Alexa
সোমবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২

সেকশন

epaper
 

সেন্ট মার্টিনের জীববৈচিত্র্য রক্ষায় নীতিমালা চূড়ান্ত হচ্ছে

আপডেট : ২৪ জুন ২০২২, ১৬:১৭

সেন্ট মার্টিনের জীববৈচিত্র্য রক্ষায় নীতিমালা চূড়ান্ত হচ্ছে দেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ কক্সবাজারের সেন্ট মার্টিনের পরিবেশ, প্রতিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় সরকার নীতিমালা চূড়ান্ত করতে যাচ্ছে। এই নীতিমালার খসড়া পর্যালোচনা নিয়ে গতকাল বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে একটি সভা আহ্বান করা হয়।

এই নীতিমালা নিয়ে পর্যটন শহর কক্সবাজারে পক্ষে-বিপক্ষে আলোচনা শুরু হয়েছে। পরিবেশবাদী সংগঠনগুলো এই নীতিমালা সেন্ট মার্টিন রক্ষায় উপযুক্ত মনে করছেন। তবে পর্যটক সীমিতকরণসহ কয়েকটি প্রস্তাবের বিরোধিতা করছেন পর্যটন ব্যবসায়ীরা।

এ বছরের জানুয়ারি মাসে জীববৈচিত্র্যে সুরক্ষায় সেন্ট মার্টিনের ১ হাজার ৭৪৩ বর্গকিলোমিটার (৬৭২ বর্গমাইল) এলাকাকে ‘মেরিন প্রোটেক্টেড এরিয়া’ (এমপিএ) বা নতুন সামুদ্রিক সংরক্ষিত এলাকা হিসেবে ঘোষণা করেছে সরকার।

এরপর প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে দ্বীপের সুরক্ষায় ১৩টি নির্দেশনা দেওয়া হয়। এ নিয়ে কয়েকটি মন্ত্রণালয়ের অধীনে সংশ্লিষ্ট দপ্তর মাঠ পর্যায়ে কাজ শুরু করে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের নির্দেশনা মতে, সেন্ট মার্টিন দ্বীপের পরিবেশ, প্রতিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সুরক্ষাসহ টেকসই পর্যটন নীতিমালা ২০২২ তৈরি করা হয়।

এদিকে এই নীতিমালার কয়েকটি অংশের সঙ্গে বিরোধিতা করেছেন টেকনাফ-সেন্ট মার্টিন রুটের জাহাজ ব্যবসায়ী এবং সেন্ট মার্টিনের পর্যটনসংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা।

সেন্ট মার্টিনে পর্যটক ভ্রমণ সীমিত না করে জীববৈচিত্র্য ও প্রাকৃতিক পরিবেশ ঠিক রেখে ‘পর্যটন নীতিমালা’ প্রণয়নের দাবি জানিয়েছে পর্যটকবাহী জাহাজ মালিক সংগঠন সি-ক্রুজ অপারেটরস অনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (স্কোয়াব)। সংগঠনটির দাবি, সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা ও মনিটরিংয়ের মাধ্যমে পর্যটনশিল্পের উন্নয়ন জরুরি। না হয় কক্সবাজারের পর্যটনশিল্প মুখ থুবড়ে পড়বে।

স্কোয়াবের দাবি, সেন্ট মার্টিনের পরিবেশ যেমন রক্ষা জরুরি, তেমনি পর্যটনশিল্পকেও বাঁচাতে হবে। একটি চক্র কক্সবাজারের পর্যটনকে ধ্বংস করতে সরকারের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে ভুল তথ্য দিচ্ছে।

পরিবেশ অধিদপ্তরের প্রস্তাবিত নীতিমালায় নিবন্ধন সাপেক্ষে প্রতিদিন মাত্র ৯০০ যাত্রী সেন্ট মার্টিন যেতে পারবে। সেখানে রাত্রি যাপনেও আলাদা ফি দিতে হবে। এ ছাড়া ১০ জনের অধিক পর্যটক সেন্ট মার্টিন দ্বীপে ভ্রমণ করতে চাইলে সরাসরি মন্ত্রণালয়ের অনুমতি নিতে হবে। সেন্ট মার্টিন ভ্রমণে পর্যটকদের বিধিনিষেধ নিয়ে এ ধরনের প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে। গত বুধবার দুপুরে সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা তুলে ধরেন স্কোয়াবের সাধারণ সম্পাদক হোসাইন ইসলাম বাহাদুর।

এ সময় স্কোয়াবের সভাপতি তোফায়েল আহমেদ, টুয়াক কক্সবাজারের সভাপতি আনোয়ার কামাল, মেরিন ড্রাইভ হোটেল-মোটেল মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মুকিম খানসহ পর্যটন ব্যবসায়ীরা বক্তব্য দেন।

মন্তব্য

আপনার পরিচয় গোপন রাখতে
আমি নীতিমালা মেনে মন্তব্য করছি।
Show
 
    সব মন্তব্য

    ইহাতে মন্তব্য প্রদান বন্ধ রয়েছে

    এলাকার খবর

     
     

    দেড় বছরে রডে মরিচা অতঃপর কাজ শুরু

    ঘরে বাবার লাশ রেখে পরীক্ষার হলে মাকসুদা

    ভাই হত্যার প্রতিশোধ নিতে আকাশকে খুন

    বিচ্ছিন্ন জনপদ রামুক্যাছড়ি পৌঁছায় না সরকারি সুবিধা

    বিসিএসজট কাটাতে কোন পথে পিএসসি

    মিশ্র বর্জ্যে ঝুঁকিতে পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা

    ২৫ কিমি সড়কে খানাখন্দ

    ভোটে ‘লড়তে’ হচ্ছে আ.লীগের পিকুলকে

    ভোটে হেরে গিয়ে লেবু চাষ বুলবুলের বাজিমাত

    ধুঁকছে কমিউনিটি ক্লিনিক

    দেড় বছরে রডে মরিচা অতঃপর কাজ শুরু

    আফিফ বলছেন, তাঁদের ওপর চাপ নেই