Alexa
সোমবার, ২৯ নভেম্বর ২০২১

সেকশন

 

টিকা উৎপাদনে জিটুজি চুক্তি করার আহ্বান সংসদীয় কমিটির

আপডেট : ১৭ আগস্ট ২০২১, ১৬:৫৯

করোনাভাইরাসের টিকা উৎপাদনকারী সরকারি প্রতিষ্ঠান এসেনশিয়াল ড্রাগস কোম্পানি লিমিটেডের মাধ্যমে আগামী ছয় মাসের মধ্যে উৎপাদন করার সুপারিশ করেছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটি। মঙ্গলবার সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত এমন সুপারিশ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন কমিটির সভাপতি শেখ ফজলুল করিম সেলিম।

শেখ ফজলুল করিম সেলিম গণমাধ্যমে বলেন, আমরা আজকের বৈঠকে এ বিষয়ে জোরালোভাবে বলেছি। আগামী ছয় মাসের মধ্যে এসেনসিয়াল  ড্রাগসের মাধ্যমে টিকা উৎপাদন করতে হবে। টিকা উৎপাদনের ক্ষেত্রে দুই দেশের সরকারের মধ্যে (জিটুজি) চুক্তি করার জন্যও বলেছি আমরা।

চীনা সিনোফার্মের কোভিড টিকা বাংলাদেশে তৈরির দেশটির সঙ্গে সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে সোমবার। স্বাস্থ্য মন্ত্রী জাহিদ মালেক, চীনের রাষ্ট্রদূত লি জি মিং এবং ইনসেপ্টা ফার্মাসিউটিক্যালসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) আব্দুল মুক্তাদির এই চুক্তি স্বাক্ষর করেন। এর মাধ্যমে চীনা কোম্পানি সিনোফার্মের কাঁচামাল বাংলাদেশে সরবরাহ করা হবে। তাদের কাছ থেকে সরকার এই টিকা কিনবে।

সংসদীয় কমিটির গত জুন মাসে অনুষ্ঠিত বৈঠকেও সরকারিভাবে টিকা উৎপাদনের বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়েছিল। ওই বৈঠকের কমিটি বৈঠকের কার্যপত্র থেকে জানা গেছে, গত এপ্রিল মাসে যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অব শেফিল্ডের গবেষক সানজান কে দাস স্বাস্থ্য সচিবের কাছে সরকারি পর্যায়ে টিকা উৎপাদনের লক্ষ্যে অবকাঠামো তৈরি করতে একটি প্রস্তাব পাঠান। তাঁর টিকা তৈরির প্রযুক্তির আরএনডি ও প্রিক্লিনিক্যাল ট্রায়াল হয়েছে বলে কার্যপত্রে বলা হয়। সরকারি প্রতিষ্ঠান এসেনশিয়াল ড্রাগসের বিদ্যমান কিছু অবকাঠামো এবং নতুন কিছু যন্ত্রপাতি কিনলে টিকা উৎপাদন সম্ভব বলে কার্যপত্রে উল্লেখ করা হয়। বিষয়টির কারিগরি দিক পর্যালোচনার ব্যাপারে মন্ত্রণালয় বিবেচনা করছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সংসদীয় কমিটির এক সদস্য বলেন, আমরা বলেছি, করোনাভাইরাসের টিকা আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ। টিকা উৎপাদনে নিয়ে যাতে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের লাভের কথা ভাবা না হয় সে বিষয়ে সরকার সর্বাত্মক চেষ্টা করছে। এখানে কোন মহল যাতে কোন বেসরকারি প্রতিষ্ঠানকে লাভ দেওয়ার চিন্তা না করে সেটাও দেখা হবে।

ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউটের কাছ থেকে অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা কোভিশিল্ডের তিন কোটি ডোজ চুক্তি করেছিল বাংলাদেশ। কিন্তু তারা দুই চালানে ৭০ লাখ ডোজ পাঠানোর পর ভারত রপ্তানি বন্ধ করে দিলে টিকার সংকটে পড়ে বাংলাদেশ। পরে সরকার অন্য উৎস থেকে টিকা সংগ্রহের চেষ্টা শুরু করে। জরুরিভাবে দেশে সিনোফার্ম ও রাশিয়ার স্পুতনিক-ভি টিকার অনুমোদন দেওয়া হয়। চীন ও রাশিয়া থেকে কেনার পাশাপাশি দেশে যৌথ উৎপাদনের আলোচনাও তখনই শুরু হয়।

তিন ধাপে বাংলাদেশকে ২১ লাখ টিকা উপহার পাঠিয়েছে চীন। এ ছাড়া টিকার বৈশ্বিক উদ্যোগ কোভ্যাক্সের মাধ্যমে দেশটি থেকে এখন পর্যন্ত ৩৪ লাখ ৬১ হাজার ৮০১ ডোজ টিকা পেয়েছে বাংলাদেশ। এ ছাড়া দেশটির সঙ্গে দেড় কোটি ডোজ টিকা কেনার চুক্তি হয়েছে। এর মধ্যে ৮০ লাখ ডোজ এসেছে।

মন্তব্য

আপনার পরিচয় গোপন রাখতে
আমি নীতিমালা মেনে মন্তব্য করছি।
Show
 
    সব মন্তব্য

    ইহাতে মন্তব্য প্রদান বন্ধ রয়েছে

    এলাকার খবর

    এসিআর দাখিলে এবার স্বাস্থ্য প্রতিবেদন লাগবে না

    শেষ হলো সংসদের পঞ্চদশ অধিবেশন

    কুয়েতে পাপুলের আপিল খারিজ, ৭ বছরের জেল বহাল

    বাংলাদেশে ইউনিলিভারের বিজ্ঞাপন বন্ধে অ্যাটকোর প্রতিবাদ

    তৃতীয় ধাপের ভোট গ্রহণ সহিংসতাহীন নির্বাচনের মডেল: ইসি সচিব

    ধুনটে ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান হলেন যারা

    দেশে তামাক কোম্পানির হস্তক্ষেপ বেড়েছে

    ডিএসইতে সাত মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন লেনদেন

    চলতি বছরে ঢাকার সড়কে প্রাণ ঝরেছে ১১৯টি

    নরসিংদীতে নির্বাচনী সহিংসতায় আরও একজনের মৃত্যু  

    উত্তরখানে ফায়ার সার্ভিস স্টেশন ও পুলিশ ক্যাম্প তৈরির নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর