Alexa
সোমবার, ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৩

সেকশন

epaper
 

ঢাকা-ওয়াশিংটন সম্পর্কে লু নয়, নতুন হাওয়ার সম্ভাবনা

আপডেট : ২০ জানুয়ারি ২০২৩, ১০:১৮

ডোনাল্ড লু ঢাকা সফরের দুই দিন ব্যস্ততা, সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় করে কাটান। ছবি: ফোকাস বাংলা দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক সহকারী মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডোনাল্ড লু দুই দিন ঢাকা সফর শেষে চলে গেছেন। ঢাকার গণমাধ্যমগুলো তাঁর নামেই ‘লু হাওয়া’ শব্দটি ব্যবহার করছে। সাধারণত আরবের মরু অঞ্চল থেকে বাহিত ধুলোমিশ্রিত উত্তপ্ত আবহাওয়াকেই লু হাওয়া বলা হয়ে থাকে। জানি না, গণমাধ্যমগুলো ডোনাল্ড লুর সফরকে ‘লু হাওয়া’য় কেন ভূষিত করছে। পাঠক বা দর্শকদের দৃষ্টি কাড়ার জন্য হলে এক কথা, কিন্তু ডোনাল্ড লুর সফর শেষে যে হাওয়াটি ঢাকা-ওয়াশিংটন পর্যন্ত ছড়িয়ে দেওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে, তা বোধ হয় অনেক বেশি প্রসন্নতা সৃষ্টির বার্তা দিচ্ছে। সেই বার্তা অনুধাবন ও বাস্তবায়ন করা গেলে বাংলাদেশ ওয়াশিংটনের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে স্বস্তি বোধ করতেই পারে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে অস্বস্তির সম্পর্ক নিয়ে বর্তমান বৈশ্বিক বাস্তবতায় আমাদের মতো কোনো দেশেরই চলার চিন্তা বুদ্ধিমানের কাজ হবে না। আমাদের ধারণা, ডোনাল্ড লুর সফর শেষে উভয় দেশ অর্থনৈতিক, কূটনৈতিক ও ভূরাজনৈতিক বৈশ্বিক বাস্তবতা অনুধাবন করে নিজেদের সম্পর্ক অধিকতর উচ্চতায় নেওয়ার ক্ষেত্রে সংযত ও সচেতন থাকবে।

ডোনাল্ড লু শনিবার সন্ধ্যায় ভারত সফর শেষে ঢাকায় আসেন। রাতে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বাসভবনে ঢাকাস্থ মার্কিন রাষ্ট্রদূতসহ নৈশভোজে অংশ নেন। ঢাকায় তাঁর দুই দিনের সফর ছিল ব্যস্ত সূচিতে। তিনি পররাষ্ট্রমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, সচিব, প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগবিষয়ক উপদেষ্টা এবং নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি ও শ্রমিকনেতাদের সঙ্গে আলোচনায় মিলিত হয়েছিলেন। কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে তাঁর বৈঠক হয়নি। এটি এই সফরের কূটনৈতিক বিশেষত্ব। তাঁর এই সফরের আগে বিরোধী দলের ধারণা ছিল, ডোনাল্ড লু সরকারের ওপর কঠোর কোনো নিষেধাজ্ঞা কিংবা বার্তা নিয়ে আসবেন। সে রকমই কিছুটা বগল বাজানোর শব্দ শোনা গেছে। বিশেষত ২০২১-এর ১০ ডিসেম্বর র‍্যাবের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারির পর বিরোধী মহল বেশ উৎফুল্ল হয়ে উঠেছিল। তারা আরও নিষেধাজ্ঞা সরকারের ওপর চাপানোর দাবিও জানাচ্ছিল। প্রচার করা হয়েছিল যে সরকারের শত শত ব্যক্তির নামেও নিষেধাজ্ঞা আসতে যাচ্ছে। হয়তো সে রকম কিছু করার চেষ্টা-তদবির ওয়াশিংটনে তাদের পক্ষ থেকে করাও হচ্ছিল। তা ছাড়া, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে বর্তমান সরকার মার্কিন বলয়ে সরাসরি যুক্ত না হয়ে নিরপেক্ষ অবস্থান গ্রহণ করায় কোনো কোনো মহল ঢাকা-ওয়াশিংটনের সম্পর্কে দূরত্ব সৃষ্টির নানা ধরনের কানকথাও প্রচার করছিল। মানবাধিকারের বিষয় নিয়ে ওয়াশিংটনের অবস্থানের সঙ্গে ঢাকার দৃষ্টিভঙ্গির পার্থক্যকে কেউ কেউ ব্যবহারও করতে চেয়েছিল। মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার হাসের কিছু বক্তব্য এবং একজন নিখোঁজ ছাত্রদল নেতার বাড়িতে যাওয়াকে কেন্দ্র করে যে ভুল-বোঝাবুঝির সৃষ্টি হয়েছিল, সেটিকেও অনেকে দুই দেশের সম্পর্কের মধ্যে দূরত্ব ঘটানোর বিষয় হিসেবে দেখেছে। উভয় দেশের মধ্যেই শীর্ষ পর্যায় থেকে কিছু বক্তব্য দেওয়া হয়েছিল, যা থেকেও মনে করা হয়েছিল যে সম্পর্কের ক্ষেত্রে ফাটল সৃষ্টি হয়েছে। তা ছাড়া, সামনে জাতীয় সংসদ নির্বাচন, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সংকটের অভিঘাত বাংলাদেশের ওপরও কমবেশি পড়েছে, সরকার কিছুটা চাপেও রয়েছে।

এই অবস্থায় কোনো কোনো পক্ষ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে শেখ হাসিনা সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টির মোক্ষম সময় হিসেবে বিবেচনা করেছিল। সে কারণে ডোনাল্ড লুর সফরকে সরকারবিরোধী পক্ষ তাদের অবস্থান থেকে দেখার চেষ্টা করেছিল। তা ছাড়া, সম্প্রতি ঢাকা সফর করে গেছেন যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা কাউন্সিলের দক্ষিণ এশিয়াবিষয়ক জ্যেষ্ঠ পরিচালক রিয়ার অ্যাডমিরাল এইলিন লাউবেখার এবং ২০ জানুয়ারি আসার কথা জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক বিশেষ র‍্যাপোর্টিয়ার ফিলিপ গঞ্জালেজ। এর মধ্যখানে ডোনাল্ড লুর সফর অনুষ্ঠিত হয়ে গেল। ফলে বোঝাই যাচ্ছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে বাংলাদেশকে গুরুত্ব দেওয়ার আন্তরিকতার প্রকাশ ঘটেছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র যদি কোনো সরকার বা দেশের ওপর কোনো কারণে আস্থা হারায় বা বিরূপ মনোভাব পোষণ করে, তাহলে এ ধরনের পরিস্থিতিতে তারা এড়িয়ে চলা বা উপেক্ষা করার চেষ্টা করে থাকে। কিন্তু সেটি বাংলাদেশের ক্ষেত্রে ঘটেনি। বরং স্বয়ং মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন সম্প্রতি হোয়াইট হাউসে যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত বাংলাদেশের নতুন রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ ইমরানের পরিচয়পত্র গ্রহণের সময় বাংলাদেশের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন। দুই দেশের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক সম্প্রসারণে মার্কিন প্রশাসন কাজ করতে উন্মুখ হয়ে আছে বলে তিনি অভিমত প্রকাশ করেন। তিনি বাংলাদেশের গত ৫০ বছরের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে ‘একটি অসাধারণ গল্প’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক বাণিজ্য, বিনিয়োগ, জলবায়ু পরিবর্তন, মানবিক, উদ্বাস্তু, জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা, সন্ত্রাস দমন, সামুদ্রিকসহ অন্যান্য নিরাপত্তা ইস্যুতে গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।

এই প্রেক্ষাপটেই ডোনাল্ড লু ঢাকা সফরের দুই দিন ব্যস্ততা, সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় করে কাটান। সফরের দ্বিতীয় দিন তিনি সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন। তাতে আলোচনার ফলাফল, প্রতিক্রিয়া ও ভবিষ্যৎ সম্পর্কের সম্ভাবনার বিষয়গুলো কূটনৈতিক ভাষায় প্রকাশ করেন। সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেছেন, ‘র‍্যাবের বিষয়ে বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে।’ তিনি আরও বলেছেন, ‘আপনারা হিউম্যান রাইটস ওয়াচের বিবৃতি লক্ষ করলে দেখবেন, বিচারবহির্ভূত হত্যার সংখ্যা কমানোর ক্ষেত্রে র‍্যাবের অসাধারণ অগ্রগতির কথা স্বীকার করা হয়েছে। আমরাও এই অগ্রগতির বিষয়টি স্বীকার করি। এটি একটি অসাধারণ কাজ। এতে প্রমাণিত হয়, মানবাধিকার সমুন্নত রেখে র‍্যাব আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও সন্ত্রাসবাদ দমনে ভালো কাজ করছে।’ এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ‘আমি এখানে এসেছি দুই দেশের বন্ধুত্বকে শক্তিশালী করতে, যখন বর্তমান বিশ্ব শান্তি ও ন্যায়বিচারের জন্য সংগ্রাম করে চলেছে। শ্রমিক অধিকারের বিষয়ে যে আলোচনা হয়েছে, তা নিয়ে আমরা গর্ব বোধ করি। শ্রম অধিকারের বিষয়টি আমরা কীভাবে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারি, শ্রম অধিকারের মানোন্নয়নের বিষয়ে কীভাবে কাজ করতে পারি, তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে একে অপরকে সহযোগিতা করার বিষয়ে আমার আত্মবিশ্বাস রয়েছে।’ তিনি আরও বলেছেন, ‘আমাদের মধ্যে খোলামেলা আলোচনা হয়েছে। আমরা গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের ব্যাপারে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। কোনো বিষয়ে সমস্যা থাকলে আমরা আলোচনা করি, পরামর্শ দিতে পারি। আমরা মতো প্রকাশের স্বাধীনতা সমুন্নত রাখায় বিশ্বাস করি। বাংলাদেশের মতো অংশীদারদের সঙ্গে নিবিড়ভাবে কাজ করি।’

ডোনাল্ড লুর বক্তব্যকে গভীরভাবে পর্যালোচনা করলে যে বিষয়টি স্পষ্ট হয় তা হচ্ছে, র‍্যাবের ওপর নিষেধাজ্ঞা, মানবাধিকার, গণতন্ত্র, দুই দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক সম্পর্ক, ইন্দো-প্যাসিফিক কৌশল ইত্যাদি নিয়ে ঢাকার মতামত পর্যবেক্ষণ করে ডোনাল্ড লু অনেকটাই সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন। ঢাকা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ককে যেমন গুরুত্ব দেয়; একই সঙ্গে স্বাধীন, নিরপেক্ষ অবস্থানও বজায় রাখতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ—সেটিও ডোনাল্ড লুর কাছে স্পষ্ট হয়েছে। বর্তমান সরকার কোনো অবস্থাতেই কোনো বৃহৎ শক্তির সঙ্গে বৈরী মনোভাব কিংবা গাঁটছড়া সম্পর্ক তৈরি করতে আগ্রহী নয়। ফলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিচলিত হওয়ার কোনো অবস্থা ঢাকায় দেখার মতো নেই। যে বিষয়টি তিনি আরও স্পষ্ট করেছেন তা হলো, উভয় দেশের মধ্যে কোনো ব্যাপারে বুঝতে অস্পষ্টতা থাকলে সরাসরি কূটনৈতিক পর্যায়ে আলোচনার মাধ্যমে ভুল-বোঝাবুঝি নিরসন করাই উত্তম—এটি উভয় দেশের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য, এতে কোনো সন্দেহ নেই। র‍্যাবের বিষয়েও ভুল-বোঝাবুঝির অবসান ঘটেছে। এ ছাড়া আগামী নির্বাচনে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা কী হবে, তা জানার জন্য অনেকে মুখিয়ে ছিলেন। ডোনাল্ড লুর সঙ্গে সরকারের বিভিন্ন মহলের আলোচনায় সরকারের অবস্থান বোঝারও চেষ্টা করেছেন। তিনি সাংবাদিকদের বলেছেন, ‘বাংলাদেশের আগামী নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক হোক, এটাই যুক্তরাষ্ট্রের প্রত্যাশা।’ অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার চাওয়ার সঙ্গে ওয়াশিংটনের প্রত্যাশার মিল রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র বাস্তবে এই প্রত্যাশার প্রতিফলন চায়। গণতন্ত্র ও নির্বাচনের ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা নিয়ে যে এখানে ভুল ধারণা আছে, সেটিও তিনি উল্লেখ করেছেন। ডোনাল্ড লু স্পষ্ট করে বলেছেন, ‘এক দলকে সরিয়ে অন্য দলকে যুক্তরাষ্ট্র ক্ষমতায় বসাবে, এটা ভুল ধারণা। ক্ষমতায় কে যাবে, সেটা বাংলাদেশের জনগণই ঠিক করে দেবে।’ সুতরাং তাঁর এই সফর শেষে বিরোধীরা উচ্ছ্বাস প্রকাশ করার মতো কিছু পাননি। সে কারণে তাদের মধ্যে এই সফর নিয়ে সুনসান নীরবতা লক্ষ করা যাচ্ছে। আসল কথা হলো, দেশের বিষয় নিয়ে অন্যদের জড়িয়ে কারোরই উচ্ছ্বসিত কিংবা নিস্তব্ধ হওয়ার মনোভাব থাকা মোটেও উচিত নয়।

বাংলাদেশ গত ১৪ বছরে অর্থনৈতিকভাবে বড় ধরনের উল্লম্ফন ঘটাতে সক্ষম হয়েছে। ব্যবসা-বাণিজ্যে তাই বাংলাদেশের সম্পর্ক পশ্চিম থেকে পূর্ব গোলার্ধ পর্যন্ত সর্বত্রই বিস্তৃত হয়েছে। আমাদের ১ কোটির বেশি নাগরিক সারা বিশ্বে কর্মরত আছেন। আমাদের বিপুল জনশক্তিকে আরও দক্ষতার সঙ্গে কাজে লাগাতে হলে সব দেশের সঙ্গেই আমাদের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বাড়াতে হবে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সে ক্ষেত্রে বিশেষভাবে গুরুত্ব পাওয়ার দেশ। দেশটির সঙ্গে ব্যবসা-বাণিজ্যের সম্পর্ক আরও বাড়ানোর যথেষ্ট সুযোগও রয়েছে। বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রেই শুধু নয়, অভ্যন্তরীণভাবেও একটি অসাম্প্রদায়িক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্ররূপে গড়ে ওঠার লড়াইয়ে রয়েছে। সে ক্ষেত্রে আধুনিক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রসমূহ বাংলাদেশকে তার লক্ষ্যাভিমুখী যাত্রায় সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেবে, সেটিই প্রত্যাশিত বিষয়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকেও বাংলাদেশ সেটি আশা করে। উদার গণতন্ত্রের যাত্রা অব্যাহত রাখার মাধ্যমেই বাংলাদেশ অর্থনৈতিক ও সামাজিকভাবে স্থিতিশীলতা ও উন্নয়নকে সুনিশ্চিত করতে সক্ষম হবে। এটিই পরীক্ষিত অভিজ্ঞতা।

মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী, অধ্যাপক, ইতিহাসবিদ ও কলামিস্ট

মন্তব্য

আপনার পরিচয় গোপন রাখতে
আমি নীতিমালা মেনে মন্তব্য করছি।
Show
 
    সব মন্তব্য

    ইহাতে মন্তব্য প্রদান বন্ধ রয়েছে

    এলাকার খবর

     
     

    আলহামদুলিল্লাহ বলার ফজিলত

    ‘সবকিছুর দাম বাড়লে গরিবের হইবেটা কী’

    মাঠে সক্রিয় হচ্ছেন আব্বাস

    রোহিঙ্গা নীতি-কৌশল আমূল পাল্টানো দরকার

    লোভের হাত থেকে ছাড় পেল না হজও

    এশিয়া কাপ নিয়ে অনড় অবস্থানে ভারত ও পাকিস্তান

    পুলিশের প্রতিবেদনে ৫ আসামি নির্দোষ, কারাগারে পাঠালেন আদালত

    ‘বন্দুকযুদ্ধে’ জনি হত্যা: ১৫ পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে করা মামলা খারিজ

    চাঁদপুরে ‘আত্মহত্যা’র প্ররোচনা মামলায় ১০ আসামি কারাগারে

    রমেক হাসপাতালে দুদকের অভিযান

    শাজাহানপুরে কলেজছাত্র আশিক হত্যায় ব্যবহৃত চাকু উদ্ধার

    হবিগঞ্জে ট্রাকচাপায় কলেজছাত্রী নিহত, আহত ২