Alexa
রোববার, ২৯ জানুয়ারি ২০২৩

সেকশন

epaper
 

১৩৪ বিদ্যালয়ের ৫৩টিতে প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য

আপডেট : ০৬ ডিসেম্বর ২০২২, ১৩:০৭

১৩৪ বিদ্যালয়ের ৫৩টিতে প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলায় ১৩৪টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। এর মধ্যে ৫৩টিতে প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য। এতে ব্যাহত হচ্ছে এই উপজেলার শিক্ষাকার্যক্রম। বদলি, অবসর, মৃত্যু, পদত্যাগ, সৃষ্ট পদ ও মামলার কারণে পদগুলো শূন্য হয়ে হয়েছে বলে জানান উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নাহীদা ইয়াসমিন।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলায় ১৩৪টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। এর মধ্যে ভাটারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, তারাকান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বাঙ্গালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, চর নান্দিনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও নলসোন্দা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ মোট ২৭টি প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক অবসরে গেছেন।

অন্যদিকে গোয়ালবাথান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বাঁশবাড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বাঘমারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, পূর্ব ধারাবর্ষা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, দক্ষিণ ধৌলতপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, হেলেঞ্চাবাড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কান্দারপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ মোট ১৪টি বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নিয়োগ-সংক্রান্ত মামলা চলছে।

চর হরিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, দামোদরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও উত্তর বলারদিয়ার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বদলি হয়ে অন্য প্রতিষ্ঠানে দায়িত্ব পালন করছেন।

এদিকে জয়নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পদত্যাগ করায় এ প্রতিষ্ঠানেও পদটি শূন্য হয়ে যায়। মালিপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, রামনন্দপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, গোবিন্দপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও আওনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের মৃত্যুতে চারটি প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য ঘোষণা করা হয়েছে। এ ছাড়া উপজেলার ছারটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের পদ নতুন করে সৃষ্ট হওয়ায় সেগুলোও শূন্য রয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দা ও অভিভাবক আব্দুল মালেক জানান, পূর্ব ধারাবর্ষা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পর থেকেই একজন সহকারী শিক্ষক প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করছেন। এতে শিক্ষার্থীদের পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে।

তারাকান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক সামিউল হক জানান, প্রধান শিক্ষক অবসর নেওয়ায় এক বছরের বেশি সময় ধরে এ পদটি শূন্য রয়েছে।

চর হরিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোস্তাফিজুর রহমান জানান, প্রায় তিন বছর আগে বদলিজনিত কারণে তাঁর প্রতিষ্ঠানে প্রধান শিক্ষকের পদটি শূন্য হয়ে যায়।

চর আদ্রা দক্ষিণ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির সভাপতি আব্দুল খালেক বলেন, মামলাজনিত কারণে তাঁর প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষকের পদটি শূন্য রয়েছে।

পূর্ব ধারাবর্ষা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক লুৎফর রহমান বলেন, তিনি তাঁর বিদ্যালয়ে শুরু থেকেই প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এমপিওভুক্তির সময় ভুলক্রমে তাঁকে সহকারী শিক্ষক হিসেবে এমপিও দেওয়া হয়। এ নিয়ে মামলা করা হয়েছে।

এসব বিষয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নাহীদা ইয়াসমিন বলেন, ১৩৪টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ৫৩টি প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে। শিক্ষকদের বদলি, অবসর, মৃত্যু, পদত্যাগ, মামলা ও সৃষ্ট পদের কারণে পদগুলো শূন্য হয়ে যায়। প্রধান শিক্ষকের শূন্য পদ পূরণে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। শিগগিরই ব্যবস্থা নেওয়া হবে। 

মন্তব্য

আপনার পরিচয় গোপন রাখতে
আমি নীতিমালা মেনে মন্তব্য করছি।
Show
 
    সব মন্তব্য

    ইহাতে মন্তব্য প্রদান বন্ধ রয়েছে

    এলাকার খবর

     
     
    ভোটের মাঠে

    নৌকার দুর্গে নীরব বিএনপি

    ওই দেখা যায় ঝিনুক স্টেশন

    আজ রাজশাহীতে ২৫ প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

    পড়ে থেকে নষ্ট হচ্ছে কোটি টাকার কোচ

    চিকিৎসার আগে মন ভরে ফুলের সৌন্দর্যে

    এক দশকে আবাদি জমি কমেছে ৬০ শতাংশ

    এমন ঐক্য যদি সব ক্ষেত্রে হতো!

    সুচিত্রা সেনের মঞ্চনাটক

    সৌদিতে গিয়েই মেসিকে ছাড়িয়ে গেছেন রোনালদো

    দায়িত্বজ্ঞানহীনতা

    দেশাত্মবোধক গানে শুরু আওয়ামী লীগের জনসভা 

    রাজশাহীতে প্রধানমন্ত্রীর জনসভায় নারীদের ঢল