Alexa
বৃহস্পতিবার, ০৮ ডিসেম্বর ২০২২

সেকশন

epaper
 

অটোরিকশা ছিনিয়ে নিতে কিশোর ভ্যান চালককে হত্যা, গ্রেপ্তার ২

আপডেট : ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১৯:২৬

গ্রেপ্তার কহিনুর ইসলাম ওরফে রুবেল ও আলমগীর হোসেন ওরফে আলম। ছবি: সংগৃহীত নীলফামারীর ডোমার উপজেলায় স্কুলছাত্র ও অটোরিকশা চালক আরিফ হোসেন (১৪) হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জড়িত দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। আজ মঙ্গলবার ভোর ৪টায় ঢাকার আশুলিয়া থানা এলাকা থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। সিআইডির এলআইসি শাখার বিশেষ পুলিশ সুপার (এসএসপি) মুক্তা ধর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

গ্রেপ্তাররা হলেন-কহিনুর ইসলাম ওরফে রুবেল (৪০) ও আলমগীর হোসেন ওরফে আলম (৪০)।

মুক্তা ধর জানান, গত ১৯ আগস্ট বিকেলে বাবার অটোরিকশাসহ ডোমার বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির ছাত্র আরিফ নিখোঁজ হয়। ২৬ আগস্ট সকালে ডোমারের বড় রাউতা মাঝাপাড়া এলাকার একটি অব্যবহৃত গভীর নলকূপের ঘর থেকে তার মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। এই ঘটনায় ডোমার থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করে নিহতের পরিবার। মামলার ছায়া তদন্তে নেমে বিভিন্ন তথ্য উপাত্ত বিশ্লেষণ করে ঘটনার সঙ্গে জড়িত রুবেল ও আলমের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যায়। পরে সাভারের আশুলিয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের বরাত দিয়ে মুক্তা ধর জানান, চলতি বছরের গত ১৯ আগস্ট রাতে দুই সহযোগীসহ ডোমার কলেজ গেটের পাশে মাদ্রাসা মোড় থেকে পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ থানা এলাকায় যাওয়ার জন্য ১৫০ টাকা ভাড়ায় যাত্রীবেশে ভিকটিম আরিফ হোসেনের অটোরিকশায় ওঠেন রুবেল ও আলম। তারা বিভিন্ন স্থানে ঘুরে উপজেলার দোলাবাড়ী এলাকার নির্জন স্থানে যাওয়ার পর প্রকৃতির ডাকে সাড়া দেওয়ার কথা বলে অটোরিকশাটি থামায়। তখন অটোতে থাকা রুবেল ও তার সহযোগী আরিফকে জোর করে অটো থেকে টেনে হিঁচড়ে নামিয়ে গাড়ি নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। এ সময় আরিফ বাঁধা দিলে তাকে মারধর করে অচেতন করা হয়। পরে ধারালো চাকু দিয়ে আরিফের গলায় আঘাত করে হত্যা করো হয়। পরে আরিফের মৃতদেহের পাশে অব্যবহৃত গভীর নলকূপের ঘরে মরিচের শুকনা গাছ দিয়ে ঢেকে রেখে অটোরিকশা নিয়ে দ্রুত পালিয়ে যায় তারা।

সিআইডির এই বিশেষ পুলিশ সুপার জানান, আরিফকে হত্যা করে ছিনতাই করা অটোরিকশাটি রুবেল তার বন্ধু আলমগীরের সহযোগিতায় তার এক আত্মীয়ের কাছে ৪৫ হাজার টাকায় বিক্রি করেন।

সিআইডি জানায়, গ্রেপ্তার রুবেলের বিরুদ্ধে ডোমার থানার একটি চুরি মামলায় বিচারিক কার্যক্রম শেষে আদালত দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও দুই হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও দুই মাসের কারাদণ্ড প্রদান করেন। আর আলমগীরের বিরুদ্ধে নীলফামারীর বিভিন্ন থানায় দস্যুতা ও চুরির ৬টি মামলা রয়েছে বলে তথ্য পাওয়া গেছে। গ্রেপ্তারদের সংশ্লিষ্ট থানায় সোপর্দের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। 

মন্তব্য

আপনার পরিচয় গোপন রাখতে
আমি নীতিমালা মেনে মন্তব্য করছি।
Show
 
    সব মন্তব্য

    ইহাতে মন্তব্য প্রদান বন্ধ রয়েছে

    এলাকার খবর

     
     

    নয়াপল্টনের সড়ক ছাড়ল পুলিশ, মিছিল করল আওয়ামী লীগ

    পানির সংকট, পাঁচ ঘণ্টা পরও জ্বলছে শ্রীপুরের সেই তুলার গুদাম

    সখীপুরে প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার কার্যালয়ে আগুন, পুড়েছে সরকারি ওষুধ

    ফরিদপুরে শিশুর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

    নয়াপল্টনে ‘পুলিশি হামলার’ প্রতিবাদে ডিইউজের একাংশের বিক্ষোভ 

    পরীক্ষা দিতে যাওয়ার পথে স্কুলছাত্রের মৃত্যু

    সমাবেশস্থল নিয়ে আলোচনা করতে ডিএমপি সদর দপ্তরে বিএনপি নেতারা

    দুপক্ষের সংঘর্ষে আহত অর্ধশতাধিক, ইউপি সদস্য আটক

    যুক্তরাষ্ট্রের উদ্বেগের পেছনে আমাদের এক সাংবাদিক: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

    রাজনৈতিক সহিংসতায় মার্কিন রাষ্ট্রদূতের উদ্বেগ

    লাবুশেন-হেডের জোড়া সেঞ্চুরিতে প্রথম দিন অস্ট্রেলিয়ার

    ভাইয়ের শোকে কান্না করতেও ভয় পাচ্ছি: মকবুলের বড় ভাই