Alexa
সোমবার, ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৩

সেকশন

epaper
 

‘ব্রিটিশ আমলেও রেলের উন্নয়ন হয়নি, যা হয়েছে আ. লীগের সময়’

আপডেট : ৩১ অক্টোবর ২০২২, ১৯:২২

ফাইল ছবি ১৯১৪ সাল থেকে শুরু করে ২০০৯ সাল পর্যন্ত ব্রিটিশ আমল থেকে শুরু করে বাংলাদেশ ভূখণ্ডে রেলওয়ের কোনো উন্নয়ন হয়নি বলে জানিয়েছেন রেলপথ মন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন। আজ সোমবার জাতীয় সংসদে স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সংসদে প্রশ্নোত্তর হয়। এতে রেলপথ মন্ত্রী সুজনের অনুপস্থিতিতে কৃষিমন্ত্রী আবদুর রাজ্জাক উত্তর দেন। 

সরকার দলীয় সংসদ সদস্য মমতাজ বেগম তাঁর প্রশ্নে জানতে চান লাখ কোটি টাকা বিনিয়োগের পরেও রেলে লোকসানের রেকর্ড। তিনি এর কারণ জানতে চান।

জবাবে আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ব্রিটিশ শাসকগোষ্ঠী নিজেদের ব্যবসা-বাণিজ্য পরিচালনার প্রয়োজনে ভারতীয় উপমহাদেশে রেলওয়ের গোড়াপত্তন করেন। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পরে যখন তারা বুঝতে শুরু করেছে নিজেদের সাম্রাজ্যবাদের পতন হতে চলছে তখন থেকেই বিনিয়োগ বন্ধ করে দেয়। এরপর পাকিস্তান শাসনামলেও রেলওয়ের কোনো উন্নয়ন হয়নি।

১৯৭১ সালে বাংলাদেশ স্বাধীনের পরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রেল পুনর্গঠনের উদ্যোগ নিয়েছিলেন। কিন্তু ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের পরের সরকারগুলো রেলপথের উন্নয়নে কোন ভূমিকা নেয়নি বলে জানান মন্ত্রী। তিনি বলেন, ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসে শেখ হাসিনার দূরদর্শিতা ও একক সিদ্ধান্তে বঙ্গবন্ধু সেতুর ওপর রেল সংযোগ প্রতিষ্ঠিত হয়। এরপর বিএনপির শাসনামলে রেলওয়ের অগ্রযাত্রা আবারও ব্যাহত হয়। 

মন্ত্রী বলেন, ১৯১৪ সাল থেকে শুরু করে ২০০৯ পর্যন্ত সুদীর্ঘ সময়কালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সময়কাল ব্যতীত এবং শেখ হাসিনার আমল ছাড়া অন্য সরকারগুলোর সময়ে বাংলাদেশের রেলপথের উন্নয়নে ভূমিকা নেয়নি। শোষণ ও বঞ্চনা করে এই খাত ধ্বংসের মুখে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। ২০০৯ সালে শেখ হাসিনা সরকার গঠনের পরে রেলপথের উন্নয়নে বিপুল বিনিয়োগ করা হয়। যার ফল রেলওয়ে পেতে শুরু করেছে বলে জানান মন্ত্রী। 

মন্ত্রী বলেন, পরিপূর্ণ ফলাফল পেতে আরও কিছুদিন অপেক্ষা করতে হবে। বর্তমানে যে উন্নয়ন প্রকল্প চলমান রয়েছে তা শেষ হলে রেলওয়ে লাভজনক প্রতিষ্ঠানে পরিণত হবে। 

সরকার দলীয় সংসদ সদস্য কাজিম উদ্দিন আহম্মেদের প্রশ্নের জবাবে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজীর অনুপস্থিতিতে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি জানান বাংলাদেশে বাৎসরিক বস্ত্রের চাহিদা ৭ হাজার মিলিয়ন মিটার। শতভাগ বস্ত্র দেশেই উৎপাদিত হচ্ছে। তবে রপ্তানি ও অধিক মূল্য সংযোজিত পণ্য তৈরির ক্ষেত্রে বিদেশ হতে বস্ত্র আমদানি করা হয়। 

মন্তব্য

আপনার পরিচয় গোপন রাখতে
আমি নীতিমালা মেনে মন্তব্য করছি।
Show
 
    সব মন্তব্য

    ইহাতে মন্তব্য প্রদান বন্ধ রয়েছে

    এলাকার খবর

     
     

    মরণোত্তর অঙ্গদান: সারাকে রাষ্ট্রীয়ভাবে সম্মান জানানো উচিত, সংসদে হানিফ

    কওমি মাদ্রাসা সরকারি করার সিদ্ধান্ত হয়নি: শিক্ষামন্ত্রী

    জনগণের জন্য কাজ করছি, কেউ কিছু করতে পারবে না: প্রধানমন্ত্রী

    সাগরের পানি থেকে হাইড্রোজেন বিদ্যুৎ নিয়ে সংসদে আলোচনা

    সরকারি চাকরিতে শূন্য পদ ৩ লাখ ৫৮ হাজার: জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী

    ভুল তথ্যে র‍্যাবের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিল আমেরিকা: সংসদে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

    দশমিনায় ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে মানববন্ধন-বিক্ষোভ, হামলায় আহত ১

    ‘চারদিকে ধ্বংসস্তূপ আর বাঁচার জন্য চিৎকার’

    ফারদিন হত্যা মামলা: বুশরাকে অব্যাহতির সুপারিশ দিয়ে চূড়ান্ত প্রতিবেদন

    চুরির অপবাদে মারধরের পর তিন শিশুর চুল কেটে দিলেন মেয়র

    সংসদ সদস্য মোছলেম উদ্দীনের জানাজায় হাজারো মানুষ

    নারীদের নিয়ে বিশেষ আয়োজন ‘ওয়াও বাংলাদেশ ২০২৩’