Alexa
সোমবার, ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৩

সেকশন

epaper
 

কপোতাক্ষ থেকে বালু উত্তোলন থামছেই না

আপডেট : ২৮ অক্টোবর ২০২২, ১৫:০৫

যশোরের ঝিকরগাছার মিশ্রিদেয়াড়া নিচপাড়ায় গত বুধবার কপোতাক্ষ নদ থেকে শ্যালো মেশিন দিয়ে বালু তোলা হয়। ছবি : আজকের পত্রিকা যশোরের ঝিকরগাছায় কপোতাক্ষ নদ থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন থামছে না। দীর্ঘ দিন ধরে নদের চার-পাঁচটি স্থানে শ্যালো মেশিন বসিয়ে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। এ কারণে স্থানীয় আবাদি জমি ঝুঁকির মুখে পড়েছে।

গত বুধবার সরেজমিনে দেখা গেছে, উপজেলার মাগুরা ইউনিয়নের মিশ্রিদেয়াড়ার নিচপাড়ায় চারটি শ্যালো মেশিন দিয়ে ড্রেজারের সাহায্যে ১৫ দিন ধরে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। নদের পাড়ে তিন জায়গায় এসব বালু স্তূপ করে রাখা হয়েছে। মিশ্রিদেয়াড়া বাজারের লোহার সেতু এলাকায় ১৫ দিন ধরে উত্তোলন করা বালু বিক্রি করা হচ্ছে।

এ ছাড়া উপজেলার হাড়িয়াদেয়াড়ায় দুটি পুকুর ভরাটসহ বালু স্তূপ করা হয়েছে। কপোতাক্ষ নদ খনন ঠিকাদারের নাম ভাঙিয়ে এসব কার্যক্রম চলছে। তবে এক্সকাভেটর দিয়ে নদী খনন বাধ্যতামূলক হলেও স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্য জামাল উদ্দিন, ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য আমিনুর রহমান এবং আঙ্গারপাড়ার আল-আমিন অবৈধ উপায়ে বালু খনন কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছেন।

এদিকে বাঁকড়া ইউনিয়নের উজ্জ্বলপুর পশ্চিমপাড়া থেকে ১০ দিন ধরে লাবলু খাঁ বালু উত্তোলন করছেন। নতুন করে দিগদানায় বালু উত্তোলন করা হচ্ছে।

হাড়িয়াদেয়াড়ায় বালু উত্তোলনের কাজে নিয়োজিত মো. চানু মিয়া বলেন, ‘ঠিকাদাররাই ড্রেজার বসিয়ে বালু উত্তোলন করছেন। আমরা এখানে শ্রমিক হিসেবে কাজ করছি।’
অভিযুক্ত আল-আমিন বলেন, ‘মাসখানেক আগে বালু উত্তোলন বন্ধ করে দিয়েছি। আমি শুধু ড্রেজার ভাড়া দিতাম।’

কপোতাক্ষ নদ খননকাজের দায়িত্বপ্রাপ্ত দাবি করা কেশবপুরের মো. রহমান বলেন, ‘স্থানীয় তিনটি ড্রেজার মেশিন ভাড়া নিয়ে নদ খননের সুবিধার্থে বালু উত্তোলন করছি।

উত্তোলনের পর বালু নদের পাড়েই রেখেছি। চাইলে পরবর্তী সময়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ সেগুলো বিক্রি করতে পারে।’

মাগুরা ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ‘নদ খননের ঠিকাদারের লোকজন মিস্ত্রিদেয়াড়ায় শ্যালোমেশিনের সাহায্যে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করছে। এ ঘটনায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আমাকে বালু উত্তোলন বন্ধ করতে বলেছেন। আমি তাঁদের নিষেধ করেছি। এরপরও বালু উত্তোলন করা হলে প্রশাসন ব্যবস্থা নেবে।’

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহবুবুল হক বলেন, নদী খননের নামে ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলনের নিয়ম নেই। স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানকে বালু উত্তোলন বন্ধ করতে বলা হয়েছে। বন্ধ না করলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মন্তব্য

আপনার পরিচয় গোপন রাখতে
আমি নীতিমালা মেনে মন্তব্য করছি।
Show
 
    সব মন্তব্য

    ইহাতে মন্তব্য প্রদান বন্ধ রয়েছে

    পঠিতসর্বশেষ

    এলাকার খবর

     
     

    আলহামদুলিল্লাহ বলার ফজিলত

    ‘সবকিছুর দাম বাড়লে গরিবের হইবেটা কী’

    মাঠে সক্রিয় হচ্ছেন আব্বাস

    রোহিঙ্গা নীতি-কৌশল আমূল পাল্টানো দরকার

    লোভের হাত থেকে ছাড় পেল না হজও

    সংস্কৃতকে হটিয়ে বাংলা সাহিত্য

    সাতক্ষীরায় দেড় কোটি টাকার সোনার বারসহ যুবক আটক

    ‘পদ বাণিজ্য’: বরগুনা বিএনপির ৪ নেতার বিরুদ্ধে ১০ লাখ টাকা নেওয়ার অভিযোগ 

    গোপালপুরে মেয়রের গাড়িবহরে এমপির সমর্থকদের হামলার অভিযোগ

    হত্যা মামলার ৮ বছর পর একজনের মৃত্যুদণ্ড, ৪ জনের যাবজ্জীবন 

    যুদ্ধাপরাধে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ময়মনসিংহের সুলতান গ্রেপ্তার  

    লোহাগড়ায় গৃহবধূর গলাকাটা লাশ উদ্ধার