Alexa
রোববার, ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৩

সেকশন

epaper
 

কপ ২৭: ক্ষতিপূরণে রাজি ধনী দেশ, জলবায়ু রক্ষায় দ্বিধা

আপডেট : ২০ নভেম্বর ২০২২, ১৬:৪৪

জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোকে অর্থসহায়তা প্রদানে সম্মত হয়েছেন সম্মেলনে অংশ নেওয়া বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরা। ছবি: টুইটার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সৃষ্ট প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোকে অর্থসহায়তা প্রদানে একমত হয়েছেন প্রায় ২০০ দেশের প্রতিনিধিরা। মিসরের শারম আল শাইখে জাতিসংঘের ২৭তম জলবায়ু সম্মেলনে দেশগুলো ক্ষতিপূরণ তহবিলের বিষয়ে সম্মত হয়।

গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে জানা যায়, সম্মেলনে উপস্থিত সংশ্লিষ্টরা ঝড় ও বন্যার মতো জলবায়ুবিষয়ক বিপর্যয়ের ক্ষেত্রে তাৎক্ষণিকভাবে খরচ বহন করতে সহায়তার জন্য একটি ‘লস অ্যান্ড ড্যামেজ’ তহবিল গঠনে সম্মতি দেন। স্থানীয় সময় রোববার (২০ নভেম্বর) কপ ২৭ সম্মেলনের প্রেসিডেন্ট ‘লস অ্যান্ড ড্যামেজ’ চুক্তির একটি খসড়া রূপরেখা প্রকাশ করেন।

‘লস অ্যান্ড ড্যামেজ’ তহবিলের অর্থ জলবায়ুর পরিবর্তনের কারণে দরিদ্র দেশগুলোর ভৌত ও সামাজিক অবকাঠামোর ক্ষয়ক্ষতি মোকাবিলা এবং উদ্ধারকাজ পরিচালনা ও পুনর্গঠনে ব্যয় করা হবে।

জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে যে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তার ক্ষতিপূরণের জন্য অর্থসহায়তা দিতে ধনী দেশগুলোকে এক দশকেরও বেশি সময় ধরে অনুরোধ করে আসছে উন্নয়নশীল দেশগুলো। কিন্তু ধনী দেশগুলো সীমিত কিছু নগদ অর্থ দিয়েই দায় এড়াতে চাইছে। যদিও গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন কমানো ও বৈরী আবহাওয়ার বিরুদ্ধে প্রতিরক্ষা গড়ে তুলতে সাহায্য করার প্রতিশ্রুতি ছিল তাঁদের।

জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোকে অর্থসহায়তা প্রদানে সম্মত হয়েছেন সম্মেলনে অংশ নেওয়া বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরা। ছবি: টুইটার এর আগে ধনী দেশগুলো ‘লস অ্যান্ড ড্যামেজ’ তহবিলের বিপক্ষে যুক্তি দিয়ে আসছিল। তাদের যুক্তি ছিল, এটি অনেক সময়সাপেক্ষ। আদৌ এর প্রয়োজন আছে কি না এবং এটি কীভাবে বাস্তবায়িত হবে তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তাঁরা।

এদিকে বিবিসির প্রতিবেদনে জানা যায়, চুক্তিটির খসড়ায় কার্বন নিঃসারণ কমানোর বিষয়ে দিকনির্দেশনার অভাব রয়েছে। স্কটল্যান্ডের গ্লাসগোতে কপ-২৬ সম্মেলনে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল যে, কার্বন নিঃসারণ হ্রাসের পরিকল্পনা প্রতিবছর নবায়ন করতে হবে। কিন্তু কপ-২৭ সম্মেলনে সেই প্রতিশ্রুতি রক্ষার মতো কোনো বিষয় নেই। এমনকি জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার কমাতেও কোনো ব্যবস্থার কথা উল্লেখ করা হয়নি। এ ছাড়া নতুন খসড়া চুক্তিতে কোন দেশ কীভাবে অর্থায়ন করবে, সে সম্পর্কে কোনো সুনির্দিষ্ট কিছু বলা হয়নি।

৬ নভেম্বর থেকে শুরু হওয়া এবারের জলবায়ু সম্মেলন ১৮ নভেম্বর শেষ হওয়ার কথা থাকলেও অতিরিক্ত একদিনে গড়ায়। ১৯ নভেম্বর বাড়তি দিনেই তহবিল প্রদানে ঐকমত্যে পৌঁছাতে সক্ষম হন সম্মেলনে অংশ নেওয়া বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরা।

মন্তব্য

আপনার পরিচয় গোপন রাখতে
আমি নীতিমালা মেনে মন্তব্য করছি।
Show
 
    সব মন্তব্য

    ইহাতে মন্তব্য প্রদান বন্ধ রয়েছে

    এলাকার খবর

     
     

    ঢাকায় বায়ুদূষণ চরমে, দ্রুত পানি ছিটানোর দাবি পরিবেশবাদীদের

    জলবায়ু পরিবর্তন: ঝুঁকিতে দেশের ২ কোটি শিশু

    ১ হাজার বছরের মধ্যে গ্রিনল্যান্ডে গরম সবচেয়ে বেশি

    স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরছে ওজোন স্তর: গবেষণা 

    জানেন কি

    বন–জঙ্গল নয়, পৃথিবীকে বেশির ভাগ অক্সিজেন দেয় সমুদ্র

    কুয়াশা কমলেও কয়েক দিন থাকবে কনকনে ঠান্ডা বাতাস

    ৫ ইউনিটের চেষ্টায় পাহাড়তলী বাজারের আগুন নিয়ন্ত্রণে

    ‘তুর কলিজায় এতবল আসে কোত্থেকে, সামনাসামনি আয়’

    শিবগঞ্জে ট্রাক-প্রাইভেট কারের মুখোমুখি সংঘর্ষ, ভাই-বোন নিহত

    ‘হিরোকে যারা জিরো বানাতে এসেছে, তারাই জিরো হয়েছে’

    আঙিনায় জোড়া বাঘ, বনরক্ষীদের শ্বাসরুদ্ধকর ২০ ঘণ্টা

    আগারগাঁওয়ের চাপ কমাতে ঢাকায় পাসপোর্ট অফিসের সীমানা পুনর্নির্ধারণ