Alexa
মঙ্গলবার, ৩১ জানুয়ারি ২০২৩

সেকশন

epaper
 

বালু তুলছেন প্রভাবশালীরা

আপডেট : ২১ জানুয়ারি ২০২৩, ১৪:৩৫

ঢাকার ধামরাইয়ে বংশী নদী থেকে ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলন করায় নদীতীরে ভাঙন ধরেছে। উপজেলার কুশুরা বাজারসংলগ্ন এলাকায়। ছবি: আজকের পত্রিকা ঢাকার ধামরাইয়ে বংশী নদী থেকে ড্রেজার (খননযন্ত্র) দিয়ে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের অভিযোগ পাওয়া গেছে। দীর্ঘদিন ধরে বালু উত্তোলনের কারণে নদীতীরের আবাদি জমিতে ভাঙন দেখা দিয়েছে।

এলাকার লোকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, আহমদ জামান আল আমান নামের এক ব্যক্তি দুই মাসেরও বেশি সময় ধরে কুশুরা বাজারের পাশে বংশী নদী থেকে ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলন করে তাঁর মালিকানাধীন একটি নিচু জায়গা ভরাট করছেন। দীর্ঘদিন ধরে বালু উত্তোলনের কারণে নদীতীরের আবাদি জমিতে ভাঙন দেখা দিয়েছে। ইতিমধ্যে বেশ কিছু জমি নদীতে বিলীন হয়ে গেছে।

কুশুরা গ্রামের কৃষক হাবিবুর রহমান জানান, নদী থেকে বালু উত্তোলন শুরুর পর থেকে তাঁরা বাধা দিয়ে যাচ্ছেন; কিন্তু আহমদ জামান আল আমান তাঁদের বাধা উপেক্ষা করেই বালু উত্তোলন করছেন। নিরুপায় হয়ে তাঁরা গত বুধবার আহমদ জামানের বিরুদ্ধে ঢাকার জেলা প্রশাসক ও ধামরাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন। এর পরও গতকাল শুক্রবার পর্যন্ত বালু উত্তোলন বন্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

হাবিবুর রহমান বলেন, ‘কুশুরা বাজারের পাশে নদীতীরে তাঁদের এক একর আবাদি জমি রয়েছে। অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের কারণে তাঁদের জমিতে ভাঙন দেখা দিয়েছে। ইতিমধ্যে প্রায় এক বিঘা জমি নদীতে বিলীন হয়ে গেছে।’

এলাকার লোকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, শুধু আহমদ জামান আল আমানই নন, স্থানীয় বেশ কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তি বছরের পর বছর কুশুরা বাজারের পাশে বংশী নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে বিক্রি করছেন। এতে বাজারের আশপাশে নদীর দুই তীরের বেশ কয়েক একর আবাদি জমি পানিতে বিলীন হয়ে গেছে। এর পরও প্রভাবশালীদের ভয়ে বালু উত্তোলনে বাধা দিতে সাহস পান না কেউ।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, নদীর যেসব স্থানে বালু উত্তোলন করা হয় সেখান থেকে কয়েক শ গজ দূরেই স্থানীয় ইউনিয়ন ভূমি কার্যালয়। জানার পরও ওই কার্যালয়ের কর্মকর্তারা বালু উত্তোলন বন্ধে কোনো ব্যবস্থা নেন না।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক ভুক্তভোগী বলেন, স্থানীয় ভূমি কার্যালয়ে জানিয়ে প্রতিকার না পেয়ে তাঁরা বিভিন্ন মাধ্যমে উপজেলা প্রশাসনকে অবহিত করেন। খবর পেয়ে উপজেলা প্রশাসন মাঝেমধ্যে অভিযান চালায়।

জানতে চাইলে আহমদ জামান বলেন, ‘আমি জেলা প্রশাসকের কাছ থেকে অনুমতি নিয়ে বালু উত্তোলন করছি। বালু উত্তোলনের কারণে নদীতীরে কোনো জমিতে ভাঙন ধরেনি।’

অভিযোগের বিষয়ে ধামরাই ইউএনও হোসাইন মোহাম্মদ হাই জকি বলেন, হাবিবুর রহমানের অভিযোগ পাওয়া গেছে। তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আরেক প্রশ্নের জবাবে ইউএনও বলেন, আহমদ জামান আল আমানকে বংশী নদী থেকে বালু উত্তোলনের কোনো অনুমতি দেওয়া হয়নি। বালু উত্তোলনের অনুমতি চেয়ে তিনি জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত আবেদন করেছেন, তদন্ত করে যার প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।

মন্তব্য

আপনার পরিচয় গোপন রাখতে
আমি নীতিমালা মেনে মন্তব্য করছি।
Show
 
    সব মন্তব্য

    ইহাতে মন্তব্য প্রদান বন্ধ রয়েছে

    এলাকার খবর

     
     

    ৫২ ইটভাটার সবই অবৈধ

    জ্বালানি ব্যয় বেড়েছে নগরবাসীর

    ভোটের মাঠে

    নৌকার দুর্গে নীরব বিএনপি

    ওই দেখা যায় ঝিনুক স্টেশন

    আজ রাজশাহীতে ২৫ প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

    রেমিট্যান্স গায়েব করেছিলেন তারেকের সাবেক পিএস: সিআইডির দাবি

    আবারও বাড়াল বিদ্যুতের দাম, কার্যকর কাল থেকে

    বাংলাদেশ উন্নয়নের রোল মডেলে পরিণত হয়েছে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

    চাকরি দেবে কর কমিশনারের কার্যালয়, পদসংখ্যা ৩০

    ইউক্রেনে যুদ্ধবিমান পাঠাবেন না বাইডেন

    ভবিষ্যৎ স্মার্ট বাংলাদেশের জন্য