Alexa
বৃহস্পতিবার, ৩০ জুন ২০২২

সেকশন

epaper
 

স্বামী-সতিনকে ফাঁসাতে শিশু সন্তানকে হত্যার অভিযোগ, আদালতে মামলা

আপডেট : ২৪ মে ২০২২, ১৯:৩০

প্রতীকী ছবি বরগুনা সদর উপজেলায় এক গৃহবধূর বিরুদ্ধে স্বামী ও সতিনকে ফাঁসাতে নিজের দেড় বছরের শিশুকে গলা টিপে হত্যার পর পুকুরে ফেলে দেওয়ার অভিযোগে মামলা করা হয়েছে। গতকাল সোমবার সকালে বরগুনার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা করেন সতিন ফাহমিদা ইসলাম বিথি। ওই মামলায় বরগুনা পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা মৃত শিশু আদিবা আমীনের মা ইসমত আরা কলি, কলির তিন ভাই জাকির হোসেন, আশ্রাফ, আনোয়ার হোসেন ও বোন জেলিকে আসামি করা হয়েছে। 

মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০১৩ সালে ইসমত আরা কলিকে বিয়ে করেন হাফেজ আল আমীন। তাঁদের শেফা ও আদিবা আমীন নামে দুই সন্তান রয়েছে। কলির বেপরোয়া চলাফেরার কারণে আল আমীন তাঁকে গত বছরের ২০ এপ্রিল তালাক দেন। এরপর ফাহমিদা ইসলাম বিথিকে বিয়ে করে ঢাকায় থাকেন। তালাক দেওয়ার পর আল আমীনের বিরুদ্ধে গত বছরের ২৪ মে বরগুনায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলা করেন সাবেক স্ত্রী ইসমত আরা কলি। 

গত বছরের ৬ অক্টোবর আল আমীনের বড় ভাই বশিরের বাসায় ওই আসামিরা এসে আপসের কথা বলেন। এ সময় আল আমীন মোবাইল ফোনে জানিয়ে দেন আপস করতে রাজি নন তিনি। এতে কলি ও তাঁর ভাইয়েরা ক্ষুব্ধ হয়ে বশিরের ঘর থেকে ওই দিন দুপুরে দেড় বছরের শিশু আবিদাকে নিয়ে যান। পরে রাগে, দুঃখে ও অভিমানে গলা টিপে আবিদাকে হত্যা করে আল আমীনের প্রতিবেশী মিরাজের পুকুরে ফেলে দেন।

মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে আইনজীবী মজিবুল হক কিসলু বলেন, সাবেক স্বামী ও তাঁর বর্তমান স্ত্রীকে ফাঁসাতে নিজের সন্তানকে হত্যার পর কলি বরগুনা চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি হত্যা মামলা করেন। ওই মামলায় আল আমীন এখনো জেলহাজতে রয়েছেন। এ ছাড়া তাঁর স্ত্রী ফাহমিদা ইসলাম বিথিও মামলায় জেলহাজতে থেকে জামিনে মুক্ত হয়েছেন। জামিনে মুক্ত হওয়ার পর ফাহমিদা বিথি গতকাল তাঁর স্বামীর সাবেক স্ত্রী ইসমত আরা কলির বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করেন। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে বরগুনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। 

মামলার বাদী ফাহমিদা বিথি বলেন, ‘আমার স্বামী তাঁর আগের স্ত্রীকে বিধিসম্মতভাবে তালাক দিয়ে আমাকে বিয়ে করেন। কিন্তু তাঁর সাবেক স্ত্রী এতটাই প্রতিশোধপরায়ণ হয়েছিল যে নিজের সন্তানকে হত্যা করে আমাদের ফাঁসাতে মামলা করেছিল। আমি মামলায় জেলে ছিলাম। আমার স্বামী এখনো জেলে রয়েছেন। শিশু সন্তানকে হত্যা করায় আমি ওই নারীর বিচার চাই।’

অভিযোগের বিষয়ে ইসমত আরা কলি বলেন, ‘আমি আগে যে মামলা করেছি সেটি সত্য। বিথি আমাদের বিরুদ্ধে যে মামলা করেছেন তা সঠিক নয়।’ 

বরগুনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলী আহম্মেদ বলেন, আদালতের আদেশের কপি হাতে পাওয়ার পর আমি মামলাটির তদন্ত করব। 

মন্তব্য

আপনার পরিচয় গোপন রাখতে
আমি নীতিমালা মেনে মন্তব্য করছি।
Show
 
    সব মন্তব্য

    ইহাতে মন্তব্য প্রদান বন্ধ রয়েছে

    এলাকার খবর

     
     

    নির্বাচনে দায়িত্ব পেতে টাকা দিতে হয়েছে ভিডিপি সদস্যদের

    গাইবান্ধায় অনিবন্ধিত ডেলিভারি সেন্টারে প্রসূতির মৃত্যু

    মেয়েকে উত্ত্যক্তের প্রতিবাদ করায় বাবাকে কুপিয়ে হত্যা, বাবা-ছেলের ফাঁসি

    খুলনায় শিক্ষক মুনজীরকে হত্যার দায়ে দুজনের যাবজ্জীবন

    ছাত্রীকে ধর্ষণের পর হত্যায় জড়িতদের ফাঁসির দাবি 

    কক্সবাজারে দুজনের যাবজ্জীবন

    বন্যাকবলিত এলাকায় আলোক হেলথ কেয়ারের ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প

    ব্যাংক এশিয়ার ৫৮তম বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ কোর্সের সার্টিফিকেট প্রদান অনুষ্ঠান

    খেলা শেষে নদীতে গোসলে নেমে ২ কিশোরের মৃত্যু

    সরকারি খাতে ঋণ বাড়িয়ে বেসরকারিতে কমাল বাংলাদেশ ব্যাংক

    সাংবাদিকের প্রেমে পড়ে স্ত্রীকে ছেড়েছেন বায়ার্ন কোচ

    কলম্বো বন্দরের সরকারি টার্মিনালে অগ্রাধিকার পাবে বাংলাদেশি জাহাজ