Alexa
বৃহস্পতিবার, ০৬ অক্টোবর ২০২২

সেকশন

epaper
 

নওয়াপাড়া নৌবন্দরে চার দিনের অভিযানে ৬৫ জেটি উচ্ছেদ 

আপডেট : ১৮ আগস্ট ২০২২, ১৩:০৩

নদীর ভেতর ইট, বালু, মাটি ও গাছ ফেলে নির্মাণ করা ১৬টি অনুমোদনহীন অবৈধ জেটি উচ্ছেদ করা হয়েছে। ছবি: আজকের পত্রিকা যশোরের অভয়নগরে ভৈরব নদে ইট, বালু, মাটি ও গাছ ফেলে নির্মাণ করা আরও ১৬টি অনুমোদনহীন অবৈধ জেটি উচ্ছেদ করা হয়েছে। গতকাল বুধবার সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত বিআইডব্লিউটিএ কর্তৃপক্ষ এই উচ্ছেদ অভিযান চালায়। এর আগে তিন দফায় (১০, ১১ ও ১৬ আগস্ট) অভিযান চালিয়ে ৪৯টি জেটি উচ্ছেদ করা হয়েছিল। এ নিয়ে চার দিনের অভিযানে ছোট-বড় মিলিয়ে মোট ৬৫টি জেটি উচ্ছেদ করা হয়। 

নওয়াপাড়া নদীবন্দর অফিস সূত্রে জানা গেছে, গতকাল অভিযানের শেষ দিনে মহাকাল গ্রামে মক্কা সিমেন্টঘাটে একটি, একই গ্রামে এআর সিমেন্টের একটি, ভাঙাগেট এলাকায় বেগের একটি, একই এলাকার ডলারঘাটের একটি, রাজের দুটি, লেন্টুর একটি, সরদার মিলঘাটের একটি, নওয়াপাড়া পাঁচকবর এলাকায় হক সিমেন্টের একটি, মোসলেম হোসেনের একটি, শংকরপাশা গ্রামে বাঘা সাহেবের দুটি, একই গ্রামে নাসির অ্যান্ড ব্রাদার্সের দুটি, নওয়াপাড়া ফেরিঘাটসংলগ্ন মাহাবুব ব্রাদার্সের একটি ও সাইদুর রহমানের একটিসহ মোট ১৬টি জেটি ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এর আগে গত ১০, ১১ ও ১৬ আগস্ট তিন দিনের অভিযানে ৪৯টি জেটি উচ্ছেদ করা হয়। চার দিনের অভিযানে ৬৫টি জেটি উচ্ছেদ করা হয়েছে। 

নওয়াপাড়া নদীবন্দরের উপপরিচালক মাসুদ পারভেজ বলেন, ‘নওয়াপাড়া নদীবন্দর এলাকায় অনুমোদনহীন অবৈধ ৬০টি জেটি চিহ্নিত করা হলেও অভিযান চলাকালে নতুন আরও পাঁচটি জেটি পাওয়া যায়। চার দিনের অভিযানে ৬৫টি জেটি ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। উচ্ছেদ করা জেটির মতো পুনরায় মাটি ভরাট ও নদী দখল করে জেটি নির্মাণ করলে ঘাট মালিক ও সংশ্লিষ্ট ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মামলা করা হবে। প্রয়োজনে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে জেল-জরিমানাসহ ঘাটের নিবন্ধন বাতিল করা হবে। ভৈরব নদ ও নওয়াপাড়া নদীবন্দর রক্ষায় এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।’

অভিযান চলাকালে উপস্থিত ছিলেন বিআইডব্লিউটিএর যুগ্ম পরিচালক আশরাফ হোসেন, অভয়নগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মেজবাহ উদ্দীন, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা গোলাম ছামদানী, নওয়াপাড়া নদীবন্দরের উপপরিচালক মাসুদ পারভেজ, বিআইডব্লিউটিএর কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ, নওয়াপাড়া নৌপুলিশ ও সাংবাদিকেরা। 

জানা গেছে, অভয়নগরে নওয়াপাড়া নদীবন্দর এলাকার প্রায় ১০ কিলোমিটারের মধ্যে মোট ১৪৫টি ছোট-বড় ঘাট রয়েছে। এই ঘাটগুলোর মধ্যে অনুমোদনহীন ৬৫টি অবৈধ জেটি নির্মাণ করা হয়েছে। একশ্রেণির ব্যবসায়ী ও ঘাট মালিক নদীর ভেতরে ইট, বালু, মাটি ও গাছ ফেলে এসব জেটি নির্মাণ করেছেন, যে কারণে নদীর পানির প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হয়ে নাব্যতা হ্রাস পাচ্ছে। ব্যাহত হচ্ছে নৌযান চলাচল। প্রায়ই ঘটছে ছোট-বড় দুর্ঘটনা।

মন্তব্য

আপনার পরিচয় গোপন রাখতে
আমি নীতিমালা মেনে মন্তব্য করছি।
Show
 
    সব মন্তব্য

    ইহাতে মন্তব্য প্রদান বন্ধ রয়েছে

    এলাকার খবর

     
     

    পিকআপ ভ্যানের ধাক্কায় বৃদ্ধা নিহত

    জঙ্গি সম্পৃক্ততায় ঘর ছেড়ে যাওয়া ৭ জন গ্রেপ্তার

    মনিরামপুরে অজ্ঞাত নারীর রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার

    প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে পায়ে হেঁটে মেহেরপুর থেকে যুবকের যাত্রা

    ঝিনাইদহে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে টাকা-স্বর্ণালংকার চুরি, ৫ জন হাসপাতালে 

    নানাবাড়ি যাওয়ার পথে শিশুর মৃত্যু

    জনসংখ্যা ১৬ কোটি নিবন্ধন ২০ কোটি

    ধান ছেড়ে টমেটো চাষ

    সিসিকের ভান্ডার থেকে গায়েব ৫৩৫টি মিটার

    নদীর চর দখল করে ধান চাষ

    রাস্তা বন্ধ করল প্রতিবেশী ১২ পরিবার অবরুদ্ধ

    মেসির রেকর্ডের রাতে পিএসজির হোঁচট