Alexa
শনিবার, ১০ ডিসেম্বর ২০২২

সেকশন

epaper
 

‘আবারও বলছি, খবর আছে’!

আপডেট : ০৩ অক্টোবর ২০২২, ০৯:২৩

‘আবারও বলছি, খবর আছে’! রাজনৈতিক বিষয় নিয়ে সম্পাদকীয় লেখা আমরা সাধারণত এড়িয়ে চলার চেষ্টা করি। রাজনীতিকে একসময় দেশ পরিচালনার সঠিক পদ্ধতি বলে মনে করা হলেও এখন আমাদের দেশে রাজনীতি অনেকটাই পথহারা পথিকের মতো হয়ে পড়েছে। রাজনীতি একসময় তাঁরাই করতেন, যাঁদের বুকে মানুষের জন্য দরদ ছিল, যাঁরা দেশকে ভালোবাসতেন। রাজনৈতিক দলে নাম লিখে সারা জীবন দুঃখ-কষ্ট ভোগ করেছেন, জেল-জুলুম সহ্য করেছেন—এমন অসংখ্য মানুষের কথা আমরা জানি। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানও তেমনই এক রাজনীতিবিদ।

কিন্তু এখন দিন বদলেছে। রাজনীতি এখন অনেকের কাছেই ব্যক্তিস্বার্থ হাসিলের উপায় হয়ে দাঁড়িয়েছে। রাজনৈতিক দলগুলো পরস্পরকে সহযোগী মনে করে না, মনে করে শত্রু। তাই শত্রু বিনাশের জন্য সারাক্ষণ মন্দ চিন্তায় মগ্ন থাকে। সরকার পরিবর্তনের নিয়মতান্ত্রিক পথ হলো নির্বাচন। নির্বাচনে জনমতকে নিজ দলের পক্ষে রাখার প্রচার-প্রচারণা না চালিয়ে ভোট নিয়ন্ত্রণের এমন সব পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়, যা গণতান্ত্রিক রীতিনীতির সঙ্গে যায় না। বাংলাদেশে নির্বাচনব্যবস্থা যে অনেকটা তামাশায় পরিণত হয়েছে, তার দায় এককভাবে কোনো দলের ওপর না চাপিয়ে এত দিন যারা ক্ষমতায় ছিল, তাদের সবার ওপরই কমবেশি চাপানো উচিত।

দেশে দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনের সম্ভাব্য সময় নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে ঘোষণা করা হয়েছে। আগামী নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক নাকি একটি সাজানো-পাতানো নির্বাচন হবে, তা নিয়ে প্রশ্ন আছে। নির্বাচনী রাজনীতির প্রধান দুই পক্ষ আওয়ামী লীগ ও বিএনপির নেতাদের বক্তব্য-বিবৃতি মানুষকে আশাবাদী না করে কিছুটা বরং উদ্বিগ্নই করে তুলছে।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সরকারের নীতিনির্ধারকদের একজন ওবায়দুল কাদের শনিবার বলেছেন, ‘আমরা চাই সব দল নির্বাচনে থাকুক, নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হোক। তবে কেউ আসতে না চাইলে জোরজবরদস্তি করে নির্বাচনে আনার দরকার নেই।’

নির্বাচনে সব দলের অংশগ্রহণের পরিবেশ তৈরি করা দরকার। এটা ঠিক, কোনো দলের জয়ের পথ আগে থেকে প্রস্তুত করা সরকার কিংবা নির্বাচন কমিশনের কাজ নয়। আবার একটি বড় দল নির্বাচনের বাইরে থাকলেও বিষয়টি শোভন হয় না।

বিএনপির নির্বাচনে অংশ নেওয়া না-নেওয়া প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেছেন, ‘ফখরুল সাহেব গতবারও বলেছিলেন নির্বাচনে আসবেন না। তবে আমরা জানতাম আসবেন। গাধা পানি ঘোলা করে খায়। তাঁরাও জল ঘোলা করে হয়তো আসবেন। তখন ২২-দলীয় জোট ও দলের অবস্থা গতবারের মতো জগাখিচুড়ি হবে।’

বিএনপি আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের ওপর হামলা করছে—অভিযোগ করে ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘আমাদের কর্মীদের গায়ে হাত দেওয়া শুরু করেছেন, এটা ভালো নয়। এসব করতে গেলে খবর আছে। আবারও বলছি, খবর আছে। পাল্টা জবাব পাবেন।’

এই পাল্টা জবাবের রাজনীতি দেশের পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখবে কি? আমরা চাই, রাজনৈতিক দলের শক্তি পরীক্ষা হোক জনগণের রায়ের মাধ্যমে, গায়ের জোর দেখিয়ে নয়।

মন্তব্য

আপনার পরিচয় গোপন রাখতে
আমি নীতিমালা মেনে মন্তব্য করছি।
Show
 
    সব মন্তব্য

    ইহাতে মন্তব্য প্রদান বন্ধ রয়েছে

    এলাকার খবর

     
     

    বাঙালি ইপিআর সদস্যদের কুঠিবাড়ি বিদ্রোহ

    শহীদ সাংবাদিক সিরাজুদ্দীন হোসেন

    মতভেদ কমিয়ে মুক্তিযুদ্ধে গতি আনার সম্মেলন

    ৪৫০ টাকার চেক

    ধৈর্য ধরুন, সংযত হোন

    একাত্তরের বিজয়ের মাস ও ২০২২-এর বাস্তবতা

    বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে চলছে নেতা–কর্মীদের জন্য খিচুড়ি রান্না 

    স্বাস্থ্য খাতে নানামুখী সংকট, বঞ্চিত নিম্ন আয়ের মানুষ

    ‘দুর্নীতি সারা বিশ্বের সমস্যা’

    ফুটবল বিশ্বকাপ

    ভবিষ্যৎ নিয়ে সন্দিহান নেইমার

    ঢাকার পথে বাস চলাচল বন্ধ

    জনগণের জানমালের রক্ষায় আ. লীগের নেতা-কর্মীরা কাজ করছেন: মায়া