Alexa
শনিবার, ০২ জুলাই ২০২২

সেকশন

epaper
 

গোবিন্দগঞ্জে বাঁধ সংস্কার না হওয়ায় শঙ্কায় নদীপারের মানুষ

আপডেট : ২৩ মে ২০২২, ২০:২০

ক্ষতিগ্রস্ত বাঁধ সংস্কার করা হয়নি। ছবি: আজকের পত্রিকা গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে করতোয়া, কাঁটাখালী ও বাঙালি নদীর দুই পাশের ভেঙে যাওয়া ৩৫ কিলোমিটার বন্যানিয়ন্ত্রণ বাঁধের বিভিন্ন অংশ সংস্কার করা হয়নি। এ জন্য আসন্ন বন্যায় ভিটেমাটি হারানোর আশঙ্কা করছেন নদীপারের মানুষ।

এর মধ্যে করতোয়া, বাঙালি ও কাটাখালী নদীর বগুলাগাড়ী থেকে চরনামাপাড়ার ১৫ কিলোমিটারের মধ্যে ২ হাজার ১৫০ মিটার; বিষপুকুর থেকে নয়াপাড়া বালুয়া পর্যন্ত ৯ কিলোমিটারের মধ্যে ৪৫০ মিটার; কাটাখালী সোহাগী থেকে মালাধর ফতেল্লাপুর পর্যন্ত ৫ কিলোমিটারের মধ্যে ২ কিলোমিটার; বালুয়া বাবুর বাজার থেকে দেওয়ানতলা পর্যন্ত ৬ কিলোমিটারের মধ্যে ৮৫০ মিটার বন্যানিয়ন্ত্রণ বাঁধ খুবই ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে।

স্থানীয় লোকজন জানান, নদীতে পানি বাড়লেই সাহেবগঞ্জ, মেরী, সাতানাবালুয়া, গোসাইপুর, চানপুর খলসী, সমছপাড়া, পুনতাইর, বালুয়া, বোচাদহ, সোনাইডাঙ্গা, রঘুনাথপুর, বগুলাগাড়ী এলাকায় বন্যানিয়ন্ত্রণ বাঁধের ভেঙে যাওয়া অংশ দিয়ে পানি লোকালয়ে ঢুকে পড়ে। এতে বসতবাড়ি, ফসলসহ আবাদি জমি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তবে এরই মধ্যে বাঁধের ঝুঁকিপূর্ণ স্থানগুলো দ্রুত মেরামতের জন্য উপজেলা প্রশাসন পানি উন্নয়ন বোর্ডকে নির্দেশনা দিয়েছে বলে জানা গেছে। 

ক্ষতিগ্রস্ত বাঁধ সংস্কার না হওয়ায় আতঙ্কে আছেন নদীপাড়ের মানুষ। ছবি: আজকের পত্রিকা স্থানীয় লোকজন আরও জানান, ২০১৮ সালের বন্যায় বগুলাগাড়ী থেকে বড়দহ ঘাট এবং ফুলহার থেকে ত্রিমোহিনী পর্যন্ত বাঁধের বিভিন্ন স্থান বন্যার পানির তোড়ে ভেঙে যায়। মেরামতের নাম করে সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা এলেও ভেঙে যাওয়া অংশগুলো সংস্কার না করায় প্রতিবছর এসব এলাকার মানুষজনকে দুর্ভোগের শিকার হতে হয়। এ ছাড়া বন্যানিয়ন্ত্রণ বাঁধের তরফমনু ও খলসী চাঁদপুর পয়েন্টে ভেঙে যাওয়া অংশ দিয়ে পানি ঢুকে প্রতিবছর গোবিন্দগঞ্জ-দিনাজপুর ভায়া ঘোড়াঘাট মহাসড়ক ও পৌর এলাকা পানিতে তলিয়ে যায়। স্থানীয় লোকজন বারবার দাবি জানালেও বাঁধের ভেঙে যাওয়া অংশ সংস্কারের কোনো উদ্যোগ নেয়নি পানি উন্নয়ন বোর্ড।

উপজেলার সাপমারা ইউনিয়নের তরফকামাল গ্রামের আব্দুল ওহেদ বলেন, ২০১৮ সালে করতোয়া বন্যানিয়ন্ত্রণ বাঁধ ভেঙে যায়। এতে সে সময় গ্রামের অনেক বাড়িঘরের ক্ষতি হয়, ভেসে যায় ঘরের অনেক আসবাব। এখন বন্যা হলেই প্রতিবছর বাড়ি ডুবে যায়। বাঁধ মেরামতের কোনো উদ্যোগ নেই। 

গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আরিফ হোসেন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় ৩৫ কিলোমিটার পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যানিয়ন্ত্রণ বাঁধ রয়েছে। বাঁধের ঝুঁকিপূর্ণ পয়েন্টগুলো চিহ্নিত করেছি। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য জেলা প্রশাসকের কার্যালয়কে অবহিত করা হয়েছে।’

মন্তব্য

আপনার পরিচয় গোপন রাখতে
আমি নীতিমালা মেনে মন্তব্য করছি।
Show
 
    সব মন্তব্য

    ইহাতে মন্তব্য প্রদান বন্ধ রয়েছে

    এলাকার খবর

     
     

    শেখ হাসিনার মাধ্যমে আয় বেড়েছে, তাই মানুষ সাহায্য করে: পরিকল্পনামন্ত্রী

    রাজিবপুর উপজেলা চেয়ারম্যান গ্রেপ্তার

    ‘বই নষ্ট হয়ে গেছে, পড়ব কী’

    বুয়েটে ভর্তির সুযোগ পেলেন সৈয়দপুরের এক কলেজের ১৬ শিক্ষার্থী

    সিলেট-সুনামগঞ্জে কমেছে নদ-নদীর পানি, ফিরছে স্বস্তি

    পুকুরে গোসল করতে নেমে দুই শিশুর মৃত্যু

    ডাকাতির প্রস্তুতির সময় পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার ৩: পুলিশ

    চমেকের পাশে নির্মিত হবে বার্ন হাসপাতাল, নথিপত্র গেছে চীনে

    দোরাইস্বামীর স্থলাভিষিক্ত হতে পারেন সুধাকর ডালেলা

    ইরানে ৬.১ মাত্রার ভূমিকম্পে নিহত ৫ 

    অধ্যাপক রতন সিদ্দিকীর বাসায় হামলার নিন্দা মহিলা পরিষদের 

    ইবিতে বহিরাগতদের প্রবেশ নিষিদ্ধ ঘোষণা