Alexa
বৃহস্পতিবার, ৩০ জুন ২০২২

সেকশন

epaper
 

পলাশে ৩৩ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নেই প্রধান শিক্ষক

আপডেট : ২২ মে ২০২২, ১৮:৩৯

পলাশ উপজেলার ৩৩টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক না থাকায় শিক্ষার্থীদের পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে। ছবি: আজকের পত্রিকা নরসিংদীর পলাশ উপজেলার ৬৪ টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ৩৩টি প্রাথমিক বিদ্যালয়েই নেই প্রধান শিক্ষক। সহকারী শিক্ষকেরা ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হিসেবে পাঠদান কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। এতে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে বলে মনে করছেন স্থানীয় অভিভাবকেরা। এদিকে ১৫টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক চলতি দায়িত্বে রয়েছেন বলে জানান উপজেলা শিক্ষা অফিস। 

অন্যদিকে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস বলছেন, সরকারি নিয়োগের মাধ্যমে এসব পদ পূরণ করতে হবে অথবা প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতি দিতে হবে। এ ছাড়া প্রধান শিক্ষকের শূন্য পদ পূরণের ক্ষেত্রে তাঁদের কোনো ভূমিকা রাখার সুযোগ নেই। 

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার ৪টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভায় ৬৪টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। এর মধ্যে ৩৩টি প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য আছে। উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের অফিস সহকারী ৩ জনের মধ্যে রয়েছে ১ জন। 

উপজেলার ডাঙ্গা ইউনিয়নের খিলপাড়া, তালতলা, কেন্দুয়াব, জয়নগর ও চরসিন্দুরের আলীনগর, সুলতানপুর এবং চলনা প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ঘুরে জানা গেছে, প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষকের অভাবে চূড়ান্তভাবে ব্যাহত হচ্ছে শিক্ষা কার্যক্রম। 

কয়েকজন ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে আলাপকালে জানা যায়, যেসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রধান শিক্ষক নেই, সেসব প্রতিষ্ঠানে সহকারী শিক্ষক দায়িত্ব পালন করছেন। সেই সহকারী শিক্ষকেরা প্রশাসনিক কাজ করতে গিয়ে ক্লাসে নিয়মিত অংশ নিতে পারেন না। এতে বাকি শিক্ষকদের ওপর চাপ পড়ছে এবং কোনোমতে চলছে শিক্ষা কার্যক্রম। তা ছাড়া অনেক সহকারী শিক্ষকেরা ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষককেই তেমন মূল্যায়ন না করায় চরমভাবে পাঠদান কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে বলেও ক্ষোভ প্রকাশ করেন কেউ কেউ। 

তা ছাড়া চরসিন্দুরের চলনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সাতজন শিক্ষকের স্থলে চারজন ও আলীনগর প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ছয়জন শিক্ষকের স্থলে তিনজন শিক্ষক দায়িত্ব পালন করছে। উপজেলার প্রায় বেশ কয়েকটি প্রাথমিক বিদ্যালয়েই শিক্ষকের সংকট রয়েছে। ফলে শিক্ষা কার্যক্রম চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে। 

দক্ষিণ দেওড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও বাংলাদেশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির পলাশ উপজেলার সাধারণ সম্পাদক মো. সুলতান উদ্দিন বলেন, ৬ থেকে ৭ বছর ধরে সহকারী থেকে প্রধান শিক্ষক পদে কোনো পদোন্নতি দেওয়া হচ্ছে না। তাই এমন সংকট দেখা দিয়েছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে পলাশ উপজেলার সহকারী শিক্ষা অফিসার মোহাম্মদ জহুরুল ইসলাম ও দিলরুবা ইয়াসমিন জানান, ৩৩টি বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নেই। তবে ১৫ টি স্কুলে প্রধান শিক্ষক চলতি দায়িত্বে রয়েছেন। সরকারি নিয়োগের মাধ্যমে এসব পদ পূরণ করতে হবে অথবা প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতি দিতে হবে। এ ছাড়া প্রধান শিক্ষকের শূন্য পদ পূরণের ক্ষেত্রে তাঁদের কোনো ভূমিকা রাখার সুযোগ নেই বলে জানান তাঁরা।

মন্তব্য

আপনার পরিচয় গোপন রাখতে
আমি নীতিমালা মেনে মন্তব্য করছি।
Show
 
    সব মন্তব্য

    ইহাতে মন্তব্য প্রদান বন্ধ রয়েছে

    এলাকার খবর

     
     

    খাদ্যাভ্যাস ঠিক থাকলে হাসপাতালে যেতে হয় না: আরেফিন সিদ্দিক

    উন্নয়ন ফি নিজের কাছে রাখায় ঢাবি কর্মকর্তার পদাবনতি

    পাকুন্দিয়া পৌরসভার প্রায় ১৭ কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা

    করোনা সংক্রমণ বাড়ায় অনলাইন ক্লাসে ফিরছে বুয়েট

    ইঞ্জিন কেনায় দুর্নীতির অভিযোগে রেল ভবনে দুদকের অভিযান

    খুলনায় শিক্ষক মুনজীরকে হত্যার দায়ে দুজনের যাবজ্জীবন

    বন্যাকবলিত এলাকায় আলোক হেলথ কেয়ারের ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প

    ব্যাংক এশিয়ার ৫৮তম বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ কোর্সের সার্টিফিকেট প্রদান অনুষ্ঠান

    খেলা শেষে নদীতে গোসলে নেমে ২ কিশোরের মৃত্যু

    সরকারি খাতে ঋণ বাড়িয়ে বেসরকারিতে কমাল বাংলাদেশ ব্যাংক

    সাংবাদিকের প্রেমে পড়ে স্ত্রীকে ছেড়েছেন বায়ার্ন কোচ

    কলম্বো বন্দরের সরকারি টার্মিনালে অগ্রাধিকার পাবে বাংলাদেশি জাহাজ