Alexa
শনিবার, ১০ ডিসেম্বর ২০২২

সেকশন

epaper
 

কাউকে ধরে-বেঁধে নির্বাচনে আনব না: সিইসি

আপডেট : ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১৬:১২

প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল। ফাইল ছবি প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেছেন, ‘বিএনপি অন্যতম প্রধান দল। তারা যেটা চাইছে, সে ব্যাপারের আমাদের কোনো রকম বাধা নেই। তাদের রাজনৈতিক কৌশলে হস্তক্ষেপ করার এখতিয়ার আমাদের নেই। আমরা কাউকে ধরে-বেঁধে নির্বাচনে আনব না।’ 

আজ সোমবার নির্বাচন ভবনের নিজ দপ্তরে কাজী হাবিবুল আউয়াল এসব কথা বলেন। 

সিইসি বলেন, ‘আমরা অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন চাই। সক্রিয় অংশগ্রহণমূলক চাই। ধীরেতালে নয়। কেন চাই? সক্রিয় প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক নির্বাচন হলে ভারসাম্য সৃষ্টি হয়। পার্টিরাই সারা বিশ্বে এই ভারসাম্য সৃষ্টি করে। সকলের প্রতি আন্তরিকভাবে উদাত্ত আহ্বান থাকবে—আপনারা আসেন, সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন। নির্বাচন কমিশনের ওপর আস্থা রাখেন ও সহায়তা করেন। আমরা কাউকে ধরে-বেঁধে আনব না।’ 

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে সিইসি বলেন, ‘বিএনপি অন্যতম বড় দল। তারা যদি অংশগ্রহণ করে তাহলে নির্বাচনটা অধিক অংশগ্রহণমূলক হবে। এখন বিএনপির যে রাজনৈতিক কৌশল, আমরা কিন্তু কোনো রাজনৈতিক দলের কৌশলের ওপর হস্তক্ষেপ করব না, করতে পারি না, সে এখতিয়ার আমাদের নেই। এখন বিএনপি যেটা চাইছে, সে ব্যাপারে আমাদের কোনো রকম বাধা নেই। কিন্তু আমাদের ওপর যে দায়িত্ব অর্পিত রয়েছে, সে দায়িত্বের পথে আমরা এগিয়ে যাব। কালকে যদি আমাকে উচ্ছেদ করে দেন, হবে। সেটার জন্য আমি তো মর্মাহত হব না।’

এদিকে, নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সঙ্গে সংলাপে ১০টি সুপারিশ করেছে জাতীয় পার্টি-জেপি (মঞ্জু)। 

সংলাপে জেপির সুপারিশগুলো হলো 
১) নির্বাচন বর্জন, হরতাল, সংঘাত বা অনির্বাচিত ব্যক্তির দেশ পরিচালনায় জাতীয় পার্টি (জেপি) বিশ্বাস করে না। 

২) বাংলাদেশের নির্বাচন কমিশন পৃথিবীর অন্যান্য দেশের নির্বাচন কমিশনের মতো প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে ওঠেনি। মূলত বৃহৎ রাজনৈতিক দলগুলো সুষ্ঠু নির্বাচনের বাধা সৃষ্টি করে এবং কোনো না কোনো সময় নির্বাচন কমিশনও এতে জড়িয়ে পড়ে। তাই গণতন্ত্রের চর্চা সঠিকভাবে হয় না। গণতন্ত্রকে রক্ষা বা পাহারা দেওয়ার জন্য নির্বাচন কমিশন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। 

৩) জাতীয় পার্টি জেপি নির্বাচনে প্রযুক্তি ব্যবহারের পক্ষে। নির্বাচন কমিশন যদি একসঙ্গে ৩০০ আসনের সকল ভোটকেন্দ্রে ইভিএম ব্যবহার করতে না পারে, তাহলে ইভিএমে নির্বাচন করা সঠিক হবে না। কিছু আসনে ইভিএম হলো কিছু আসনে হলো না, যেটা ডিসক্রিমিনিশন হয়। কোথাও ব্যালট কোথাও ইভিএম—এটি উচিত না। যদি ৩০০ আসনের নির্বাচন ইভিএমে সম্পন্ন করা সম্ভব হয় তবে ইভিএমে ভোট গ্রহণ করা যেতে পারে। এ ক্ষেত্রে ৩০০ আসনের কিছু কিছু ভোটকেন্দ্রে ইভিএমে নির্বাচন করা যেতে পারে। 

৪) জাতীয় সংসদের সীমানা বর্তমানে যেভাবে আছে তা বহাল রাখা যেতে পারে। বড় কোনো পরিবর্তন না করার পক্ষে। 

৫) বিতর্ক এড়ানোর জন্য নির্বাচন কমিশনকে মিডিয়ার সামনে কম কথা বলা প্রয়োজন। 

৬) নির্বাচন কমিশন নির্বাচনী পরিবেশ সুষ্ঠু করলে সকল দলই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে। তবে, কোনো দলকে নির্বাচনে আনার চেষ্টা করা নির্বাচন কমিশনের কাজ নয়। 

৭) নির্বাচন কমিশনের কাজ যেন নিরপেক্ষ হয়, এটা দৃশ্যমান হতে হবে। 

৮) সকল দল ও প্রার্থীর প্রতি নির্বাচন কমিশনের সমান ও নিরপেক্ষ আচরণ নিশ্চিত করতে হবে। 

 ৯) যুদ্ধাপরাধী বা মানবতাবিরোধী অপরাধী বা যারা মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষ শক্তি, তারা যাতে ভোটকেন্দ্রে ও নির্বাচনে দায়িত্ব না পায়, সে বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে হবে। 

 ১০) প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে নির্বাচনের কমিশনের অধীনে না আনলে নির্বাচন কমিশনের পক্ষে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়।

 

মন্তব্য

আপনার পরিচয় গোপন রাখতে
আমি নীতিমালা মেনে মন্তব্য করছি।
Show
 
    সব মন্তব্য

    ইহাতে মন্তব্য প্রদান বন্ধ রয়েছে

    এলাকার খবর

     
     

    আতঙ্কে ঢাকামুখী হচ্ছে না মানুষ

    মির্জা ফখরুল-আব্বাস গ্রেপ্তার: ডিবির প্রধান

    থমথমে নয়াপল্টন, ঝটিকা মিছিল থেকে আটক এক

    সমাবেশস্থল নিয়ে ‘জিজ্ঞাসাবাদের’ জন্য ফখরুল-আব্বাস ডিবি কার্যালয়ে

    নয়াপল্টনে সংঘর্ষ

    মানুষের জীবনের প্রতি  বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষের সম্মানবোধ নামমাত্র: অ্যামনেস্টি

    রাজনৈতিক সহিংসতায় মার্কিন রাষ্ট্রদূতের উদ্বেগ

    ময়মনসিংহে শিশু ধর্ষণের মামলায় দোকানি গ্রেপ্তার

    চায়না কমলালেবু চাষ করে বাজিমাত শিক্ষক দম্পতির

    সাকিবদের তুলোধুনো করে ঈশানের রেকর্ড গড়া দ্বিশতক

    নষ্ট হচ্ছে কোটি টাকার যন্ত্রপাতি

    মাছ উৎপাদন ও বিপণনে ভিন্নমাত্রা গোয়ালন্দে

    বাস সীমিত, লঞ্চ গেল একটি