Alexa
সোমবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২

সেকশন

epaper
 

বাঞ্ছারামপুর উপজেলা

ভোগান্তির আরেক নাম ফতেপুর বেইলি সেতু

আপডেট : ০৯ আগস্ট ২০২২, ১৩:০৬

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার আখাউড়া-আগরতলা-নারায়ণগঞ্জ মহাসড়কের ফতেপুর বেইলি সেতুটি সরু হওয়ার কারণে এর দুই পাশে প্রায়ই যানবাহনের  দীর্ঘ সারি তৈরি হয়। যানজটে বসে থাকতে হয় ঘণ্টার পর ঘণ্টা। ছবি: আজকের পত্রিকা ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার আখাউড়া-আগরতলা-নারায়ণগঞ্জ মহাসড়কের ফতেপুর বেইলি সেতুতে যানজট এখন নিত্যসঙ্গী। এতে চরম ভোগান্তি হচ্ছে স্থানীয় জনসাধারণ, যানবাহনের চালক ও যাত্রীদের; বিশেষ করে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী নারী, শিশু ও বৃদ্ধ মানুষের জন্য অসহনীয় হয়ে পড়েছে এই যানজট।

সেতুর দুপাশের সড়কে যানবাহনের দীর্ঘ সারি। সেতুটি সরু হওয়ায় একটা গাড়ি এলে অন্য গাড়ি যেতে পারে না। এ কারণে এক পাশের যানবাহনের যাওয়া শেষ হলে অন্য পাশের গাড়ি উঠতে পারে। এভাবে সেতু পার হতে যানবাহনগুলোর দীর্ঘ সময় যানজটে পড়ে থাকতে হয়। কখনো কখনো দু-তিন ঘণ্টা যাত্রীদের গাড়িতে বসে থাকতে হয়। এ কারণে রোগী, শিশু এবং বৃদ্ধরা গাড়িতে বসে আরও অসুস্থ হয়ে পড়ছেন।

এখানকার মানুষের কাছে এখন ভোগান্তির আরেক নাম ফতেপুর বেইলি সেতু। তাই সেতুটির সম্প্রসারণের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী মানুষ।

সরেজমিনে জানা যায়, নারায়ণগঞ্জ-আড়াইহাজার, ভুলতা হয়ে ফেরিঘাট বাঞ্ছারামপুর-ফতেপুর মহাসড়কে ৪০ থেকে ৪৫ হাজার গাড়িতে প্রতিদিন অন্তত পাঁচ লাখ মানুষ চলাচল করে। প্রতিদিন তিন-চারবার যানজটের মুখোমুখি হতে হয় এখানকার মানুষদের। প্রায়ই দেখা যায় আছাদনগর বাজার থেকে ফতেপুর বাজার পর্যন্ত সড়কের দুই কিলোমিটারজুড়ে যানজটে পড়ে আছে বিভিন্ন ধরনের পরিবহন।

অন্যদিকে দীর্ঘদিনের পুরোনো এই সেতু ধারণক্ষমতার অধিক মালবোঝাই যানবাহনের কারণে আরও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, পাঁচ টনের ধারণক্ষমতাসম্পন্ন সেতুটিতে ১০ টনের বেশি পণ্যবাহী যানবাহন চলাচল করে। এতে করে সেতুটি দিনে দিনে আরও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। কয়েক দিন পরপরই মেরামত করতে হয়।

যানজটের বিষয়ে জানতে চাইলে ভুক্তভোগী আলাউদ্দীন বলেন, ‘যানজটে স্কুল-কলেজের ছাত্র-ছাত্রী, নারী ও শিশুরা অনেক ভোগান্তির শিকার হয়। আমাদের সংসদ সদস্যের কাছে দাবি, তিনি যেন সেতুর কাজটা সম্পন্ন করে দেন। আমাদের চলার পথ যেন সুগম করে দেন।’

ট্রাকচালক কামাল মিয়া বলেন, ‘এই সেতু অতি দ্রুত করা উচিত। তিন ঘণ্টা ধরে জ্যামে বসে ছিলাম। পরে আমি এই রাস্তা পার হয়ে এসেছি।’

একজন স্কুলছাত্র জানায়, ‘এ যানজটের কারণে রোগীদের জীবন সংকটাপন্ন হয়ে ওঠে। প্রতিদিন ছাত্র-ছাত্রী ও শিশুদের অনেক কষ্ট হয়। এ যানজট আমাদের চলাচলের একটি বড় অন্তরায় হয়ে দাঁড়িয়েছে।’

স্থানীয় বাসিন্দা মো. হুমায়ুন কবির বলেন, ‘এখানে ঘণ্টার পর ঘণ্টা জ্যামে বসে থাকতে হয়। জ্যামে বসে থাকার কারণে আমাদের অনেক ক্ষতি হচ্ছে। এটি পরিবর্তন করে নতুন সেতু দেওয়া উচিত। তাহলে আমাদের কষ্টলাঘব হবে।’

সার্বিক বিষয়ে বাঞ্ছারামপুরের উপজেলা প্রকৌশলী জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘আমরা বিষয়টা দেখেছি। ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে এর সমাধান করা হবে।’

মন্তব্য

আপনার পরিচয় গোপন রাখতে
আমি নীতিমালা মেনে মন্তব্য করছি।
Show
 
    সব মন্তব্য

    ইহাতে মন্তব্য প্রদান বন্ধ রয়েছে

    এলাকার খবর

     
     

    বিধিনিষেধে ধুঁকছে মোটরসাইকেল শিল্প

    বিচ্ছিন্ন জনপদ রামুক্যাছড়ি পৌঁছায় না সরকারি সুবিধা

    বিসিএসজট কাটাতে কোন পথে পিএসসি

    মিশ্র বর্জ্যে ঝুঁকিতে পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা

    ৬৫ বছর বয়সে ২২ কিমি সাঁতার শহিদুল ইসলামের

    খালের দুই পাড়ে দীর্ঘশ্বাস

    করতোয়া নদীতে নৌকাডুবি, ৩১ জনের মরদেহ উদ্ধার

    টপ অর্ডারের রোগ থেকেই গেল

    বিদেশি খেলোয়াড় কোটায় পরিবর্তন আসছে বিপিএলে

    টিভিতে আজকের খেলা (২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২, সোমবার) 

    টাইফুন নোরুর আঘাতে ৫ উদ্ধারকর্মীর মৃত্যু, বিদ্যুৎহীন কয়েক লাখ বাসিন্দা

    দুই কিলোমিটার সড়কে দুর্ভোগ