Alexa
বুধবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২২

সেকশন

epaper
 

পাট জাগ দেওয়া নিয়ে ভোগান্তিতে চাষিরা

আপডেট : ১৯ আগস্ট ২০২২, ১২:৪৬

পানির অভাবে অটোরিকশায় করে পাট জাগ দিতে নদীতে নিয়ে যাচ্ছেন চাষিরা। ছবি: আজকের পত্রিকা জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলায় পানির অভাবে পাট জাগ দিতে গিয়ে ভোগান্তিতে পড়েছেন পাটচাষিরা। এবার বৃষ্টি কম হওয়ায় নদীনালা ও ডোবায় পানি না থাকায় পাট জাগ দিতে পারছেন না তাঁরা। তবে উপজেলা কৃষি কার্যালয় বলছে, পাট জাগ দেওয়ার বিকল্প হিসেবে চাষিদের রিবন রেটিং পদ্ধতিতে পাটের আঁশ ছাড়ানোর পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

উপজেলা কৃষি কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে উপজেলায় ৯ হাজার ৮০০ হেক্টর জমিতে পাট চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে এবার লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি পাট চাষ করা হয়েছে। বেশির ভাগ পাটই তোষা জাতের। বর্ষা মৌসুমেও বৃষ্টি না হওয়ায় হতাশ পাটচাষিরা। সাধারণত আষাঢ়-শ্রাবণ মাসে খালবিল ও নদীনালা পানিতে ভরে যায়। এবার খরার কবলে অধিকাংশ খালবিলে পানি না থাকায় পাট পচাতে পারছেন না চাষিরা।

সরেজমিনে বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে দেখা গেছে, চাষিরা পাট কেটে জমির পাশে, রাস্তার ধারে, খালবিল ও জলাশয়ের পাশে স্তূপ করে রেখেছেন। কেউ আবার অল্প পানিতেই পাটের ওপর মাটিচাপা দিয়ে পাট জাগ দেওয়ার চেষ্টা করছেন। অনেকেই গাড়িতে কাঁচা পাট বহন করে দূরে নদী ও ডোবায় পচাতে নিয়ে যাচ্ছেন। কেউ পুকুর, খাল কিংবা এক-দুই কিলোমিটার দূরের নদীতে নিয়ে পাট জাগ দিচ্ছেন। এতে চাষিদের অতিরিক্ত খরচ হচ্ছে।

স্থানীয় চাষিরা জানান, গত বছর পাটের দাম ভালো পাওয়ায় তাঁরা এবার পাট চাষের দিকে বেশি ঝুঁকেছেন। তবে বিভিন্ন এলাকায় রয়েছে পানির সংকট। তাই পাট জাগ দেওয়া নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছেন তাঁরা।

গাইবান্ধা ইউনিয়নের চন্দনপুর গ্রামের চাষি আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘খরার কারণে এবার পাটগাছ রোদে পুড়ে লাল হয়ে খেতেই মরে যাচ্ছে। অতিরিক্ত দাবদাহে এবার পাট কাটতে গত বছরের তুলনায় শ্রমিক খরচ বেশি হয়েছে। দেড় বিঘা জমির পাট খুব কষ্টে জাগ দিয়েছি।’

একই গ্রামের কৃষক হজরত আলী বলেন, ‘এক বিঘা জমির পাট কেটে নানা জায়গায় জাগ দিয়েছি। এখন আমন আবাদের প্রস্তুতি নিচ্ছি।’

গোয়ালেরচর ইউনিয়নের নয়া মালমারা গ্রামের পাটচাষি ছানোয়ার হোসেন বলেন, ‘ভরা বর্ষায় বৃষ্টি না হওয়ায় জমিতেই পাট নষ্ট হচ্ছে। পাটগাছের পাতা, কাণ্ড ও গোড়া মরতে শুরু করেছে। পাট কাটার সময় হলেও জাগ দেওয়ার সমস্যায় পাট কাটতে পারছি না।’

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা এ এল এম রেজওয়ান বলেন, ‘চাষিরা পাট কেটে জাগ দিতে শুরু করেছেন। কোথাও কোথাও পাট পচানোর পানির অভাবে চাষিরা বিপাকে পড়েছেন। আমরা চাষিদের রিবন রেটিং পদ্ধতিতে পাটের আঁশ ছাড়ানোর পরামর্শ দিচ্ছি। ১০ লিটার পানিতে ২৫০ গ্রাম ইউরিয়া সার ব্যবহার করে এই পদ্ধতিতে পাট পচালে আঁশের মান ভালো থাকে।’

মন্তব্য

আপনার পরিচয় গোপন রাখতে
আমি নীতিমালা মেনে মন্তব্য করছি।
Show
 
    সব মন্তব্য

    ইহাতে মন্তব্য প্রদান বন্ধ রয়েছে

    পঠিতসর্বশেষ

    এলাকার খবর

     
     

    মেঘনার ভাঙনে বিলীন হাতিয়ার কয়েক হাজার ঘরবাড়ি, ক্ষতিগ্রস্তদের ঠাঁই বেড়িবাঁধে

    বউ-শাশুড়ির দ্বন্দ্বের জেরে আরও একজনের মৃত্যু

    প্রেম করে বিয়ে, কিশোরীকে সংশোধন কেন্দ্রে পাঠালেন ইউএনও

    বশেফমুবিপ্রবিতে ছাত্রলীগের ২ গ্রুপের ‘সমঝোতা’ হয়েছে বলে সংবাদ সম্মেলন

    ২২ বছরের ‘স্পাইডারম্যান’ বিল্লালের চুরির অভিজ্ঞতা ১০ বছরের 

    বউ-শাশুড়ির দ্বন্দ্বে মৌলভির মৃত্যু, নারীসহ আহত ৭  

    চোখ ওঠা নিয়ে বিদেশ ভ্রমণ না করার অনুরোধ

    ‘ভার্চুয়াল অ্যাকাউন্ট ফর পেমেন্ট’ সল্যুশন চালু করল স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড

    ইউরোপে গ্যাস সরবরাহ লাইনে ছিদ্র, অভিযোগের আঙুল রাশিয়ার দিকে

    ইস্টার্ন ব্যাংকের ব্যবস্থাপনায় টিএমএসএসের জন্য ১,২২৪ মিলিয়ন টাকা সংগ্রহ

    সাফজয়ী দলকে সংবর্ধনা দিল বাংলাদেশ সেনাবাহিনী 

    বছরের প্রথম টি-টোয়েন্টি সিরিজ জয় বাংলাদেশের