Alexa
মঙ্গলবার, ০৯ আগস্ট ২০২২

সেকশন

epaper
 

পানির সঙ্গে বাড়ছে দুশ্চিন্তা

আপডেট : ০১ জুলাই ২০২২, ১২:৪৪

পানি নেমে গেলেও থামেনি ভাঙন। ছবিটি গত বুধবার বিকেলে বগুড়ার সারিয়াকান্দি উপজেলার চালুয়াবাড়ী ইউপির চরদলিকা থেকে তোলা। আজকের পত্রিকা যমুনা, ব্রহ্মপুত্র ও আত্রাই নদীর পানি আবারও বাড়তে শুরু করেছে। এতে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন নদীতীরবর্তী এলাকার মানুষজন। প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর:
বগুড়ার সারিয়াকান্দিতে যমুনা নদীর পানি আবারও বাড়তে শুরু করেছে। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করার সম্ভাবনা রয়েছে।

এলাকাবাসী বলছেন, এভাবে পানি বাড়তে থাকলে আবারও উঁচু কোথাও আশ্রয় নিতে হব। জানা গেছে, এবারের বন্যায় উপজেলার ৭৭টি গামের ১৪ হাজার ১৮০ পরিবারের ৫৬ হাজার ৭২০ জন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। ১০ হাজার ২৫০টি টিউবওয়েল পানিতে তলিয়ে যায়। এ কারণে বিশুদ্ধ পানির অভাব দেখা দিয়েছিল।  

পানিতে আংশিকভাবে নিমজ্জিত হয়েছিল ৫৫০টি বাড়িঘর। ডুবে গিয়েছিল উপজেলার ৬৮টি কাঁচা রাস্তা, তিনটি পাকা রাস্তা। এ ছাড়া ৩১টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আংশিক ডুবে যাওয়ার কারণে এসব প্রতিষ্ঠানে পাঠদান বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছিল।

সারিয়াকান্দিতে দায়িত্বে থাকা গেজ রিডার পরশুরাম জানান, গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা পর্যন্ত যমুনা নদীতে পানির উচ্চতা ছিল ১৬ দশমিক ২৮ মিটার; যা বিপৎসীমার ৪২ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। অন্যদিকে বাঙ্গালী নদীতে পানির উচ্চতা ছিল ১৪ দশমিক ৫২ মিটার; যা বিপৎসীমার ১৩৩ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল।

বগুড়া জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপনির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুর রহমান তাসকিয়া বলেন, যমুনায় পানি বৃদ্ধি আরও কয়েক দিন অব্যাহত থাকবে। এ ক্ষেত্রে পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে দু-এক দিন পর জানা যাবে বন্যা হবে কি না।

বন‌্যার ধকল সাম‌লে উঠ‌তে না উঠ‌তেই কু‌ড়িগ্রা‌মের চিলমারীতে  ব্রহ্মপুত্রের নদের  পা‌নি ফের বাড়‌তে শুরু ক‌রে‌ছে। ফলে নদের  অববাহিকার নিম্নাঞ্চলে আবারও বন্যা পরিস্থিতির আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্ট এলাকার বাসিন্দারা।

চিলমারী উপজেলা চিলমারী ইউনিয়নের শাখাহাতি এলাকার আব্দুল মান্নান (৬০) বলেন, ব্রহ্মপুত্রের পানি আবারও বাড়ছে। বন্যার আতঙ্কে রয়েছেন তিনি। 
গতকাল  দুপুর ১২টায় ব্রহ্মপুত্র নদের চিলমারী পয়েন্টে পানি বিপৎসীমার ৩০ সেমি নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। পানি উন্নয়ন বোর্ডের গেজ রিডার মো. জোবায়ের রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এদিকে উজানের ঢল ও ভারী বর্ষণের ফলে দিনাজপুরের খানসামা উপজেলার পাশ দিয়ে প্রবাহিত হওয়া আত্রাই নদীর পানিও বাড়ছে। এতে প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কায় রয়েছে নদীতীরবর্তী কয়েকটি গ্রাম।

সরেজমিনে খানসামা আত্রাই সেতু পাড়ে দেখা যায়, নদীর পানি ১৫ সেন্টিমিটার অতিক্রম করেছে।   তবে পানি উন্নয়ন বোর্ড জানায়, বৃষ্টি কমে গেলে নদীর পানিও কমে যাবে।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা এনামুল হাসান বলেন, নদীপাড়ের মানুষের সার্বক্ষণিক খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে ও পরিস্থিতি মোকাবিলায় সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া রয়েছে।

মন্তব্য

আপনার পরিচয় গোপন রাখতে
আমি নীতিমালা মেনে মন্তব্য করছি।
Show
 
    সব মন্তব্য

    ইহাতে মন্তব্য প্রদান বন্ধ রয়েছে

    পঠিতসর্বশেষ

    এলাকার খবর

     
     

    সময়টা অনুধাবন করে সহনশীল হতে হবে

    কারাগারে না পাঠিয়ে সংশোধনের সুযোগ অপরাধীদের

    বাসে বাড়তি ভাড়ায় বিপাকে যাত্রী, বাধছে তর্কবিতর্ক

    ভোগান্তির আরেক নাম ফতেপুর বেইলি সেতু

    এখনো বই পায়নি সুনামগঞ্জে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষার্থীরা

    শিশুর চুল থাকুক খুশকিমুক্ত

    কলা কেন বাঁকা

    ভরা বর্ষায় মরা মাতামুহুরি

    পার্বত্য চট্টগ্রামে সামরিক শাসন চলছে: সন্তু লারমা

    মিস ইউনিভার্স প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে পারবেন বিবাহিতরাও

    অ্যাকাউন্টের পাসওয়ার্ড হাতিয়ে উপবৃত্তির টাকা হাপিস

    ঢামেক হাসপাতালে অন্তঃসত্ত্বার মৃতদেহ রেখে পালিয়েছে ২ নারী