Alexa
বৃহস্পতিবার, ৩০ জুন ২০২২

সেকশন

epaper
 

শ্রমিকের বদলে যন্ত্রের ব্যবহার কমেছে উৎপাদন খরচ

আপডেট : ২৪ মে ২০২২, ১৩:৪২

লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় সমলয় পদ্ধতিতে চাষ করা ধান কাটা শুরু হয়েছে। গত শনিবার উপজেলার উত্তর চর লরেঞ্ছ গ্রামে কম্বাইন হারভেস্টার দিয়ে ধান কাটা হয়। ছবি: আজকের পত্রিকা লক্ষ্মীপুরের কমলনগরে সমলয় পদ্ধতিতে চাষ করা ৫০ একর জমির ধান কাটা শুরু হয়েছে। কম্বাইন হারভেস্টারের সাহায্যে ধান কেটে কৃষকেরা ফসল ঘরে 
তুলছেন। এতে শ্রমিক-সংকটসহ নানা প্রতিবন্ধকতা দূর হয়েছে। কমেছে ধানের উৎপাদন খরচও।

এদিকে গত শনিবার বিকেলে উপজেলার উত্তর চর লরেঞ্চ গ্রামে হারভেস্টার মেশিনের সাহায্যে ধান কাটার উদ্বোধন করেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. আতিক আহমেদ। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা ইখতারুল ইসলাম, ভারপ্রাপ্ত খাদ্য কর্মকর্তা তারেকুল আলম, উপসহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা সুশান্ত কুমার দত্ত এবং স্থানীয় কৃষকেরা।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তারা জানান, কৃষিতে যন্ত্রের ব্যবহার সহজ করতে ৫০ একর জমি একত্র করে সমলয় পদ্ধতিতে ধান চাষ করা হয়েছিল। চলতি মৌসুমের ১৩ ফেব্রুয়ারি যন্ত্রের মাধ্যমে ধানের চারা রোপণ করা হয়। এর আগে বিশেষ ট্রেতে চারা তৈরি করা হয়। গত শনিবার হারভেস্টার মেশিনের সাহায্যে ধান কেটে কৃষক ফসল ঘরে তোলেন।

এই পদ্ধতিতে শ্রমিক-সংকট ও নানা প্রতিবন্ধকতা দূর হয়েছে। কমেছে উৎপাদন খরচও। এ প্রকল্পের কৃষকদের জন্য বীজ ধান, চারা তৈরি, রোপণ, সার এবং ধান কেটে ঘরে তুলে দিয়েছে উপজেলা কৃষি অফিস। কৃষকেরা শুধু সেচের পানি ও চাষের টাকা খরচ করেছেন।

সমলয় পদ্ধতিতে ধান চাষ করা কৃষক শাহে আলম বলেন, তিনি ৪০ শতক জমিতে প্রায় ৪০ মণ ধান পাবেন।

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিস সূত্রে জানা গেছে, সমলয় পদ্ধতিতে বিস্তীর্ণ জমি একত্র করে একই সময়ে একই সঙ্গে আধুনিক যন্ত্রের মাধ্যমে চাষাবাদের আওতায় আনা হয়। ট্রে ও পলিথিনে বিশেষ পদ্ধতিতে তৈরি করা হয় বীজতলা। চারা তৈরি হতে সময় প্রায় সাত দিন। সেখান থেকেই বীজ নিয়ে বপন করা হয় খেতে। চলতি বোরো মৌসুমে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলার চর লরেঞ্চ গ্রামে ৬০ জন কৃষকের ৫০ একর জমিতে এমন সমলয় পদ্ধতিতে ধানের চাষাবাদ করা হয়েছিল।

এ কর্মসূচির আওতায় জমিতে যন্ত্রের মাধ্যমে ধানের চারা রোপণ থেকে কর্তন পর্যন্ত সব প্রক্রিয়া শেষ হবে। এতে উৎপাদন খরচ কমার পাশাপাশি ধান চাষে লাভবান হবেন কৃষক।

উপজেলা ভারপ্রাপ্ত খাদ্য কর্মকর্তা তারেকুল আলম বলেন, আধুনিক পদ্ধতিতে উৎপাদিত ধান কৃষক যাতে সরাসরি খাদ্যগুদামে বিক্রি করতে পারেন, সে জন্য কৃষকদের জানানো হয়েছে। এ পদ্ধতিতে রোপণ করা ধান থেকে উপজেলা খাদ্য অফিস প্রতি মণ ধান ১ হাজার ৮০ টাকা দরে সরাসরি কৃষকদের থেকে সংগ্রহ করবে। 

মন্তব্য

আপনার পরিচয় গোপন রাখতে
আমি নীতিমালা মেনে মন্তব্য করছি।
Show
 
    সব মন্তব্য

    ইহাতে মন্তব্য প্রদান বন্ধ রয়েছে

    এলাকার খবর

     
     

    তদন্ত প্রতিবেদন আটকে সিআইডির প্রতিবেদনে

    ধানের লক্ষ্য অর্জন নিয়ে শঙ্কা

    ‘আজকের পত্রিকা সবার কথা বলুক’

    দুর্যোগ এলে বিএনপি ঘুমিয়ে থাকে: হানিফ

    এবারও সর্বোচ্চ আয়ের লক্ষ্য উন্নয়ন অনুদান খাত

    এখনো চালু হয়নি আইএইচটি

    সোহেল চৌধুরী হত্যা: আশীষ চৌধুরীর জামিন প্রশ্নে রুল জারি

    বাইডেনের চোখে সব নষ্টের গোড়া পুতিন

    ব্র্যাক ব্যাংক ও জেডটিই করপোরেশনের মধ্যে চুক্তি

    বড় কোনো পরিবর্তন ছাড়াই জাতীয় সংসদে বাজেট পাস

    ‘বিপজ্জনক পণ্য’ পরিবহনে অনীহা, দেশে কাঁচামাল সংকটের আশঙ্কা

    নীল সন্ধ্যার গজল