Alexa
শনিবার, ১৩ আগস্ট ২০২২

সেকশন

epaper
 

বৃষ্টিতে নগরের সড়কে হাঁটুপানি

আপডেট : ১৮ জুন ২০২২, ১৩:৩৬

টানা বৃষ্টিতে ডুবে গেছে সড়ক। গতকাল মহানগরীর ছায়াবানী সিনেমা হলের সামনে থেকে তোলা। ছবি: আজকের পত্রিকা টানা কয়েক ঘণ্টার বৃষ্টিতে ময়মনসিংহ মহানগরীর বেশ কিছু এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন নগরবাসী। অনেকের বাসাবাড়ি ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে ঢুকে পড়েছে পানি। গত বৃহস্পতিবার রাত থেকে গতকাল শুক্রবার দুপুর পর্যন্ত টানা বৃষ্টিতে নগরীর ডিবি রোড, কৃষ্টপুর, সাবেহ আলী রোড, নাটক ঘরলেন, সানকিপাড়া, গুলকীবাড়ি রোড, চরপাড়া, নয়াপাড়াসহ বেশ কয়েকটি এলাকায় পানি জমে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়। এতে ভোগান্তিতে পড়তে হয় সাধারণ মানুষকে।

সাধারণ মানুষ ও নাগরিক নেতাদের অভিযোগ, পরিকল্পিতভাবে ড্রেন ও খাল খনন না হওয়ায় বৃষ্টি হলেই পানি জমে জলাবদ্ধতা তৈরি হয়। তবে সিটি করপোরেশন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, চলমান উন্নয়নকাজ শেষ হলেই নগরবাসীর ভোগান্তি দূর হবে।

গতকাল ঘুরে দেখা গেছে, বৃষ্টির পানিতে মহানগরীর মিন্টু কলেজ থেকে শুরু হয়ে ত্রিশাল বাসস্ট্যান্ড পর্যন্ত জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়। পুরোহিতপাড়ার বাইলেন রোডে হাঁটুপানি জমে মানুষের বাসাবাড়ি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও মসজিদ-মন্দিরে ঢুকে পড়ে।

নগরীর ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের পুরোহিতপাড়ার বাসিন্দা কায়সার মামুন বলেন, ‘পুরোহিতপাড়ার বাইলেনের রাস্তাটি ১৬ এবং ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের মাঝখান দিয়ে গেছে। এই এলাকায় ৭০-৮০ হাজার লোকের বাস। সকাল থেকে বৃষ্টির পানি অনেকের ঘরবাড়িতে উঠে ভোগান্তির সৃষ্টি হয়। ঘরে রান্না-বান্নাও হচ্ছে না পানির জন্য। রাস্তার মধ্যে পানি ওঠায় যানবাহনও চলাচল করতে পারছে না। এমন ভোগান্তি আমরা চাই না।’

ডিবি রোড এলাকার বাসিন্দা শফিকুল ইসলাম বলেন, আজকের বৃষ্টিতে শুধু বাসাবাড়ি নয় মসজিদ, মাদ্রাসা এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পানি উঠেছে। রাস্তায় পানির জন্য বাসা থেকে বের হওয়াও সম্ভব হচ্ছে না।

বাবুল সরকার বলেন, ‘আমরা কেমন নগরীতে বাস করছি, তা ভেবে পাই না। নিয়মিত ট্যাক্স দিয়ে যাচ্ছি, কিন্তু সুবিধা কোথায়? ১০ থেকে ১৫ বছর ধরে দেখছি ছায়াবানী হলের সামনে জলাবদ্ধতা। কোনো প্রতিকার নেই।’

অটোরিকশাচালক হোসেন আলী বলেন, এলাকার ড্রেনগুলো প্রতি বছরেই পর্যায়ক্রমে ছোট হচ্ছে। ময়লায় ভরে যাচ্ছে। তদারকি না থাকায় পানি চলাচল করতে না পেরে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়।

জেলা জনউদ্যোগ-এর আহ্বায়ক নজরুল ইসলাম চুন্নু বলেন, ‘আমরা সবাই জানি সিটি করপোরেশনের ড্রেন সংস্কারের কাজ চলমান রয়েছে। তবে কবে নাগাদ কাজ শেষ হবে এবং জলাবদ্ধতা দূর হবে তা বলা মুশকিল। আসলে সিটি করপোরেশন যেভাবে ড্রেন সংস্কারের কাজ করছে তাতে মনে হচ্ছে না যে জলাবদ্ধতা দূর হবে। কাজের মান দেখে মনে হয় পানি জমিয়ে রাখার জন্য তারা তা করছে। বিজ্ঞানসম্মত উপায়ে ড্রেন খনন না হলে মানুষের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি কোনোভাবেই দূর হবে না।’

ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর কামাল খান বলেন, ‘অতিবৃষ্টিতে আমার ওয়ার্ডসহ শহরের প্রায় জায়গায়তেই জলাবদ্ধতা হয়েছে। তবে এই জলাবদ্ধতার পানি খুব বেশিক্ষণ স্থায়ী হয় না। আমরা নিয়মিত ড্রেন পরিষ্কার করছি। সাধারণ মানুষের যে অভিযোগ জলাবদ্ধতার তা নিরসনে মেয়র বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছেন সেগুলো বাস্তবায়ন হলে সাধারণ মানুষ পুরো সুফল পাবেন।’

সিটি করপোরেশনের মেয়র মো. ইকরামুল হক টিটু বলেন, বেশি বৃষ্টি হলে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা হয়। সিটি করপোরেশন জলাবদ্ধতা নিরসনে কাজ করে যাচ্ছে।

মন্তব্য

আপনার পরিচয় গোপন রাখতে
আমি নীতিমালা মেনে মন্তব্য করছি।
Show
 
    সব মন্তব্য

    ইহাতে মন্তব্য প্রদান বন্ধ রয়েছে

    পঠিতসর্বশেষ

    এলাকার খবর

     
     

    ভরা বর্ষায়ও সেচ দিয়ে আমন চাষ

    বন্ধ হয়ে যাচ্ছে মুরগির খামার

    আমন চাষের শুরুতেই বাড়তি খরচের বোঝা

    তিন দিনে আ.লীগ নেতার ৩ ঘেরে বিষ দিল দুর্বৃত্তরা

    পাঁচ দিনে চিনির দাম বাড়ল ৭ টাকা

    তরুণের মৃত্যুদণ্ড ও কিছু কথা

    ধর্ষণের অভিযোগে খুবি শিক্ষার্থী গ্রেপ্তার

    প্রথম দক্ষিণ এশীয় হিসেবে ‘মিলেনিয়াম লাইফটাইম অ্যাচিভমেন্ট অ্যাওয়ার্ড’ পেলেন স্থপতি মেরিনা

    মাদারগঞ্জে গ্রাম-বাংলার ঐতিহ্যবাহী ঘোড়া দৌড় প্রতিযোগিতা

    আর্জেন্টিনায় উগ্র সমর্থকদের ক্ষোভের আগুনে পুড়ে ছাই ফুটবলারদের গাড়ি

    দেশে-বিদেশে সর্বত্রই ধিক্কৃত হচ্ছে সরকার: মির্জা ফখরুল

    ভেড়ামারায় ফিলিং স্টেশনে অগ্নিকাণ্ড, নিহত ২