Alexa
বুধবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২২

সেকশন

epaper
 

সেচ প্রকল্পের মাধ্যমে জমিতে পানি সরবরাহ, প্রায় ৮০ কোটি টাকার সাশ্রয়

আপডেট : ১৬ আগস্ট ২০২২, ১১:৪০

সেচ প্রকল্পের মাধ্যমে নিরবচ্ছিন্নভাবে কৃষকদের জমিতে পানি সরবরাহ করা হচ্ছে। ছবি: আজকের পত্রিকা চলমান দীর্ঘ খরার কবলে পড়েছেন ঠাকুরগাঁওয়ের রোপা আমন চাষিরা। পর্যাপ্ত বৃষ্টি না হওয়ায় কৃষকদের মাঝে পানির জন্য হাহাকার শুরু হয়েছে। বিকল্প পদ্ধতিতে পানি দিলেও কৃষকের উৎপাদন ব্যয় বেড়ে যাচ্ছে কয়েকগুণ। চলমান পরিস্থিতি মোকাবিলায় সম্পূরক সেচ দিয়ে রোপা আমনের খেতে পানি দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে কৃষি বিভাগ। অপরদিকে, সেচ প্রকল্পের মাধ্যমে নিরবচ্ছিন্নভাবে কৃষকদের জমিতে পানি সরবরাহ করা হচ্ছে জানিয়েছেন পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)। 

প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, এ সেচ পদ্ধতিতে জমিতে পানি দেওয়ায় একদিকে খরচ কমছে, অন্যদিকে কৃষকদের উৎপাদন বাড়ছে। 

জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, সদর উপজেলার ভুল্লি বাঁধ, টাংগন বাঁধ ও বুড়ি বাঁধ সেচপ্রকল্পের আওতায় ১০ হাজার হেক্টর জমিতে এবার আমন চাষ করা হচ্ছে। অতীতের যেকোনো সময়ের চেয়ে সম্পূরক সেচ দিয়ে এটি সর্বোচ্চ চাষাবাদ। কারণ এ প্রকল্পের মাধ্যমে নামমাত্র খরচে পানি পাচ্ছেন কৃষকেরা। এতে ২৫ হাজার কৃষকের সেচ বাবদ প্রায় ৮০ কোটি টাকা সাশ্রয় হবে। 

সেচ সুবিধা পাওয়া সদর উপজেলার ভূল্লী এলাকার কৃষক আব্দুল হামিদ বলেন, ‘বিদ্যুৎ চালিত সেচপাম্প ও ডিজেলচালিত শ্যালো মেশিন দিয়ে একরপ্রতি আমন ধান চাষে সেচ খরচ কমপক্ষে ৪ থেকে ৫ হাজার টাকা পড়ছে। কিন্তু পানি উন্নয়ন বোর্ডের ক্যানেলের পানি নিয়ে আবাদ করতে ওই পরিমাণ জমিতে খরচ হয় মাত্র ১২০ টাকা। আবার পানিও ইচ্ছেমতো নেওয়া যায়। ফলে ফলন বেশি হয়। ধানখেত ও ক্যানেলে মাছ চাষও করা যায়।’ 

ছবি: আজকের পত্রিকা সদর উপজেলার বুড়ির বাঁধ এলাকার কৃষক দীনেশ রায়, হরিবর্ধন রায়, নেন্দুলালসহ একাধিক কৃষক জানান, এ বছর মৌসুমের শুরুতে বৃষ্টিপাত না হওয়ায় আমন চাষ নিয়ে শঙ্কায় ছিলেন তাঁরা। পরবর্তীতে পানি উন্নয়ন বোর্ড সেচ প্রকল্পে সম্পূরক সেচ শুরু করলে চিন্তামুক্ত হন। 

একই এলাকার আবুল খায়ের বলেন, ‘বৃষ্টিপাত না হওয়ায় আমার দুই একর জমির মাটি ফেটে যাচ্ছিল। কিন্তু ক্যানেল সেচের পানিতে মাটি যেন প্রাণ ফিরে পেয়েছে।’ 

এ বিষয়ে ঠাকুরগাঁও পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রবিউল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, খরা প্রবণ এ জেলায় সম্পূরক সেচের মাধ্যমে কৃষকদের সেচ দিলে পানি সাশ্রয় ও ধানের ফলনও ভালো হচ্ছে। ক্যানেল নেটওয়ার্কের মাধ্যমে বিদ্যুৎ ও ডিজেলচালিত মেশিনারিজ যন্ত্র ছাড়াই জমিতে পানি সরবরাহ করা হচ্ছে। এ ছাড়া সম্পূরক সেচ প্রকল্পের অধীনে পুরোনো ও ক্ষতিগ্রস্ত সেচ নালা সংস্কার ও পুনর্বাসনের কাজ চলমান রয়েছে। এসব কাজ শেষ হলে ১০ হাজার হেক্টর থেকে ১৩ হাজার হেক্টর জমি সেচ সুবিধার আওতায় আসবে। 

মন্তব্য

আপনার পরিচয় গোপন রাখতে
আমি নীতিমালা মেনে মন্তব্য করছি।
Show
 
    সব মন্তব্য

    ইহাতে মন্তব্য প্রদান বন্ধ রয়েছে

    পঠিতসর্বশেষ

    এলাকার খবর

     
     

    চাঁদাবাজির অভিযোগের পর রমেকের ১৬ কর্মচারীকে বদলি

    প্রথম চাকরিতে যোগ দিতে যাওয়ার পথেই প্রাণ গেল যুবকের

    করতোয়ায় ৫ স্বজনের সলিল সমাধি, মংলু রামের বাড়িতে শোক করারও কেউ নেই

    বোদায় নৌকাডুবি: তৃতীয় দিনে ৬৮ জনের মরদেহ উদ্ধার, নিখোঁজ ৪

    কুড়িয়ে পাওয়া টাকায় চোখে আলো ফেরার আশা দেখছেন হৃদয়

    বোদায় নৌকাডুবি: ৬৭ জনের মরদেহ উদ্ধার

    চোখ ওঠা নিয়ে বিদেশ ভ্রমণ না করার অনুরোধ

    ‘ভার্চুয়াল অ্যাকাউন্ট ফর পেমেন্ট’ সল্যুশন চালু করল স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড

    ইউরোপে গ্যাস সরবরাহ লাইনে ছিদ্র, অভিযোগের আঙুল রাশিয়ার দিকে

    ইস্টার্ন ব্যাংকের ব্যবস্থাপনায় টিএমএসএসের জন্য ১,২২৪ মিলিয়ন টাকা সংগ্রহ

    সাফজয়ী দলকে সংবর্ধনা দিল বাংলাদেশ সেনাবাহিনী 

    বছরের প্রথম টি-টোয়েন্টি সিরিজ জয় বাংলাদেশের