Alexa
মঙ্গলবার, ১৬ আগস্ট ২০২২

সেকশন

epaper
 

বাড়ি থেকে তুলে এনে নির্যাতন, ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে মামলা

আপডেট : ৩০ জুন ২০২২, ১৭:০৩

আহত জহুরুল হক হাতীবান্ধা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। ছবি: আজকের পত্রিকা লালমনিরহাটের হাতীবান্ধায় গ্রাম পুলিশ পাঠিয়ে জহুরুল হক নামে এক ব্যবসায়ীকে বাড়ি থেকে তুলে এনে ইউনিয়ন পরিষদে (ইউপি) আটকে রেখে মারধর ও নির্যাতনের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এরপর জোর করে ফাঁকা স্টাম্পে ওই ব্যবসায়ীর সাক্ষরও নেওয়া হয় বলেও অভিযোগ উঠেছে। গতকাল বুধবার সকালে উপজেলার বড়খাতা ইউপিতে এ ঘটনা ঘটে।

আহত জহুরুল হক বর্তমানে হাতীবান্ধা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন। আজ বৃহস্পতিবার সকালে তিনি বাদী হয়ে চেয়ারম্যানসহ চারজনের নামে থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। আবু হেনা মোস্তফা জামাল বড়খাতা ইউপি চেয়ারম্যান। এ ছাড়া অন্য অভিযুক্তরা হলেন গ্রাম পুলিশ খোকন, শাহিদ ও জিয়া। ভুক্তভোগী জহুরুল হক ওই ইউনিয়নের পশ্চিম সারডুবী এলাকার ২ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা। তিনি একজন মুরগি ব্যবসায়ী।

জানা গেছে, জহুরুলের সঙ্গে তাঁর ভাই নজরুল ইসলামের জমি নিয়ে বিরোধ চলছিল। এ বিষয়ে ইউপি চেয়ারম্যান সোহেল একটি আপস মীমাংসা করে দেন। জহুরুল সেই আপস মীমাংসায় দেওয়া চেয়ারম্যানের নির্দেশ মানতে দেরি করেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে চেয়ারম্যান বুধবার ভোরে জহুরুলের বাড়িতে গ্রাম পুলিশ পাঠিয়ে তাঁকে জোর ইউপিতে তুলে আনেন। এরপর ইউপির হলরুমে জহুরুলকে আটকে রেখে চেয়ারম্যান ও গ্রাম পুলিশরা মারধর ও নির্যাতন করেন। এরপর চেয়ারম্যান সোহেল জোর করে ফাঁকা স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নিয়ে জহুরুলকে ছেড়ে দেন।

জহুরুল হক বলেন, ‘সোহেল চেয়ারম্যান চৌকিদার পাঠিয়ে বাড়ি থেকে জোর করে আমাকে পরিষদে তুলে নিয়ে গিয়ে মারধর করে ফাঁকা স্ট্যাম্পে সই নেন। অনুরোধ করার পরেও চেয়ারম্যান ও চৌকিদার আমাকে মারধর করেন। মারধর করতে করতে চেয়ারম্যান বলে বেটা আমার বিচার মানিস না, আমার কথা শুনিস না। আমি তোক ডাকি আর তুই আসিস না। বেটা তোকে জানে শেষ করে দিব। আমি থানায় লিখিত অভিযোগ করেছি। আমি এর সুষ্ঠু বিচার চাই।’

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে ইউপি চেয়ারম্যান সোহেল বলেন, ‘জহুরুলের সঙ্গে তার ভাইয়ের জমি নিয়ে বিরোধ চলছে। জহুরুলকে কোনো মারধর করা হয়নি। আমি ব্যস্ত আছি। পড়ে কথা বলব।’ এরপর তিনি কলটি কেটে দেন।

এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে কর্মরত চিকিৎসক মামুন বলেন, ওই ব্যক্তিকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাঁকে চিকিৎসা সেবা দেওয়া হচ্ছে। হাতীবান্ধা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এরশাদুল আলম বলেন, ওই চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ করেছেন জহুরুল হক। এ ঘটনায় তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মন্তব্য

আপনার পরিচয় গোপন রাখতে
আমি নীতিমালা মেনে মন্তব্য করছি।
Show
 
    সব মন্তব্য

    ইহাতে মন্তব্য প্রদান বন্ধ রয়েছে

    পঠিতসর্বশেষ

    এলাকার খবর

     
     

    বক্তব্যে ‘জান্নাত’ ‘জাহান্নাম’ বিভ্রাট: ছাত্রলীগ নেতাদের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ প্রতিমন্ত্রীর

    চাঁদাবাজি করতে গিয়ে গণপিটুনির শিকার পুলিশ কনস্টেবল

    স্ত্রীকে গলাটিপে হত্যা, স্বামীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

    সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে প্রধান শিক্ষিকাকে মারধরের অভিযোগ

    ডিমের দাম বেড়ে যাওয়ায় কমেছে কেনাবেচা

    সেচ প্রকল্পের মাধ্যমে জমিতে পানি সরবরাহ, প্রায় ৮০ কোটি টাকার সাশ্রয়

    রাশিয়া থেকে জ্বালানি তেল কেনার উপায় খুঁজতে বললেন প্রধানমন্ত্রী

    পরমাণু যুদ্ধ হলে দুর্ভিক্ষের মুখোমুখি হবে বিশ্বের ৫০০ কোটি মানুষ 

    ৪০ এসপিকে নির্দেশনা: পরিস্থিতি অস্বাভাবিক হবে, এটা ভেবেই মাঠে নামতে হবে

    রোনালদো চলে গেলে ম্যান ইউনাইটেডে গোল করার কেউ থাকবে না

    সাংবাদিকদের ওপর হামলা: ডা. উসমানীর জামিন আবেদন খারিজ

    চকবাজারের আগুন: প্রবাস নয়, স্বপন গেলেন পরলোকে