Alexa
রোববার, ০৩ জুলাই ২০২২

সেকশন

epaper
 

হাতিরঝিল থেকে ৬০ দিনের মধ্যে বাণিজ্যিক স্থাপনা উচ্ছেদের নির্দেশ

আপডেট : ২৪ মে ২০২২, ১৬:৫১

হাতিরঝিল থেকে ৬০ দিনের মধ্যে বাণিজ্যিক স্থাপনা উচ্ছেদের নির্দেশ হাতিরঝিল-বেগুনবাড়ী প্রকল্প থেকে সব ধরনের বাণিজ্যিক স্থাপনা আগামী ৬০ দিনের মধ্যে উচ্ছেদ করতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। এ সংক্রান্ত রায়ে বিচারপতি মো. আশরাফুল কামাল ও বিচারপতি রাজিক আল জলিল এই নির্দেশ দেন। আজ মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে ৫৫ পৃষ্ঠার এই রায় প্রকাশ করা হয়। 

রায়ে চার দফা নির্দেশনা দিয়ে বলা হয়, ঢাকার ফুসফুস বেগুনবাড়ী খালসহ হাতিরঝিল এলাকা জাতীয় সম্পত্তি। এই এলাকায় হোটেল, রেস্টুরেন্টসহ সব ধরনের বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান বরাদ্দ এবং নির্মাণ সংবিধান, পরিবেশ আইন, পানি আইন ও তুরাগ নদের রায় অনুযায়ী বেআইনি এবং অবৈধ। আর হাতিরঝিল প্রকল্প এলাকায় বরাদ্দ করা সব হোটেল, রেস্টুরেন্ট ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান অবৈধ এবং এখতিয়ারবহির্ভূত মর্মে এসব বরাদ্দ বাতিল ঘোষণা করা হলো।

এ ছাড়া আদালত হাতিরঝিলের বিষয়ে ৯ দফা পরামর্শ দেন। সেগুলো হলো-১. হাতিরঝিল ও বেগুনবাড়ী সম্পূর্ণ প্রকল্পটি সংরক্ষণ, উন্নয়ন ও পরিচালনার জন্য একটি পৃথক কর্তৃপক্ষ, তথা হাতিরঝিল লেক সংরক্ষণ, উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সরাসরি অধীন গঠন করা। ২. বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৌশল বিভাগ এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ২৪তম ইঞ্জিনিয়ারিং কনস্ট্রাকশন ব্রিগেডকে যৌথভাবে হাতিরঝিল প্রকল্প এলাকার স্থায়ী পরামর্শক নিয়োগ করা। ৩. জনসাধারণের ব্যবহারের জন্য মাটির নিচে আন্তর্জাতিক মানের টয়লেট স্থাপন করা। ৪. নির্ধারিত দূরত্বে বিনা মূল্যে সব জনসাধারণের জন্য পান করার পানির ব্যবস্থা করা। ৫. পায়ে চলার রাস্তা, বাইসাইকেল লেন এবং শারীরিক প্রতিবন্ধীদের জন্য পৃথক লেন তৈরি করা। ৬. পানির জন্য ক্ষতিকর লেকে এমন সব ধরনের যান্ত্রিক যান তথা ওয়াটার ট্যাক্সি সার্ভিস ব্যবহার নিষিদ্ধ করা। ৭. লেকে মাছের অভয়ারণ্য করা। ৮. হাতিরঝিল-বেগুনবাড়ী প্রকল্পটি বাংলাদেশের প্রথম বাঙালি বিজ্ঞানী স্যার জগদীশ চন্দ্র বসুর নামে নামকরণ করা। ৯. হাতিরঝিল ও বেগুনবাড়ী সম্পূর্ণ প্রকল্পটি সংরক্ষণ, উন্নয়ন ও পরিচালনার ব্যয় রেভিনিউ (রাজস্ব) বাজেট থেকে বরাদ্দ করা।

এর আগে ২০১৮ সালের ৯ সেপ্টেম্বর হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশ (এইচআরপিবি) হাইকোর্টে রিট দায়ের করে। ওই রিটের শুনানি নিয়ে ২০১৮ সালের ১০ সেপ্টেম্বর রুল জারি করেন হাইকোর্ট। পরে গত বছরের ৩০ জুন ওই রুল যথাযথ ঘোষণা করে রায় দেন হাইকোর্ট। আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মনজিল মোরসেদ। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ওয়ায়েস আল হারুনী।

রায়ের পর্যবেক্ষণে হাইকোর্ট বলেন, রাজধানীর হাতিরঝিলের পানি এবং এর নজরকাড়া সৌন্দর্য অমূল্য সম্পদ। এই অমূল্য সম্পদ কোনোরূপ ধ্বংস বা ক্ষতি করা যাবে না। প্রতিটি ফোঁটা পানি অতি মূল্যবান। পানির চেয়ে তথা সুপেয় পানির চেয়ে মূল্যবান আর কোনো সম্পদ এই পৃথিবীতে নেই। সুতরাং প্রতিটি ফোঁটা পানির দূষণ প্রতিরোধ করা একান্ত আবশ্যক।

মন্তব্য

আপনার পরিচয় গোপন রাখতে
আমি নীতিমালা মেনে মন্তব্য করছি।
Show
 
    সব মন্তব্য

    ইহাতে মন্তব্য প্রদান বন্ধ রয়েছে

    পঠিতসর্বশেষ

    এলাকার খবর

     
     

    বিজিবির অভিযানে জুন মাসে ১৩১ কোটি টাকার মাদক ও অবৈধ পণ্য জব্দ

    উত্তরাঞ্চলের টিকিট এক ঘণ্টায় শেষ, এটাকেই স্বাভাবিক বললেন স্টেশন ম্যানেজার 

    নারায়ণগঞ্জে মা-ছেলেকে গলা কেটে হত্যা

    কমলাপুরে আজও টিকিটপ্রত্যাশীদের উপচে পড়া ভিড়

    অর্থ আত্মসাৎ মামলার আসামি ও আবাসন ব্যবসায়ী হিলালী নিখোঁজ

    ট্রেনের ধাক্কায় নির্মাণাধীন বঙ্গবন্ধু রেলসেতুর প্রকৌশলী নিহত

    বিজিবির অভিযানে জুন মাসে ১৩১ কোটি টাকার মাদক ও অবৈধ পণ্য জব্দ

    নড়াইলে শিক্ষককে জুতার মালা পরানোর ঘটনায় সদর থানার ওসি প্রত্যাহার

    শিক্ষক হত্যা ও লাঞ্ছনার প্রতিবাদে কোম্পানীগঞ্জে মানববন্ধন

    ২২ দিনের মধ্যে পরিবারের তিনজনের মৃত্যু

    জড়িতদের গ্রেপ্তার দাবিতে বিক্ষোভ, সড়ক অবরোধ

    আগাম আমন রোপণের ধুম