Alexa
শুক্রবার, ১২ আগস্ট ২০২২

সেকশন

epaper
 

বাজারের চেয়ে দাম কম হওয়াই কারণ

খাদ্য বিভাগে ধান দিতে অনাগ্রহ কৃষকের

আপডেট : ০৩ জুলাই ২০২২, ১২:১২

খাদ্য বিভাগে ধান দিতে অনাগ্রহ কৃষকের খুলনায় এবার বোরো ধান সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন না হওয়ার শঙ্কা দেখা দিয়েছে। বাজারের চেয়ে দাম কম হওয়ায় কৃষকেরা খাদ্য বিভাগে ধান বিক্রি করতে অনাগ্রহী বলে জানা গেছে।

গত ২৪ এপ্রিল খুলনায় ধান ও চাল সংগ্রহ অভিযান শুরু হয়। এটি চলবে আগামী ৩১ আগস্ট পর্যন্ত। এবার খুলনায় ৮ হাজার ৮৭৮ মেট্রিক টন ধান এবং চাল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা ১৯ হাজার ১৪০ মেট্রিক টন। প্রতি কেজি ধানের দাম ২৭ টাকা এবং চালের দাম ধরা হয়েছে ৪০ টাকা। ২৯ জুন পর্যন্ত ৩ হাজার ৩০০ মেট্রিক টন ধান ও ৮ হাজার মেট্রিক টন সেদ্ধ চাল কেনা সম্ভব হয়েছে।

জানা যায়, চাল কিনতে খুলনা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কার্যালয় ১০৫টি মিলের মালিকের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়েছে। এসব মালিক চাল সরবরাহ করবেন। অন্যদিকে খাদ্য বিভাগ সরাসরি কৃষকদের থেকে ধান সংগ্রহ করছে।

এদিকে খাদ্য বিভাগের নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে বাজারে ধান বিক্রি হচ্ছে। এতে কৃষকেরা খাদ্য বিভাগের কাছে ধান বিক্রি করতে আগ্রহ হারাচ্ছেন। অনেক কৃষক জানেনও না যে, খাদ্য বিভাগ ধান কিনছে। আবার ধান বিক্রি করলে সঙ্গে সঙ্গে টাকা না পাওয়ায় কোনো কোনো কৃষক ধান বিক্রি করতে চান না।

খুলনার পুটিমারী এলাকার কৃষক পিলোক বিশ্বাস জানান, চলতি বোরো মৌসুমে ১০ বিঘা জমি আবাদ করেছেন। ১০০ মণ ধান পেয়েছেন। সরকার ২৭ টাকা ধানের দর বেঁধে দিয়েছে। হাটে গিয়ে তিনি আরও ৩ টাকা বেশি দরে ধান বিক্রি করেছেন। এ ছাড়া খাদ্য বিভাগের কাছে ধান বিক্রি করলে তাৎক্ষণিক টাকা না দিয়ে স্লিপ দেয়। এটা ব্যাংকে জমা দিয়ে কৃষক টাকা বুঝে পান। কিন্তু বাজারে বিক্রি করলে ওই ঝামেলা নেই। যে কারণে বাজারে সরাসরি ধান বিক্রি করছেন।

একই এলাকার কৃষক নির্মল ঢালী বলেন, ‘আমরা অশিক্ষিত মানুষ, মোবাইল চালাতে জানি না। কৃষি অ্যাপস কি তা জানি না। সরকারের কোনো লোক ধানের জন্য আমার কাছে আসেনি। জমিতে যে ধান পেয়েছিলাম, তা হাটে নিয়ে বিক্রি করে দিয়েছি।’

এ ব্যাপারে খুলনা জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মো. বাবুল হোসেন আজকের পত্রিকাকে বলেন, চাল কেনার বিষয়ে মিল মালিকদের সঙ্গে চুক্তি হয়েছে। সে অনুযায়ী মিল মালিকেরা সরবরাহ করতে বাধ্য; তাই চাল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হবে। তবে কৃষকদের থেকে খাদ্য বিভাগ সরাসরি ধান কেনে। কেনার সময় ধানের গুণগত মান যাচাই করা হয়। অনেক কৃষক বিষয়টি ভালোভাবে দেখেন না। তাই খাদ্য বিভাগের কাছে ধান বিক্রি করতে চান না। এতে ধান সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন না-ও হতে পারে। আর দালালদের হাত থেকে কৃষকদের রক্ষা করতে ব্যাংকের মাধ্যমে টাকা পরিশোধ করা হয়।

মন্তব্য

আপনার পরিচয় গোপন রাখতে
আমি নীতিমালা মেনে মন্তব্য করছি।
Show
 
    সব মন্তব্য

    ইহাতে মন্তব্য প্রদান বন্ধ রয়েছে

    পঠিতসর্বশেষ

    এলাকার খবর

     
     

    পানি নিষ্কাশন করে ধান চাষের ব্যবস্থার দাবি

    ভরা বর্ষায়ও সেচ দিয়ে আমন চাষ

    তিন দিনে আ.লীগ নেতার ৩ ঘেরে বিষ দিল দুর্বৃত্তরা

    হাসপাতালে ভর্তি চোর-গৃহস্থ

    বিএমইটির কার্ড পেতে ঘুষ, দুদকের অভিযান

    জলাধার বন্ধ করে প্রাচীর পানির নিচে খেতের ধান

    শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি বাড়াতে ভাবা হচ্ছে: শিক্ষামন্ত্রী

    আওয়ামী লীগ নেতার বাড়িতে গুলি, রিমান্ডে মুখ খোলেনি আসামি

    বিএনপিকে কর্মসূচি পালন করতে দেওয়াও একটা প্রতারণা: ফখরুল

    শোক দিবস উপলক্ষে এতিমদের খাবার বিতরণ করল র‍্যাব

    সেনাবাহিনীতে চাকরির সুযোগ, আবেদন শুরু আজ থেকে

    আইফোনের নতুন সংস্করণের দাম বাড়তে পারে