বুধবার, ২৭ অক্টোবর ২০২১

সেকশন

 

বন্ধ হচ্ছে আগা খান স্কুল: শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তায় অভিভাবকরা

স্কুল বন্ধ হলেও চালু হয়েছে আগা খান একাডেমি। নতুন এই প্রতিষ্ঠানে বেতন এত বেশি যে বেশির ভাগ অভিভাবকের পক্ষে খরচ চালানো সম্ভব হবে না। 

আপডেট : ১৪ আগস্ট ২০২১, ১০:৫৩

আগা খান স্কুল বন্ধ করে একাডেমি চালুর প্রতিক্রিয়ায়  স্কুলের এক শিক্ষার্থীর আকাঁ ছবি। রাজধানীর ইংরেজি মাধ্যমের পুরোনো প্রতিষ্ঠান আগা খান স্কুলের কার্যক্রম দুই ধাপে বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে। তাদের এই সিদ্ধান্তে স্কুলের প্রায় ১ হাজার শিক্ষার্থীর শিক্ষাজীবন অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।

স্কুল কর্তৃপক্ষ বলছে, ক্যামব্রিজ কারিকুলাম ছেড়ে তারা ইন্টারন্যাশনাল ব্যাকালরিয়েট (আইবি) কারিকুলামে যাচ্ছে। এ কারণে তারা আগা খান স্কুল বন্ধ করে আগা খান একাডেমি চালু করছে। স্কুলের শিক্ষার্থীরা চাইলে এই একাডেমিতে ভর্তি হতে পারবে।

ক্যামব্রিজ কারিকুলাম কেন্দ্রীয়ভাবে যুক্তরাজ্য থেকে পরিচালিত হয়। সব শিক্ষার্থী অভিন্ন প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা দেয়। তাদের পরীক্ষার খাতার মূল্যায়নও হয় কেন্দ্রীয়ভাবে। আর আইবি কারিকুলাম সুইজারল্যান্ডের আইবি ফাউন্ডেশনের অধীনে পরিচালিত হয়। তবে ‘ও’ লেভেলে কেন্দ্রীয়ভাবে কোনো পরীক্ষা হয় না। স্ব স্ব স্কুল নিজেদের মতো করে পরীক্ষা নেয়।

অভিভাবকেরা বলছেন, ক্যামব্রিজের তুলনায় আইবি কারিকুলাম অনেক ব্যয়বহুল। তা ছাড়া বাংলাদেশে বেসরকারি ব্র্যাক ও নর্থসাউথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাড়া অন্য কোনো সরকারি–বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে তারা ভর্তির সুযোগ পাবে না। এমনকি ইউরোপের অনেক দেশের বিশ্ববিদ্যালয়েও আইবি কারিকুলামের ডিগ্রি গ্রহণ করা হয় না।

জানা গেছে, গত ১৬ জুন আগা খান স্কুল কর্তৃপক্ষ তাদের কার্যক্রম দুই ধাপে বন্ধের সিদ্ধান্ত নেয়। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের বসুন্ধরায় নির্মিতব্য আগা খান একাডেমিতে ভর্তির সুযোগ দেওয়া হবে। এই একাডেমি পরিচালিত হবে আইবি কারিকুলামের অধীনে। বর্তমান স্কুলের তুলনায় একাডেমিতে শ্রেণিভেদে বেতন তিন থেকে চারগুণ বেশি হবে।

কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২০২২ সালে প্রথম ধাপে গ্রেড সিক্স পর্যন্ত এবং ২০২৩ সালে দ্বিতীয় ধাপে সেভেন গ্রেড থেকে বাকি শ্রেণির শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া হবে। পাশাপাশি আগা খান একাডেমিতে প্রথম ধাপে ৪৫০ জন শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে। দ্বিতীয় ধাপে আসনসংখ্যা বাড়িয়ে ৭৫০–এ উন্নীত করা হবে।

অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, একাডেমিতে আসন কম থাকায় স্কুলের প্রায় ১ হাজার শিক্ষার্থীকে ভর্তি নেওয়া সম্ভব হবে না। আবার বেতনও এত বেশি বাড়বে যে বেশির ভাগ অভিভাবকের পক্ষে সন্তানের পড়ালেখার খরচ চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হবে না।

তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে আগা খান শিক্ষা সার্ভিসের চেয়ারম্যান আমিন সালেহ আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘অভিভাবকদের সঙ্গে আমাদের কয়েক দফা বৈঠক হয়েছে। আমরা অভিভাবকদের কথা শুনছি এবং সেগুলো নিয়ে কাজ করছি। তারপর একটি সিদ্ধান্তে যাব।’

মন্তব্য

আপনার পরিচয় গোপন রাখতে
আমি নীতিমালা মেনে মন্তব্য করছি।
Show
 
    সব মন্তব্য

    ইহাতে মন্তব্য প্রদান বন্ধ রয়েছে

    এলাকার খবর

    ৮ থেকে ২৫ নভেম্বর পর্যন্ত বন্ধ থাকবে সকল কোচিং সেন্টার

    সংশোধিত ফলেও গরমিল, লাইভে প্রবেশপত্র পোড়াল শিক্ষার্থী

    গুচ্ছ পরীক্ষার ‘বি’ ইউনিটে উত্তর না দিয়েও নম্বর পাওয়ার অভিযোগ

    গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার ‘বি’ ইউনিটের ফল প্রকাশ

    ভর্তি পরীক্ষায় চবি শাটল ট্রেনের বিশেষ সার্ভিস

    পূর্বাচলে কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটির স্থায়ী ক্যাম্পাস নির্মাণকাজ শুরু

    অনলাইনে ফোনের অর্ডার দিলে আসত সাবান

    দেশে প্রতি হাজারে ১১ জন স্ট্রোকে আক্রান্ত

    পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ ঝুঁকির বিষয়ও মাথায় রাখতে হবে: অর্থমন্ত্রী  

    ছয় মাসের মধ্যে হামলা চালাতে পারে আইএস: পেন্টাগন কর্মকর্তা

    অ্যাপলের বিরুদ্ধে মামলা করছে রাশিয়া

    সাংবাদিক মাসউদের মামলা প্রত্যাহার চায় এলআরএফ