Alexa
শুক্রবার, ১২ আগস্ট ২০২২

সেকশন

epaper
 

২২ মণের ষাঁড় বিক্রি নিয়ে দুশ্চিন্তায় কৃষক

আপডেট : ০৩ জুলাই ২০২২, ১২:১৫

প্রায় ২২ মণ ওজনের এ ষাঁড় এবার কোরবানির ঈদে বিক্রির জন্য প্রস্তুত করা হচ্ছে। গতকাল কুমারখালীর যদুবয়রা ইউনিয়নের এনায়েতপুর গ্রামের কৃষক হেলাল উদ্দিনের বাড়িতে। ছবি: আজকের পত্রিকা খাবার ও বাসস্থান ভিন্ন হলেও পরিবারের অন্য সদস্যদের মতোই অতি যত্নে লালন-পালন করা হয়েছে ষাঁড়টিকে। কোনো এক শুক্রবারে জন্ম, তাই আদর করে নাম রাখা হয়েছে শুকরে। ৩ বছর বয়সের প্রায় ২২ মণ ওজনের গরুটি বিক্রি নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন কৃষক মো. হেলাল শেখ।

একদিকে গোখাদ্যসহ নিত্যপণ্যের দাম বৃদ্ধি ও বিভিন্ন জেলায় বন্যাসহ প্রাকৃতিক দুর্যোগ। অন্যদিকে ঈদের সময় ঘনিয়ে এলেও কোনো দরদাম হয়নি এখনো। আবার বড় গরু বাইরে নেওয়া ব্যয়বহুল ও ঝুঁকিপূর্ণ। সব মিলে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন গরুর মালিক। 
কৃষক মো. হেলাল শেখ কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার যদুবয়রা ইউনিয়নের এনায়েতপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন মো. মোক্তার হোসেনের ছেলে।

সরেজমিনে জানা গেছে, প্রায় ৩ বছর আগে জন্ম হয়েছিল ফ্রিজিয়ান এই ষাঁড়টির। খাদ্য হিসেবে খাওয়ানো হয়েছে ঘাস, খড়, বিছালি, ছাল, গুঁড়া, গম ও ভুট্টার ভুসি। বর্তমান ষাঁড়টি মাথা থেকে লেজ পর্যন্ত লম্বা প্রায় ৭৪ ইঞ্চি এবং বেড় ৯৪ ইঞ্চি। সাদা-কালো রঙের ৬টি দাঁতের এই গরুটির ওজন প্রায় ২২ মণ। আরও জানা গেছে, ষাঁড়টিকে ৬ লাখ ৫০ হাজার টাকায় বিক্রি করতে চান কৃষক হেলাল। তবে আলোচনা সাপেক্ষে দাম কম বেশি হতে পারে। প্রতিদিন গরুটি প্রায় ৫০০ টাকার খাবার খায়।

এ বিষয়ে কৃষক মো. হেলাল শেখ বলেন, ‘ঈদ চলে আসছে। কিন্তু এখনো কেউ গরুর দরদাম করেনি। স্থানীয় কয়েকটি হাটে খোঁজ নিয়েছি। বড় গরুর তেমন বেচাকেনা নেই। গোখাদ্যসহ নিত্যপণ্যের দাম বেশি। বিভিন্ন স্থানে বন্যা হচ্ছে। ষাঁড় বিক্রি নিয়ে খুব দুশ্চিন্তায় আছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘ষাঁড়টি বাড়ি থেকেই বিক্রি করতে চাই। কেউ কিনতে চাইলে ০১৮১০৩৬৫৫১৩ নম্বরে যোগাযোগ করতে পারেন।’ 
এই কৃষকের বাবা মোক্তার হোসেন বলেন, ‘ষাঁড় বাইরের জেলায় নিয়ে বিক্রি করা খুব ঝুঁকিপূর্ণ। বাড়ি থেকে বিক্রি না হলে ক্ষতি হয়ে যাবে।’ কৃষক হেলালের মা বলেন, ‘তিন বছর আগে বাড়ির গাভি থেকে ফ্রিজিয়ান এই গরুটির জন্ম হয়েছিল। নিজের বেটার (সন্তান) মতো পালন করেছি। এখন বিক্রির সময় কান্না পাচ্ছে।’

উপজেলা প্রাণীসম্পদ কর্মকর্তা ডা. নুরে আলম সিদ্দিকী বলেন, ‘এ বছর কুমারখালী উপজেলায় চাহিদার থেকে দ্বিগুণ কোরবানির পশু উৎপাদন করা হয়েছে। ইতিমধ্যে কোরবানির পশু কেনাবেচা শুরু হয়েছে। তবে বড় পশুগুলো বিক্রি করতে একটু বিপাকে পড়েন খামারিরা। তবে অনলাইনসহ বিভিন্ন মাধ্যমে বড় পশু বিক্রিতে সহায়তা করা হয় মালিকদের।’  

মন্তব্য

আপনার পরিচয় গোপন রাখতে
আমি নীতিমালা মেনে মন্তব্য করছি।
Show
 
    সব মন্তব্য

    ইহাতে মন্তব্য প্রদান বন্ধ রয়েছে

    পঠিতসর্বশেষ

    এলাকার খবর

     
     

    পানি নিষ্কাশন করে ধান চাষের ব্যবস্থার দাবি

    ভরা বর্ষায়ও সেচ দিয়ে আমন চাষ

    তিন দিনে আ.লীগ নেতার ৩ ঘেরে বিষ দিল দুর্বৃত্তরা

    হাসপাতালে ভর্তি চোর-গৃহস্থ

    বিএমইটির কার্ড পেতে ঘুষ, দুদকের অভিযান

    ফাইনালে অংশ নিতে মিশর যাবে ইবি দল

    শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি বাড়াতে ভাবা হচ্ছে: শিক্ষামন্ত্রী

    আওয়ামী লীগ নেতার বাড়িতে গুলি, রিমান্ডে মুখ খোলেনি আসামি

    বিএনপিকে কর্মসূচি পালন করতে দেওয়াও একটা প্রতারণা: ফখরুল

    শোক দিবস উপলক্ষে এতিমদের খাবার বিতরণ করল র‍্যাব

    সেনাবাহিনীতে চাকরির সুযোগ, আবেদন শুরু আজ থেকে

    আইফোনের নতুন সংস্করণের দাম বাড়তে পারে