Alexa
শনিবার, ০২ জুলাই ২০২২

সেকশন

epaper
 

সেতু নেই, নদ পারাপারে দুর্ভোগ

আপডেট : ২৩ মে ২০২২, ১২:২০

জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ পৌরসভা থেকে চরকালিকাপুরে ব্রহ্মপুত্র নদ পারাপারে তৈরি কাঠের সেতু। ছবি: আজকের পত্রিকা জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জে সেতু না থাকায় ব্রহ্মপুত্র নদ পারাপারে সাত গ্রামের মানুষ ভোগান্তির শিকার হচ্ছে। চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছে দেওয়ানগঞ্জ পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের চরকালিকাপুর গ্রামের প্রায় ৪ হাজার মানুষ। পৌরসভা ঘেঁষে ব্রহ্মপুত্র নদের ওপারে চরকালিকাপুর গ্রাম।

এলাকাবাসী জানিয়েছেন, দীর্ঘদিন এই নদ তাঁদেরকে পৌরসভা থেকে বিচ্ছিন্ন করে রেখেছে। সেতু না থাকায় এই গ্রামের মানুষদের ৩-৪ কিলোমিটার রাস্তা ঘুরে পৌরসভায় আসতে হয়। এ ছাড়া স্কুল, কলেজের ছাত্রছাত্রীদের পড়তে হয় ভোগান্তিতে। তবে পৌর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, অচিরেই শুরু হবে সেতুর কাজ।

জানা গেছে, জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা সদর এবং পৌরসভার পাশ দিয়ে বয়ে গেছে ব্রহ্মপুত্র নদের শাখা। এই নদের ওপারে পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের চরকালিকাপুর গ্রাম। নদের ওপর সেতু না থাকায় গ্রামটির প্রায় ৪ হাজার মানুষের ভোগান্তির যেন শেষ নেই। এক পাড় থেকে আরেক পাড়ে আসতে যেখানে সময় লাগার কথা ৫-১০ মিনিট, সেখানে লাগছে প্রায় ২ ঘণ্টা। শুধু চরকালিকাপুর নয়, এই নদের কারণে বিচ্ছিন্ন রয়েছে বানিনিয়াচর, মাছিনিরচর, কলকিহারা, ফকিরপাড়া, চরগামারিয়া, পূর্ব চরকালিকাপুরসহ ৭টি গ্রাম। এই সাতটি গ্রামের মানুষ প্রতিদিন এই নদের ওপর দিয়ে চলাচল করে। জনসাধারণের দুর্ভোগ লাঘবে ২০১৯ সালে দেওয়ানগঞ্জ পৌরসভার উদ্যোগে নদের ওপর ড্রাম সেতু তৈরি করে দেওয়া হয়। এই সেতুর ওপর দিয়েই চলাচল করছে ৭ গ্রামের মানুষ। অতিরিক্ত মানুষ চলাচল করার কারণে মাঝেমধ্যেই সেতুটি ভেঙে পড়ে। মেরামত করার পর এলাকার মানুষ আবারও চলাচল করে। তবে স্থায়ী সেতু না থাকায় স্কুল-কলেজের ছাত্রছাত্রীদের চরম ভোগান্তির শিকার হতে হয়।

এলাকার মানুষ বলছেন, মাত্র দেড় কিলোমিটার নদের ওপর সেতু না থাকায় তাঁদের প্রতিনিয়ত চরম ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে। কোনো অসুস্থ রোগী উপজেলা সদরে নিতে অনেক পথ ঘুরে আসতে হয়। এই অঞ্চলের উৎপাদিত ফসল বাজারে নেওয়া যায় না। ৪-৫ কিলোমিটার ঘুরে আসতে হয়। স্কুল-কলেজের ছাত্র-ছাত্রীরা সময়মতো স্কুলে আসা-যাওয়া করতে পারে না।

চরকালিকাপুর গ্রামের তানসেন আলী বলেন, ‘আমরা এই সেতুর ওপর দিয়ে অনেক কষ্ট করে চলাচল করি। প্রায় সময় বসে থাকতে হয়। অনেক মানুষ চলাচল করে, তাই মাঝেমধ্যে সেতুটি ভেঙেও যায়। তখন অনেক রাস্তা ঘুরে দেওয়ানগঞ্জে আসতে হয়। একটা সেতু যদি সরকার করে দেয়, তাহলে এই অঞ্চলের মানুষের অনেক উপকার হতো।

ফাতেমা বেগম বলেন, কোনো অসুস্থ রোগী নিয়ে আসা যায় না। অনেক ঘুরে হাসপাতালে যেতে হয়। ২ ঘণ্টা লাগে ঘুরে আসতে। এখানে একটা সেতু হলে মানুষের দুর্ভোগ অনেক কমে যেত।

জনগণের ভোগান্তির কথা স্বীকার করে দেওয়ানগঞ্জ পৌরসভার ভারপ্রাপ্ত মেয়র নূরে আলম ছিদ্দিকী জুয়েল বলেন, ‘পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের লোকজনের সমস্যার জন্য কাঠের সেতু করে দেওয়া হয়েছে। এই নদের ওপর একটি স্থায়ী সেতু নির্মাণ করার জন্য টেন্ডার আহ্বান করা হয়। আগামী বছর এই সেতুর কাজ শুরু হবে। ব্রহ্মপুত্র নদের ওপর সেতুটি নির্মাণ করতে প্রায় ১৫ কোটি টাকা ব্যয় হবে বলে জানান তিনি।

মন্তব্য

আপনার পরিচয় গোপন রাখতে
আমি নীতিমালা মেনে মন্তব্য করছি।
Show
 
    সব মন্তব্য

    ইহাতে মন্তব্য প্রদান বন্ধ রয়েছে

    এলাকার খবর

     
     

    যত্রতত্র ময়লা-আবর্জনা ফেললে জরিমানা

    মোহনায় ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ দেখা মিলছে না নদীতে

    সেতুর সুবিধা আটকে জটে

    পানির সঙ্গে বাড়ছে দুশ্চিন্তা

    দক্ষিণের বাসভাড়া বাড়ল এক্সপ্রেসওয়ের টোলে

    সৌরভদের গবেষণাগারে নেতৃত্বের পরীক্ষা

    ‘বই নষ্ট হয়ে গেছে, পড়ব কী’

    সহযোদ্ধার শেষ বিদায়ে কাঁদলেন খাদ্যমন্ত্রী

    বুয়েটে ভর্তির সুযোগ পেলেন সৈয়দপুরের এক কলেজের ১৬ শিক্ষার্থী

    আবেদনের ৮ বছর পর লিখিত পরীক্ষার জন্য ডেকেছে বাপেক্স

    ছয় দফাকে কবর দিয়ে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়ন হয় না: গণফোরাম

    ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার, পরিবার বলছে প্রেমের কারণে আত্মহত্যা