তাঁর বিরুদ্ধে। এ ছাড়া এক সংবাদ পাঠিকাকে প্রাণনাশের হুমকি ও উত্ত্যক্ত করার অভিযোগে তাঁর বিরুদ্ধে বিমানবন্দর থানায় সাধারণ ডায়েরিও (জিডি) করা হয়। নারী নির্যাতনের অভিযোগে ২০২০ সালের জানুয়ারিতে তাঁকে প্রত্যাহার করে পুলিশ সদর দপ্তরে সংযুক্ত করা হয়। 

এরপর দুদক কর্মকর্তার সঙ্গে ঘুষ লেনদেনের বিষয়টি সামনে আসার পর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে ডিআইজি মিজানকে সাময়িক বরখাস্তের একটি প্রস্তাব রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের জন্য পাঠানো হয়। ওই বছরের ২৫ জুন মিজানুরকে সাময়িক বরখাস্ত করার প্রস্তাবে অনুমোদন দেন রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ। 

২০১৯ সালের ২৪ জুন দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে (ঢাকা-১) দুদকের পরিচালক মঞ্জুর মোর্শেদ বাদী হয়ে ডিআইজি মিজানসহ চারজনের বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করেন। আসামিদের বিরুদ্ধে ৩ কোটি ২৮ লাখ ৬৮ হাজার টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন এবং ৩ কোটি ৭ লাখ ৫ হাজার টাকার সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগ আনা হয়। 

ঘুষ লেনদেনের মামলায় মিজানুর রহমানকে গত বছর তিন বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। 

মন্তব্য

আপনার পরিচয় গোপন রাখতে
আমি নীতিমালা মেনে মন্তব্য করছি।
Show
 
    সব মন্তব্য

    ইহাতে মন্তব্য প্রদান বন্ধ রয়েছে

    এলাকার খবর

     
     

    টঙ্গীতে চুরি ঠেকাতে হাসপাতালের স্টোর রুম সিলগালা

    জাপানি দুই শিশুর অভিভাবক মা, মামলা খারিজ

    শ্রীপুরে পোলট্রি ফিডের প্রতিষ্ঠানে ডাকাতি, নিরাপত্তা কর্মীর মরদেহ উদ্ধার

    রাজশাহীর জনসভায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

    রাস্তা পার হওয়ার সময় অটোরিকশার ধাক্কায় শিশু নিহত 

    ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে গ্যাস ট্যাবলেট সেবন, চিকিৎসাধীন যুবকের মৃত্যু

    ‘শিরোপা জিততে শচীনকে ছয়টি বিশ্বকাপ খেলতে হয়েছে’

    টঙ্গীতে চুরি ঠেকাতে হাসপাতালের স্টোর রুম সিলগালা

    জাপানি দুই শিশুর অভিভাবক মা, মামলা খারিজ

    শ্রীপুরে পোলট্রি ফিডের প্রতিষ্ঠানে ডাকাতি, নিরাপত্তা কর্মীর মরদেহ উদ্ধার

    রাজশাহীর জনসভায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

    রাস্তা পার হওয়ার সময় অটোরিকশার ধাক্কায় শিশু নিহত