Alexa
রোববার, ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৩

সেকশন

epaper
 

ইবিতে বছর বছর বিভাগ বাড়ে, বাড়ে না সুবিধা

আপডেট : ২৪ জানুয়ারি ২০২৩, ১৭:৫২

ফাইল ছবি কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) পাঁচ বিভাগের নেই নিজস্ব শ্রেণিকক্ষ। এসব বিভাগ চলে ধার করা শ্রেণিকক্ষ নিয়ে। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন সংশ্লিষ্ট বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। শ্রেণিকক্ষ সংকটের কারণে ইতিমধ্যে বিভিন্ন বিভাগ আন্দোলনে নেমেছে। 

ইবি প্রশাসন সূত্র জানায়, ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষে অপরিকল্পিতভাবে আটটি বিভাগ খোলা হয়। বিভাগগুলো হলো হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট, ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট, বায়োমেডিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং, ভূগোল ও পরিবেশ বিজ্ঞান ও ফার্মেসি। এসব বিভাগ পাঁচ বছর পর গত বছর শ্রেণিকক্ষ বরাদ্দ পেয়েছে। তবে এদের ল্যাব, সেমিনার কক্ষ ও পর্যাপ্ত শিক্ষক নেই। 

অন্যদিকে একই সময় যাত্রা করা আইন ও ভূমি ব্যবস্থাপনা, উন্নয়ন অধ্যয়ন, সমাজকর্মসহ পরে খোলা আরও দুটি বিভাগ চারুকলা ও মাল্টিমিডিয়া অ্যান্ড জার্নালিজম বিভাগের নেই কিছুই। পাঁচটি বিভাগে শিক্ষার্থী রয়েছেন এক হাজারের অধিক। এসব শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ন্যায্য পাওনা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। এসব বিভাগের কারও নেই নিজস্ব শ্রেণিকক্ষ, ল্যাব সুবিধা, সেমিনার কক্ষ ও শিক্ষক। বিভাগগুলোর শিক্ষার্থীদের ক্লাস করতে হচ্ছে অন্য বিভাগ থেকে ‘ধার’ করা একটি বা দুটি কক্ষে। 

এসব সংকটের কারণে শিক্ষার্থীদের ক্লাস-পরীক্ষা দিতে ভোগান্তিতে পড়তে হয়। বিভাগের শিক্ষকেরা অল্প শিক্ষক নিয়ে কোনো রকমে চালিয়ে নিচ্ছেন বিভাগের কার্যক্রম। প্রশাসনের দূরদর্শিতার অভাবেই এ রকম বেহাল দশা মনে করেন এসব বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। নতুন বিভাগগুলোতে প্রতিবছর শিক্ষার্থীর সংখ্যা বাড়লেও নেই পর্যাপ্ত শিক্ষক। ফলে শিক্ষা কার্যক্রম চলছে অন্য বিভাগের শিক্ষকদের ওপর ভর করে। 

উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগের শিক্ষার্থী অমিয় সাহা বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের চাহিদা অনুযায়ী টাকা দিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু শিক্ষার্থীদের চাহিদা বিশ্ববিদ্যালয় পূরণ করতে ব্যর্থ হচ্ছে। এতে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষই দায়ী। পাস করে বের হচ্ছি ঠিকই। এত দিনেও কর্তৃপক্ষ পর্যাপ্ত ক্লাসরুম এবং সাপোর্টিভ উপকরণ দিতে ব্যর্থ হয়েছে।’ 

এদিকে নতুন করে এ বছর ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক শ্রেণিতে শারীরিক শিক্ষা ও ক্রীড়া বিজ্ঞান বিভাগে ভর্তি হয়েছেন ৩০ শিক্ষার্থী। এঁদের জন্য রয়েছেন একমাত্র বিভাগের সভাপতি গণিত বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমান। এঁদের ক্লাসরুম, অফিস ও শিক্ষকের ব্যাপারে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি প্রশাসন। 

সার্বিক বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ আবদুস সালাম বলেন, এসব সংকট সারা বাংলাদেশে আছে। আমাদেরও আছে। হুট সমাধান করা যাবে না। নতুন ভবনের কাজ হচ্ছে। আস্তে আস্তে সব বিভাগ শ্রেণিকক্ষ পাবে।

 

মন্তব্য

আপনার পরিচয় গোপন রাখতে
আমি নীতিমালা মেনে মন্তব্য করছি।
Show
 
    সব মন্তব্য

    ইহাতে মন্তব্য প্রদান বন্ধ রয়েছে

    এলাকার খবর

     
     

    ‘চলছ খেলা চলবে, চারুকলা লড়বে’

    সন্তানদের খোঁজে এসে ধর্ষণের শিকার নারী, গ্রেপ্তার ৫ 

    পুঠিয়ায় চালককে কুপিয়ে অটোরিকশা ছিনতাই

    গাইবান্ধায় ট্রাকচাপায় অটোরিকশার যাত্রী নিহত, আহত চালক

    গাংনীতে যাত্রীবাহী বাস উল্টে আহত ৩০ 

    পাবনায় মাসব্যাপী একুশে বইমেলা শুরু

    গণমাধ্যমকে এড়িয়ে যেতে চেয়েছেন বিধ্বস্ত ক্লপ 

    ‘চলছ খেলা চলবে, চারুকলা লড়বে’

    আড়াই ঘণ্টা পর সৈয়দপুর বিমানবন্দরে উড়োজাহাজ চলাচল স্বাভাবিক

    সন্তানদের খোঁজে এসে ধর্ষণের শিকার নারী, গ্রেপ্তার ৫ 

    পুঠিয়ায় চালককে কুপিয়ে অটোরিকশা ছিনতাই

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতি