Alexa
শনিবার, ১৩ আগস্ট ২০২২

সেকশন

epaper
 

খাতুনগঞ্জে কমছে নিত্যপণ্যের দাম

আপডেট : ১৬ এপ্রিল ২০২২, ১৪:১২

খাতুনগঞ্জে কমছে নিত্যপণ্যের দাম চাহিদা কমে যাওয়ায় খাদ্যপণ্যের অন্যতম পাইকারি বাজার খাতুনগঞ্জে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম কমতে শুরু করেছে। রমজানের ১০-১৫ দিন আগে যেখানে প্রতি কেজি ছোলা বিক্রি হয়েছে ৬৫-৬৭ টাকায়। ওই ছোলা এখন বিক্রি হচ্ছে ৬১-৬২ টাকায়। চিনির দামও কমেছে। রমজানের আগে যেখানে প্রতি কেজি চিনি বিক্রি হয়েছে ৭৫-৭৬ টাকায়। সেখানে এখন চিনি বিক্রি হচ্ছে ৭২ টাকায়।

শুধু, ছোলা, চিনি নয়, বাজারে এখন তেল, ডাল, পেঁয়াজ, রসুন—সব পণ্যের দাম কমতির দিকে। গতকাল শুক্রবার নিত্যপণ্যের পাইকারি বাজার খাতুনগঞ্জে খোঁজ নিয়ে এমন তথ্যই পাওয়া যায়। ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, বাজারে নিত্যপণ্যের চাহিদা তুলনামূলক কম। যে কারণে এখন খাতুনগঞ্জে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম কমতে শুরু করেছে। প্রায় সব পণ্যই এখন কেজিতে দুয়েক টাকা কমে বিক্রি হচ্ছে।

এ সম্পর্কে জানতে চাইলে চাক্তাই-খাতুনগঞ্জ আড়তদার সাধারণ ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. মহিউদ্দিন আজকের পত্রিকাকে বলেন, বাজারে এখন ক্রেতা নেই। তাই বেচাকেনাও অনেক কম। ক্রেতা না থাকলে চাহিদাও কমে যায়, যে কারণে এখন বাজারে ছোলা, চিনিসহ অনেক পণ্যের দাম কমতির দিকে। এভাবে চলতে থাকলে সামনে আরও কমবে।

চাহিদা স্বাভাবিক থাকলে রমজানকে সামনে রেখে মার্চ মাসের শুরুতে হঠাৎ খাতুনগঞ্জে বেড়ে গিয়েছিল, ছোলা, চিনি, ডালসহ নিত্যপণ্যের দাম। তার আগে কয়েক দফায় বাড়ে ভোজ্যতেলের দাম। হঠাৎ এসব পণ্যের দাম বেড়ে যাওয়ায় জনজীবনে নেমে আসে দুর্ভোগ। কিন্তু খুব বেশিদিন এটি স্থায়ী হয়নি। চাহিদা কমে যাওয়ায় রমজান শুরুর পর থেকে কমতে শুরু করেছে এসব পণ্যের দাম। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, দুই কারণে এসব পণ্যের দাম এখন কমতে শুরু করেছে।

প্রথমত, সরকার ১ কোটি পরিবারকে টিসিবির মাধ্যমে ডাল, তেল, চিনি সরবরাহ করায় বিশাল এই জনগোষ্ঠী বাজার থেকে এসব পণ্য কেনা বন্ধ করে দিয়েছেন। তাই বাজারে এসব পণ্যের ক্রেতা এখন কমেছে। ফলে দাম কমতে শুরু করেছে। এ ছাড়া দাম বেড়ে যাওয়ায় মানুষ খাওয়াও কমিয়ে দিয়েছেন। আগে যেখানে মানুষ মাসে ৫ লিটার তেল ব্যবহার করতেন। সেখানে এখন মানুষ ২-৩ লিটারে নিয়ে এসেছেন। অনুরূপভাবে অন্যান্য পণ্যের ক্ষেত্রেও মানুষ আগের তুলনায় কেনা কমিয়ে দিয়েছেন। যে কারণে বাজারে এখন এসব পণ্যের চাহিদা কমেছে। আর তাতে কমতে শুরু করেছে এসব পণ্যের দাম।

বাজারে এখন প্রতি মণ (৩৭ দশমিক ৩২ কেজি) মশুর ডাল বিক্রি হচ্ছে ৩ হাজার ২০০ থেকে ৩০০ টাকায়, চিনি প্রতি মণ বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার ৬৫০ থেকে ৭০০ টাকায়, ভালো মানের প্রতি মণ ছোলা ২ হাজার ২০০ থেকে ২৫০ টাকায়। এ ছাড়া প্রতি মণ পাম ওয়েল তেল বিক্রি হচ্ছে ৫ হাজার ৭৫০ টাকায়। সয়াবিন তেল বিক্রি হচ্ছে ৫ হাজার ১০০ টাকায়।

সিটি কমোডিটির ম্যানেজিং ডিরেক্টর মোহাম্মদ রাশেদ আলী আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘বাজারে এখন অন্যান্য নিত্যপণ্যের দাম কমতির দিকে থাকলেও তেলের দাম ওঠানামার মধ্যে আছে। আজ প্রতি মণে ১০০-২০০ টাকা বাড়লে, কাল আবার কমে যাচ্ছে। বাজারে এখন প্রতি মণ সয়াবিন তেল বিক্রি হচ্ছে ৫ হাজার ১০০ টাকায়। অন্যদিকে প্রতি মন পামওয়েল বিক্রি হচ্ছে ৫ হাজার ৭০০ টাকায়।’রাশেদ আলী আরও বলেন, ‘আন্তর্জাতিক বাজারে এখন তেলের বুকিং মানি বেশি। তাই সামনে তেলের দাম আবারও বাড়তে পারে। বুকিং মানি বাড়লে আমদানি খরচও বেড়ে যাবে।’

মন্তব্য

আপনার পরিচয় গোপন রাখতে
আমি নীতিমালা মেনে মন্তব্য করছি।
Show
 
    সব মন্তব্য

    ইহাতে মন্তব্য প্রদান বন্ধ রয়েছে

    পঠিতসর্বশেষ

    এলাকার খবর

     
     

    ভরা বর্ষায়ও সেচ দিয়ে আমন চাষ

    বন্ধ হয়ে যাচ্ছে মুরগির খামার

    আমন চাষের শুরুতেই বাড়তি খরচের বোঝা

    তিন দিনে আ.লীগ নেতার ৩ ঘেরে বিষ দিল দুর্বৃত্তরা

    পাঁচ দিনে চিনির দাম বাড়ল ৭ টাকা

    তরুণের মৃত্যুদণ্ড ও কিছু কথা

    ধর্ষণের অভিযোগে খুবি শিক্ষার্থী গ্রেপ্তার

    প্রথম দক্ষিণ এশীয় হিসেবে ‘মিলেনিয়াম লাইফটাইম অ্যাচিভমেন্ট অ্যাওয়ার্ড’ পেলেন স্থপতি মেরিনা

    মাদারগঞ্জে গ্রাম-বাংলার ঐতিহ্যবাহী ঘোড়া দৌড় প্রতিযোগিতা

    আর্জেন্টিনায় উগ্র সমর্থকদের ক্ষোভের আগুনে পুড়ে ছাই ফুটবলারদের গাড়ি

    দেশে-বিদেশে সর্বত্রই ধিক্কৃত হচ্ছে সরকার: মির্জা ফখরুল

    ভেড়ামারায় ফিলিং স্টেশনে অগ্নিকাণ্ড, নিহত ২