Alexa
বৃহস্পতিবার, ৩০ জুন ২০২২

সেকশন

epaper
 

নষ্ট হচ্ছে হাসপাতালের ১৪টি পুরোনো গাড়ি

আপডেট : ২৩ মে ২০২২, ১২:২০

শেরপুরে খোলা আকাশের নিচে পড়ে আছে পুরোনো অ্যাম্বুলেন্স ও গাড়ি। ছবি: আজেকর পত্রিকা শেরপুরে স্বাস্থ্য বিভাগের ১৪টি পুরোনো গাড়ি বিক্রি না করায় খোলা আকাশের নিচে পড়ে থেকে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। দীর্ঘদিন একই জায়গায় অযত্নে-অবহেলায় পড়ে থাকায় চুরি হচ্ছে এসব গাড়ির যন্ত্রপাতি।

স্থানীয়দের দাবি, অকেজো গাড়িগুলো নিলামে বিক্রি, আর বাকিগুলো সংস্কার করে জনগণের সেবার আওতায় আনা হোক। জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ বলছে, সরকারি গাড়িগুলো নিলামে বিক্রির প্রক্রিয়া জটিল। নিয়মতান্ত্রিকভাবে সেগুলো নিলামের ব্যবস্থা করা হবে।

স্থানীয় ও হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, শেরপুর জেলা সদর হাসপাতাল ও চারটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দীর্ঘদিন থেকে পড়ে আছে ১৪টি অ্যাম্বুলেন্স, জিপ ও মাইক্রোবাস। গাড়িগুলো নষ্ট হওয়ার পর আর মেরামত না করে পরিত্যক্ত ঘোষণা করে তা হাসপাতালের যত্রতত্র ফেলে রাখা হয়েছে। ফলে দীর্ঘদিন অযত্ন আর অবহেলায় মাটিতে পড়ে থাকা গাড়িগুলো এখন প্রায় অকেজো।

এসব যানবাহনের কোনোটি ১৫ বছর, আবার কোনোটি ৮-১০ বছর পড়ে আছে। বিদেশি সরকার ও সরকারের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দেওয়া তিনটি নতুন অ্যাম্বুলেন্স রহস্যজনক কারণে অল্প সময়ের মধ্যেই বিকল হয়ে পড়ে আছে। প্রায় চার বছর ধরে গাড়ি তিনটির জায়গা হয়েছে জেলা সদর হাসপাতালের এক কোনায়।

স্থানীয়রা জানান, ১৪টি গাড়ির মধ্যে ৪-৫টি গাড়ি এখনো সংস্কার করার মতো রয়েছে। আর বাকিগুলো নিলামে বিক্রি হলেও কোটি টাকা সরকারি কোষাগারে জমা হতো।

সরেজমিনে জেলা সদর হাসপাতালে গিয়ে দেখা গেছে, দীর্ঘদিন পড়ে থাকায় কয়েকটি গাড়ির ইঞ্জিনসহ যন্ত্রপাতিও নেই গাড়িতে। সুযোগ বুঝে চোরেরা চুরি করে নিয়ে গেছে বা খোয়া গেছে।

এখন শুধু গাড়ির বডিগুলো পড়ে আছে। এখানকার পাহারাদারেরাও জানেন না কীভাবে খোয়া গেছে যন্ত্রপাতিগুলো। হাসপাতালের একজন পাহারাদার বলেন, বেশির ভাগ গাড়িই ১৪-১৫ বছর এভাবেই পড়ে আছে। সব নষ্ট হয়ে যাওয়ায় এগুলো তো এখন আর নিলামে তোলার অবস্থাতেও নেই।

হাসপাতালে সেবা নিতে আসা মো. মুকুল হোসেন বলেন, ‘এই হাসপাতালে সরকারি মাত্র একটা অ্যাম্বুলেন্স। অথচ হাসপাতালের পেছনে কয়েকটা অ্যাম্বুলেন্স পড়ে থেকে নষ্ট হইতেছে। এগুলো ঠিকঠাক করে চালাইলেও তো রোগীরা সেবা পাইত।’ আকবর আলী নামে আরেক সেবাপ্রার্থী বলেন, ‘সরকারি অ্যাম্বুলেন্সের অভাবে প্রাইভেট অ্যাম্বুলেন্স দিয়া রোগী ঢাকা-ময়মনসিংহ নিয়া যাইতে হয়। অথচ নষ্টগুলা ঠিক করলে আমরা কম খরচে রোগী নিয়া যাওয়ার পাইতাম। সরকারি সম্পদগুলো এমনে কইরা নষ্ট হইতেছে, দেখার কেউ নাই।’

এ ব্যাপারে শেরপুরের সিভিল সার্জন ডা. অনুপম ভট্টাচার্য্য বলেন, সরকারি গাড়ি বিক্রির জন্য নিলামে তোলার প্রক্রিয়াটা একটু জটিল ও সময়সাপেক্ষ। গাড়িগুলো স্থানীয়ভাবে নিলামে দেওয়ার কোনো নিয়ম নেই। তাই গাড়িগুলো নিলামে বিক্রি করা সম্ভব হচ্ছে না। আমি শিগগিরই গাড়িগুলোর তালিকা তৈরি করে নিলামে বিক্রির জন্য মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠাব। মন্ত্রণালয়ের অনুমতি পেলেই সেগুলো নিলামে তুলে বিক্রির ব্যবস্থা করা হবে।

মন্তব্য

আপনার পরিচয় গোপন রাখতে
আমি নীতিমালা মেনে মন্তব্য করছি।
Show
 
    সব মন্তব্য

    ইহাতে মন্তব্য প্রদান বন্ধ রয়েছে

    এলাকার খবর

     
     

    তদন্ত প্রতিবেদন আটকে সিআইডির প্রতিবেদনে

    ধানের লক্ষ্য অর্জন নিয়ে শঙ্কা

    ভোগান্তির চার কিলোমিটার

    টেকসই কৃষির জন্য নতুন প্রকল্প

    টেস্টে উন্নতি না করেও টাকার পাহাড়ে বিসিবি

    অস্কার কমিটিতে ভারতীয় তারকা

    বড় কোনো পরিবর্তন ছাড়াই জাতীয় সংসদে বাজেট পাস

    ‘বিপজ্জনক পণ্য’ পরিবহনে অনীহা, দেশে কাঁচামাল সংকটের আশঙ্কা

    নীল সন্ধ্যার গজল

    বন্যাকবলিত এলাকায় আলোক হেলথ কেয়ারের ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প

    ব্যাংক এশিয়ার ৫৮তম বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ কোর্সের সার্টিফিকেট প্রদান অনুষ্ঠান

    খেলা শেষে নদীতে গোসলে নেমে ২ কিশোরের মৃত্যু