Alexa
শনিবার, ০২ জুলাই ২০২২

সেকশন

epaper
 

‘ধর্ম ও সংস্কৃতির মাঝে বিভেদ সৃষ্টিকারীদের জন্য এবারের শোভাযাত্রা একটি বার্তা’

ধর্ম ও সংস্কৃতির মাঝে বিভেদ সৃষ্টিকারীদের জন্য এবারের মঙ্গল শোভাযাত্রা একটি বার্তা বলে মনে করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগের চেয়ারম্যান আশিকুর রহমান লিয়ন। ‘নতুন দিনের সৃজন আলোয়’ স্লোগানে বর্ষবরণ-১৪২৯ উপলক্ষে আয়োজিত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের বিষয়ে ‘আজকের পত্রিকা’-এর সঙ্গে আলাপে তিনি এ মন্তব্য করেন। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন ফারুক ছিদ্দিক

আপডেট : ১৪ এপ্রিল ২০২২, ১৫:৩৭

থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগের চেয়ারম্যান আশিকুর রহমান লিয়ন। ছবি: ফারুক ছিদ্দিক এবারের মঙ্গল শোভাযাত্রার মূল বার্তাটি কী? 
আশিকুর রহমান: এবারের বর্ষবরণের আয়জনটা সম্পূর্ণ ভিন্ন রকম পরিবেশ ও আমেজের মাধ্যমে উদ্‌যাপন হচ্ছে। কারণ, এখন সিয়াম সাধনার মাস চলছে। সেই হিসেবে আমরা বলতে পারি ধর্ম ও সংস্কৃতির মাঝে যে কোনো বিভেদ নেই, এবারও মঙ্গল শোভাযাত্রায় সেটাই আমাদের বার্তা। 

বর্ষবরণের সাথে বাঙালি মুসলমানের সংস্কৃতির সঙ্গে কোনো বিরোধ আছে বলে মনে করেন? 
আশিকুর রহমান: সংস্কৃতি, ধর্মপালন, ধর্মীয় চিন্তা এবং ধর্মীয় বোধ মিলেই আমরা বাঙালি। বাঙালির একটা স্বতন্ত্র রূপ আছে। একটি আদর্শ আছে। বাঙালি মুসলমানদের সংস্কৃতির সঙ্গে সৌদির মুসলমানদের সংস্কৃতি মিলবে না। আফগানের মুসলিমদের সংস্কৃতি মিলবে না। আমরা বাঙালি, আমরা বাঙালি মুসলিম। বাঙালি মুসলমানদের রুচি, অভিরুচিতে আমাদের স্বাতন্ত্র্য অবস্থান আছে। আমাদের সঙ্গে সুর আছে, গান আছে, গাছপালা আছে, পাখি আছে ও বাতাস আছে। এই যে সুর-দ্যোতনা সবকিছু নিয়েই আমরা বাঙালি এবং বাঙালি মুসলিম। বর্ষবরণের সাথে বাঙালি মুসলিমদের কোনো বিরোধ নেই। 

যারা ধর্ম ও সংস্কৃতির মাঝে বিভেদ সৃষ্টি করতে চায় তাদের সম্পর্কে কিছু বলুন। 
আশিকুর রহমান: যারা ধর্ম ও সংস্কৃতির মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করতে চায়, তারা সম্পূর্ণ রাজনৈতিকভাবে বিভেদ তৈরি করছে। আমাদের সাংস্কৃতিক অন্তর্ভুক্তিমূলক অংশগ্রহণ নেতিবাচক রাজনীতির বিপক্ষে একটি বার্তা। আমরা সাংস্কৃতিক অংশগ্রহণের মাধ্যমে একটি বিপ্লব সৃষ্টি করেছি। সেই বিপ্লবী আমরা জয়ী হয়েছি। 

আপনার বিভাগের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের সার্বিক বিষয় সম্পর্কে কিছু বলুন। 
আশিকুর রহমান: প্রবল উন্মাদনা ও ভালোবাসা নিয়ে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণের মাধ্যমে আমরা গত ২০ বছর ধরে অনুষ্ঠান করে আসছি। তবে এবারের বছরটা একটু ভিন্ন রকম। যেহেতু সিয়াম সাধনার মাস, সে হিসেবে সংস্কৃতি এবং ধর্মপালন দুটি যুৎসইভাবে একই প্রেক্ষাপটে কীভাবে পালন করা যায়, তার একটি দৃষ্টান্ত উপস্থাপন করতে পেরেছি। সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের বৈঠকে এ নিয়ে সংশয় প্রকাশ করা হলেও দীর্ঘদিনের ঐতিহ্য চারুকলার পাদপীঠ থেকে শোভাযাত্রা এবং ছায়ানটের অনুষ্ঠান রমনার বটমূলে হবে—এ সংবাদ যখন পেয়েছি, তখনই আমাদের বিভাগের প্রোগ্রামটা হাতে নিয়েছি। আমরা শঙ্কা প্রকাশ করছিলাম লোকবলের উপস্থিতি নিয়ে। কিন্তু দৃশ্য দেখে আমাদের শঙ্কা আর রইল না। 

মন্তব্য

আপনার পরিচয় গোপন রাখতে
আমি নীতিমালা মেনে মন্তব্য করছি।
Show
 
    সব মন্তব্য

    ইহাতে মন্তব্য প্রদান বন্ধ রয়েছে

    এলাকার খবর

     
     

    ‘বই নষ্ট হয়ে গেছে, পড়ব কী’

    সহযোদ্ধার শেষ বিদায়ে কাঁদলেন খাদ্যমন্ত্রী

    বুয়েটে ভর্তির সুযোগ পেলেন সৈয়দপুরের এক কলেজের ১৬ শিক্ষার্থী

    আবেদনের ৮ বছর পর লিখিত পরীক্ষার জন্য ডেকেছে বাপেক্স

    ছয় দফাকে কবর দিয়ে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়ন হয় না: গণফোরাম

    ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার, পরিবার বলছে প্রেমের কারণে আত্মহত্যা