Alexa
সোমবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২

সেকশন

epaper
 

২০ টাকার কমে সরে না শুঁড়

আপডেট : ২৩ এপ্রিল ২০২২, ১৬:৩৫

মোটরসাইকেলের সামনে গতিরোধ করে হাতি দিয়ে চাঁদা নেওয়া হচ্ছে। ছবিটি গতকাল দুপুরে সিরাজগঞ্জের তাড়াশ সদর বাজার এলাকার। ছবি: আজকের পত্রিকাt সিরাজগঞ্জের তাড়াশে বিভিন্ন সড়ক, অলিতে-গলিতে, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে হাতি দিয়ে চাঁদা আদায় করা হচ্ছে। হাতির আক্রমণের ভয়ে বাধ্য হয়ে টাকাও দিচ্ছেন তাঁরা। রমজান মাসে ঈদের বাজারে লোকসমাগম হওয়ায় সেসব স্থানে এ চাঁদা নেওয়ার চিত্র তুলনামূলক বেশি চোখে পড়ছে। এতে সবচেয়ে বেশি বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়ছেন ঈদের বাজার করতে আসা মানুষেরা।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে করোনারসহ নানা কারণে বিনোদনমূলক অনুষ্ঠান সার্কাস প্রায় বন্ধই রয়েছে। আর এ কারণে অবসরে থাকা সার্কাসের হাতি ও মাহুতকে নিয়ে বিপাকে পড়েছেন সার্কাস মালিকেরা। তাই হাতিকে খাওয়াতে, মাহুতের বেতনভাতা দিতে ও হাতির পরিচর্যাসহ বিবিধ খরচ তুলতে এ চাঁদা নেওয়া হচ্ছে বলে জানান মাহুত।

গতকাল শুক্রবার সকাল থেকে দেখা গেছে মাহুত সামসুল ইসলাম তাড়াশ সদর বাজার, ভাদাশ, হাসপাতাল গেট, উলিপুর, খুটিগাছা মোড়, পাঁচানসহ আশপাশের এলাকার পথচারী, যানবাহন ও দোকানের সামনে তাঁদের হাতি দিয়ে ২০ টাকা থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করছেন। কয়েক দিন ধরে সিরাজগঞ্জের তাড়াশ ও আশপাশের এলাকায় চলছে দি বুলবুল সার্কাসের হাতি দিয়ে এভাবে নীরব চাঁদাবাজি।

তাড়াশের পৌর এলাকার ভাদাশ মহল্লার আনিছুর রহমান ও রাহেলা খাতুনের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, রাস্তায় চলাচলের সময় যানবাহনের সামনে হাতি শুয়ে পড়ে শুঁড় এগিয়ে দিয়ে অস্বস্তিকর ও নানা বিরক্তিকর পরিবেশ সৃষ্টি করে। এরপর ২০ থেকে ৩০ টাকা চাওয়া হয়। না দেওয়া পর্যন্ত সেখান থেকে তারা যায় না। আবার হাতির আক্রমণের ভয়ও থাকে। এজন্য বাধ্য হয়ে তাঁরা চাঁদা দিচ্ছেন।

এ ছাড়া তাড়াশ এলাকার বিভিন্ন বাজারের ব্যবসায়ী আফজাল শরিফ, ছানোয়ার হোসেন, গোলজার হোসেনসহ অনেকের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ঈদের আগ মুহূর্তে দোকানে বেচাকেনার সময়ে হাতি এসে দোকানে শুঁড় ঢুকিয়ে দিয়ে তাঁদের কাছ থেকে চাঁদা নিচ্ছেন।

ব্যবসায়ীরা আরও জানান, ৫-১০ টাকা দিলেও তাঁরা নিতে চান না। বরং বেশি টাকা নিতে মাহুত হাতি দিয়ে বিরক্তিকর অবস্থার সৃষ্টি করেন। এভাবে টাকা দিতে বাধ্য করা হচ্ছে। এতে ব্যবসায়ী এবং ক্রেতারা বিড়ম্বনায় পড়ে যাচ্ছেন। আর এভাবে হাতি দিয়ে চাঁদাবাজির কারণে তাড়াশ এলাকার লোকজন ঈদের বাজার করতে বের হয়ে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন।

এ বিষয়ে হাতির মাহুত সামসুল ইসলাম জানান, করোনার কারণে মেলা, সার্কাস, বিনোদনমূলক কোনো অনুষ্ঠান না হওয়ায় তাঁরা বর্তমানে দুঃসময় পার করছেন। তাই তাঁর নিজের ও হাতির খাওয়ানোর খরচ তুলতে রাস্তায় নেমেছেন।

মন্তব্য

আপনার পরিচয় গোপন রাখতে
আমি নীতিমালা মেনে মন্তব্য করছি।
Show
 
    সব মন্তব্য

    ইহাতে মন্তব্য প্রদান বন্ধ রয়েছে

    এলাকার খবর

     
     

    এখন ট্রাস্টি বোর্ড পুনর্গঠন-আতঙ্ক

    বিচ্ছিন্ন জনপদ রামুক্যাছড়ি পৌঁছায় না সরকারি সুবিধা

    বিসিএসজট কাটাতে কোন পথে পিএসসি

    মিশ্র বর্জ্যে ঝুঁকিতে পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা

    মারধরের পর কীটনাশক খাইয়ে গৃহবধূকে ফেলে আসার অভিযোগ

    যমুনার ভাঙনে ফের নিঃস্ব গুচ্ছগ্রামের বাসিন্দারা

    পাকিস্তানের রেকর্ড ভেঙে দিল ভারত

    সিএসপিবি প্রকল্পে ৩০৮ জনের চাকরির সুযোগ 

    ভুয়া এসএসসি পরীক্ষার্থী আটক, মুচলেকায় ছাড়

    বেপরোয়া এক চেয়ারম্যান

    নিখোঁজের পর মুক্তিপণ দাবি, ২ দিন পর কৃষকের মরদেহ উদ্ধার 

    নদের বালু দিয়েই বাঁধ তৈরি