Alexa
বৃহস্পতিবার, ০৮ ডিসেম্বর ২০২২

সেকশন

epaper
 

সঠিক তথ্যের অভাবে সঠিক পরিকল্পনা নেওয়া হয় না: ইলিয়াস কাঞ্চন

আপডেট : ০১ অক্টোবর ২০২২, ২০:৩৯

নিরাপদ সড়ক চাই-এর প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান ইলিয়াস কাঞ্চন। ফাইল ছবি নিরাপদ সড়ক চাই-এর প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান ইলিয়াস কাঞ্চন বলেছেন, চার বছরেও সড়ক পরিবহন আইন-২০১৮ বিধিমালা বাস্তবায়ন হয়নি। সঠিক তথ্যের অভাবে নেওয়া হয় না সঠিক পরিকল্পনা। 

আজ শনিবার জাতীয় প্রেসক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া মিলনায়তনে রোড সেফটি কোয়ালিশন বাংলাদেশ-এর উদ্যোগে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। রোড সেফটি কোয়ালিশনের পক্ষ থেকে সরকারের কাছে সড়ক পরিবহন বিধিমালা দ্রুত জারি ও বাস্তবায়নের জন্য কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানান সংগঠনের নেতা–কর্মীরা। 

সড়ক দুর্ঘটনায় পুলিশ যে তথ্য দেয় তা সঠিক নয় বলে মন্তব্য করে ইলিয়াস কাঞ্চন বলেন, পুলিশের তথ্য সরকার নেয় যার কারণে সড়ক নিরাপত্তা যেমনটা হওয়া দরকার তা হয় না। ফলে সঠিক পরিকল্পনা নেওয়া সম্ভব হয় না। 

জাতিসংঘের যে তথ্যটি দিচ্ছে সেটিই সঠিক উল্লেখ করে ইলিয়াস কাঞ্চন বলেন, ‘পুলিশের তথ্য অনুযায়ী আমাদের রোড সেফটির দরকারই হয় না। সারা পৃথিবীর মধ্যে আমরা চ্যাম্পিয়ন হয়ে যাই। অথচ বাস্তবতা ভিন্ন। জাতিসংঘের যে তথ্যটি দিচ্ছে সেটিই সঠিক তথ্য। সেই তথ্য ধরেই আমরা কাজ করছি।’ 

ইলিয়াস কাঞ্চন আরও বলেন, ‘আমরা প্রতিবছরই সরকারকে অনুরোধ করছি তারা যেন সঠিক একটি তথ্য দেয়। কিন্তু সেটি করা হচ্ছে না। তথ্য একটি বড় ব্যাপার। কেনো দুর্ঘটনা হচ্ছে, কি কারণে হচ্ছে, কত লোক মারা যাচ্ছেন, কত আহত হচ্ছে তার সঠিক তথ্য না থাকলে আমরা সঠিক পরিকল্পনা করতে পারব না।’ 

আইন বাস্তবায়ন না হওয়ার ব্যাপারে ইলিয়াস কাঞ্চন বলেন, ‘এটি বাস্তবায়নে একটি গোষ্ঠীর বাধা আছে তা আমরা জানি। আমরা চাচ্ছি আইনটিকে শক্তিশালী করতে আর একটি গোষ্ঠী চাচ্ছে এটিকে দুর্বল করতে।’ 

কোয়ালিশন সদস্য সংস্থা নিরাপদ সড়ক চাই-এর প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান ইলিয়াস কাঞ্চনের সভাপতিত্বে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ব্র্যাকের রোড সেফটি প্রোগ্রাম (প্রজেক্ট) ম্যানেজার এম. খালিদ মামুন। তিনি বলেন, ২০১৬ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর জাতীয় সংসদে পাস হয় সড়ক পরিবহন আইন-২০১৮। কিন্তু চার বছরেও তা বাস্তব রূপ পায়নি। ফলে সড়ককে নির্বাপণ করে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ ও আইনের বাস্তবায়ন বাধাগ্রস্ত হওয়ায় সড়কে সুফল প্রতিষ্ঠা হচ্ছে না ও মৃত্যু বাড়ছে। 

সংবাদ সম্মেলনে আরও উল্লেখ করা হয়, সড়ক পরিবহন আইন-২০১৮ এর কিছু সবল দিক থাকলেও এর প্রচুর সীমাবদ্ধতা রয়েছে। যার মধ্যে অন্যতম হলো-আইনটিতে হেলমেট পরিধানের বাধ্যবাধকতা থাকলেও এর মানদণ্ড ও ব্যবহারবিধি আইনে অনুপস্থিত। আইনে গতিসীমা লঙ্ঘনে শাস্তির বিধান বর্ণিত থাকলেও গতিসীমা নির্ধারণ, এর বাস্তবায়ন ও পর্যবেক্ষণের নির্দেশনা ও গাইডলাইন সন্নিবেশিত হয়নি-যা বাস্তবায়ন অযোগ্য। এ ছাড়া যাত্রীদের সিটবেল্ট ব্যবহারের বাধ্যবাধকতা ও শিশুদের ক্ষেত্রে চাইল্ড রেস্ট্রেইন্ট বা শিশুদের জন্য নিরাপদ বা সুরক্ষিত আসন ব্যবহারের বাধ্যবাধকতা আইনটিতে সংযোজন করা হয়নি। 

এম. খালিদ মামুন বলেন, সড়ক দুর্ঘটনা রোধে জাতিসংঘের উদ্যোগসমূহের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো, ২০৩০ সালের মধ্যে বিশ্বব্যাপী সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ও আহতের সংখ্যা শতকরা ৫০ ভাগ কমানোর জন্য টেকসই উন্নয়ন ৩.৬ অর্জনের নিমিত্তে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ ও কার্যক্রম পরিচালনায় সহায়তা করা এবং ‘গ্লোবাল প্ল্যান ফর সেকেন্ড ডিকেড অব অ্যাকশন ফর রোড সেফটি ২০২১-২০৩০’ নিশ্চিত করতে কার্যকর কর্মপন্থা নির্ধারণ করে সেগুলো বাস্তবায়নে সহযোগিতা করা। 

মন্তব্য

আপনার পরিচয় গোপন রাখতে
আমি নীতিমালা মেনে মন্তব্য করছি।
Show
 
    সব মন্তব্য

    ইহাতে মন্তব্য প্রদান বন্ধ রয়েছে

    এলাকার খবর

     
     

    পণ্যের মতো মিলছে অ্যান্টিবায়োটিক: স্বাস্থ্যমন্ত্রী 

    ধর্ষণে ভুক্তভোগীর ‘চরিত্র’ নিয়ে প্রশ্ন তোলা নিষিদ্ধ করে আইন পাস, প্রশংসায় বিরোধীরাও

    যাত্রীসেবাসহ অত্যাবশ্যক পরিষেবায় ‘ধর্মঘটে’ জেল-জরিমানা

    মহাসড়কে মোটরসাইকেল বন্ধ চায় সংসদীয় কমিটি

    জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস আজ

    জন্মের পরই নাগরিকদের দেওয়া হবে এনআইডি

    সাত ঘণ্টায়ও নিয়ন্ত্রণে আসেনি আগুন

    সমাবেশস্থল নিয়ে আলোচনা করতে ডিএমপি সদর দপ্তরে বিএনপি নেতারা

    দুপক্ষের সংঘর্ষে আহত অর্ধশতাধিক, ইউপি সদস্য আটক

    যুক্তরাষ্ট্রের উদ্বেগের পেছনে আমাদের এক সাংবাদিক: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

    রাজনৈতিক সহিংসতায় মার্কিন রাষ্ট্রদূতের উদ্বেগ

    লাবুশেন-হেডের জোড়া সেঞ্চুরিতে প্রথম দিন অস্ট্রেলিয়ার