Alexa
শুক্রবার, ২৭ জানুয়ারি ২০২৩

সেকশন

epaper
 

অর্থনীতি স্বাভাবিক, ভালোভাবে এগোচ্ছি আমরা: প্রতিমন্ত্রী

আপডেট : ০৮ নভেম্বর ২০২২, ১৭:০৭

মঙ্গলবার জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভা শেষে সংবাদ সম্মেলনে কথা বলেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী শামসুল আলম। ছবি: আজকের পত্রিকা দুই মাস ধরে কমছে রপ্তানি আয় ও প্রবাসী আয়। ডলার সংকটে ব্যবসায়ীরা আমদানির জন্য ঋণপত্র (এলসি) খুলতে পারছেন না। এমন সংকটের মধ্যেও অর্থনৈতিক পরিস্থিতিকে স্বাভাবিক হিসেবে দেখছেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী শামসুল আলম।

মঙ্গলবার জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভা শেষে সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘রপ্তানি ও প্রবাসী আয় বৃদ্ধির জন্য টাকার মান কমা ভালো। ডলারের সরবরাহ বাড়াতে টাকার মান কমাতে হবে। আমরা চাচ্ছি দেশে আরও ডলার সরবরাহ হোক।

‘পরিস্থিতি সামাল দিতে হলে টাকার মান ও এক্সচেঞ্জ রেট (বিনিময় হার) সমন্বয় করতে হবে।’

গত কয়েক মাসের গড় হিসাব দেখিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলছেন, ‘অর্থনীতির বিভিন্ন সূচক আগের চেয়ে বরং ভালো হচ্ছে। রপ্তানি ও রেমিটেন্স কমছে- এটা সত্য নয়। আমাদের আমদানি কমেছে, কারেন্ট একাউন্ট আমরা সামাল দিতে পেরেছি, আগের বছরের চেয়ে বিদেশি বিনিয়োগও বেড়েছে।

“কাজেই আমরা সংকটের মধ্যে পড়ে গেছি। অনেক বিপর্যয়ের মধ্যে আছি- এটা কিন্তু ঠিক না। অর্থনীতি স্বাভাবিক আছে, আমরা ভালোভাবে এগোচ্ছি।’

শামসুল আলম বলেন, গত চার মাসে (জুলাই-অক্টোবর) ৭ হাজার ১৯৮ কোটি ডলারের রেমিট্যান্স (প্রবাসী আয়) এসেছে, যা আগের বছরের একই সময় ছিল ৭ দশমিক ০৫৫ বিলিয়ন ডলার। রেমিট্যান্স কমছে কথাটা সত্য না।’

‘রপ্তানি আয় এসেছে এক হাজার ৬৮৫ কোটি ডলারের, যেটা গত বছরের একই সময়ে ছিল একহাজার ৫৭৪ কোটি ডলার- এটাও বেড়েছে।’

অর্থনীতির স্থিতিশীলতার প্রশ্নে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের যে পদ্ধতিতে হিসাব আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) করে, তার সঙ্গে দ্বিমত তুলে ধরেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে আইএমএফ একমত না হলে কিছু আসে যায় না। সরকার প্রথাগতভাবে রিজার্ভ রক্ষা করছে, কোথাও কিছু লুকায়নি। ৩৫ বিলিয়ন ডলারের কাছাকাছি রিজার্ভ আছে। এটা দিয়ে এখনো চার মাসের আমদানি ব্যয় মেটানো যাবে।’

দেশের রিজার্ভ কমে ৩ হাজার ৪০০ কোটি বিলিয়ন ডলারের ঘরে নেমে এসেছে। এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নভুক্ত (আকু) দেশগুলোর ১ দশমিক ৩০ বিলিয়ন ডলার বিল পরিশোধ করা হয়। এর পরই রিজার্ভ ৩৪ বিলিয়নের ঘরে নেমে আসে। যদিও আইএমএফের হিসাব মানলে প্রকৃত রিজার্ভ দাঁড়াবে ২৬ দশমিক শূন্য ৭ বিলিয়ন ডলার।

ব্যবহারের জন্য প্রস্তুত এমন বৈদেশিক মুদ্রার সঞ্চয়নকেই রিজার্ভ হিসেবে গণনা করে আইএমএফ।  কিন্তু বাংলাদেশ ব্যাংক এখন যে রিজার্ভ ধরছে, তাতে রপ্তানি উন্নয়ন তহবিলের (ইডিএফ) অর্থ; বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স, পায়রা বন্দর প্রকল্প ও শ্রীলঙ্কাকে দেওয়া ঋণসহায়তাকেও যুক্ত করা হচ্ছে। এগুলো সব মিলে ৮ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলার রিজার্ভের হিসাব থেকে বাদ দিতে বলছে আইএমএফ।

তবে বাংলাদেশে চলমান আইএমএফ মিশনের সঙ্গে এর মধ্যে যে আলোচনা হয়েছে, তাতে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী রিজার্ভ গণনায় সম্মতি জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। তবে চলমান সংকটকালে শর্ত বাস্তবায়নে সুবিধাজনক সুযোগ চেয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

মন্তব্য

আপনার পরিচয় গোপন রাখতে
আমি নীতিমালা মেনে মন্তব্য করছি।
Show
 
    সব মন্তব্য

    ইহাতে মন্তব্য প্রদান বন্ধ রয়েছে

    পঠিতসর্বশেষ

    এলাকার খবর

     
     

    আন্তর্জাতিক অঙ্গনে যাত্রা শুরু করল ‘রুকাইয়াইসমাত ফ্যাশন ব্র্যান্ড’

    কাস্টমস দিবসে স্বীকৃতি পেল জিহান ফুটওয়ার

    চিনির দাম কেজিতে বাড়ল ৫ টাকা

    সাড়ে ৩৪ লাখ টাকায় মিলবে এসইউভি

    আইএমএফের ঋণ এখনো পাওয়া যায়নি, আলোচনা চলছে: সংসদে অর্থমন্ত্রী

    তিন বছর পর হচ্ছে ‘ইন্টারন্যাশনাল প্লাস্টিক ফেয়ার’

    মানব পাচার বেশি ভারত সীমান্তবর্তী এলাকায়: জাতিসংঘ

    গ্রামীণ পিঠা যান্ত্রিক শহরে

    তরুণীকে কুপ্রস্তাব: সেই প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তাকে বদলি

    ক্ষমতার অপপ্রয়োগ যেন না হয়: ডিসিদের প্রতি রাষ্ট্রপতির নির্দেশ

    ঢাকায় কসক্যাপের সভা অনুষ্ঠিত, আঞ্চলিক সহযোগিতা বৃদ্ধির আশা

    উপাচার্যের আশ্বাসে স্থগিত মৈত্রী হল প্রাধ্যক্ষের পদত্যাগের আন্দোলন