Alexa
মঙ্গলবার, ৩১ জানুয়ারি ২০২৩

সেকশন

epaper
 

উলিপুরে অটোরিকশাচালককে চেতনানাশক পান করিয়ে গলা কেটে হত্যা, পরিকল্পনাকারী ভাতিজা

আপডেট : ২২ জানুয়ারি ২০২৩, ১০:৫৬

প্রতীকী ছবি কুড়িগ্রামের উলিপুরে রফিকুল ইসলাম (৩৫) নামে এক অটোরিকশা চালকের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় সন্দেহভাজন দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। 

গ্রেপ্তারকৃতদের একজন আজ শনিবার হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন। সেই সঙ্গে অপরজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তাকে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। 

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন—নিহত রফিকুলের ভাতিজা রফিকুল ইসলাম (৩৫) ও তাঁর সহযোগী ফেরদৌস ওরফে গম (৩৪)। ফেরদৌস হত্যাকাণ্ডে জড়িত ছিলেন বলে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। রফিকুলের রিমান্ড দেওয়া হয়েছে। 

গ্রেপ্তার রফিকুল ইসলাম উপজেলার ধরনীবাড়ী কানিপাড়া গ্রামের আলিফ উদ্দিনের ছেলে এবং ফেরদৌস ওরফে গম ধরনীবাড়ী তেলিপাড়া গ্রামের মৃত দছিম উদ্দিনের ছেলে। 

নতুন অটোরিকশা কেনার টাকা ছিনিয়ে নিতেই নিহতের ভাতিজা রফিকুলের সহযোগিতায় এ পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জানিয়েছে পুলিশ। এসব তথ্য জানিয়েছেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও উলিপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. শাহ আলম। 

পুলিশ ও স্থানীয়রা বলছে, গত কয়েক মাস ধরে ভাতিজা রফিকুলের সঙ্গে নিহত রফিকুলের মেলামেশা ও ঘনিষ্ঠতা বেড়ে গিয়েছিল। গ্রেপ্তার রফিকুল পেশায় গরুর ব্যবসায়ী। তাঁর বিরুদ্ধে গরু চুরির মামলাও রয়েছে। 

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের আসামিদের স্বীকারোক্তির বরাত দিয়ে পুলিশের একাধিক কর্মকর্তা আজকের পত্রিকাকে জানান, মূলত পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী অটোরিকশাচালক রফিকুলের নতুন অটোরিকশা কেনার লক্ষাধিক টাকা ছিনিয়ে নিতে গিয়ে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে। নিহতের সঙ্গে আসামি রফিকুলের বন্ধুত্ব ও মেলামেশার কারণে টাকার সংস্থান হওয়ার খবর তাঁর কাছে ছিল। এ জন্য তিনি বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় অটোরিকশাচালক রফিকুলকে নতুন রিকশার খোঁজ পাওয়ার কথা বলে কৌশলে উপজেলার মাঝবিল বাজারে ডেকে নিয়ে যায়। এরপর তাঁর সহযোগীরাসহ রফিকুলকে (রিকশাচালক) কোমল পানীয়ের সঙ্গে চেতনানাশক খাইয়ে অজ্ঞান করে টাকা ছিনিয়ে নেয়। পরে তাঁকে একটি অটোরিকশায় তুলে ঘটনাস্থলে নিয়ে যায়। জ্ঞান ফিরে অটোরিকশাচালক রফিকুল ঘটনা প্রকাশ করতে পারে, এই আশঙ্কায় তাঁকে গলা কেটে হত্যা করে ভাতিজা রফিকুল, ফেরদৌস ও তাঁদের সহযোগীরা।

আরও জানা যায়, আসামি ফেরদৌস নিজ হাতে চাকু দিয়ে রফিকুলের গলা কাটার কথা স্বীকার করেছে। তাঁকে সহযোগিতা করেছে নিহতের ভাতিজা রফিকুল ও তাঁদের অন্য সহযোগীরা। তাদের সঙ্গে আরও একাধিক সহযোগী ছিল বলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে। তবে তদন্তের স্বার্থে তাদের নাম প্রকাশ করা সম্ভব হচ্ছে না। 

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও উলিপুর থানা-পুলিশের এসআই মো. শাহ আলম বলেন, ‘আসামি ফেরদৌস আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। অপর আসামি রফিকুলকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদালত দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন। রিমান্ড শেষে তাকে আদালতে পাঠানো হবে।’ 

মন্তব্য

আপনার পরিচয় গোপন রাখতে
আমি নীতিমালা মেনে মন্তব্য করছি।
Show
 
    সব মন্তব্য

    ইহাতে মন্তব্য প্রদান বন্ধ রয়েছে

    এলাকার খবর

     
     

    ঝিনাইদহে আগুনে পুড়ে নারীর মৃত্যু

    সাটুরিয়ায় সড়কের কাজে ধীর গতি, জনদুর্ভোগ চরমে

    বাকি খাইয়ে প্রায় দেউলিয়া, ঢাবির জসীমউদ্দিন হলের ক্যানটিন বন্ধ

    বাঘায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে এক যুবক গ্রেপ্তার

    সংবাদ প্রকাশের পর চট্টগ্রামে রেলের সেই কর্মচারীর অবৈধ দোকান উচ্ছেদ

    মাছ কাটা নিয়ে ঝগড়া, গায়ে আগুন দিয়ে গৃহবধূর ‘আত্মহত্যা’

    আবারও বাড়াল বিদ্যুতের দাম, কার্যকর কাল থেকে

    বাংলাদেশ উন্নয়নের রোল মডেলে পরিণত হয়েছে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

    চাকরি দেবে কর কমিশনারের কার্যালয়, পদসংখ্যা ৩০

    ইউক্রেনে যুদ্ধবিমান পাঠাবেন না বাইডেন

    ভবিষ্যৎ স্মার্ট বাংলাদেশের জন্য

    শিল্পের পথ রুদ্ধ করা যায় না