Alexa
শনিবার, ১৩ আগস্ট ২০২২

সেকশন

epaper
 

মেলান্দহে জন্মনিবন্ধনে ভোগান্তি, আন্দোলনের হুমকি ছাত্রলীগের

আপডেট : ১১ মার্চ ২০২২, ১৫:০৭

মেলান্দহে জন্মনিবন্ধনে ভোগান্তি, আন্দোলনের হুমকি ছাত্রলীগের জামালপুরের মেলান্দহে জন্মনিবন্ধন করতে ভোগান্তির অভিযোগ পাওয়া গেছে। জন্মনিবন্ধনের জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংগ্রহের জন্য বিভিন্ন জায়গায় ঘুরতে হচ্ছে দিনের পর দিন। পাশাপাশি গুনতে হচ্ছে বাড়তি টাকা।

উপজেলা ছাত্রলীগ বলেছে, জন্ম নিবন্ধনে ঘুষ নেওয়া ও ভোগান্তি যদি বন্ধ না হয় তাহলে আন্দোলনের ডাক দেওয়া হবে। আর উপজেলা প্রশাসন বলছে, জন্মনিবন্ধন করতে কারও যাতে ভোগান্তি না হয় সে বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

জানা গেছে, উপজেলায় ১১টি ইউনিয়ন পরিষদ ও দুইটি পৌরসভা রয়েছে। জন্ম নিবন্ধন করতে গিয়ে বেশির ভাগ ভোগান্তির শিকার হয় ইউনিয়ন পরিষদগুলোয়। ছেলে মেয়ের জন্মনিবন্ধন করতে অভিভাবকদের কমপক্ষে ৫-৬ বার ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে যেতে হয়। বিভিন্ন কাগজপত্র সংগ্রহ করে দিতে হয়। সঙ্গে গুনতে হচ্ছে ৮০০ থেকে ১০০০ টাকা।

সরকারি নিয়ম অনুযায়ী জন্মের ৪৫ দিনের মধ্যে টাকা ছাড়াই নিবন্ধন করা যাবে। ৪৫ দিনের পর ৫ বছর পর্যন্ত ২৫ টাকায় এবং ৫ বছর পরে ৫০ টাকা ফি দিয়ে নিবন্ধন করার কথা। উপজেলার ১১টি ইউনিয়ন জন্মনিবন্ধন কার্যালয়ে সরকার নির্ধারিত ফি ছাড়াও বাড়তি টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে।

এ বিষয়ে মেলান্দহ উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মো. আল-আমিন সামাজিক যোগাযোগ মধ্যম ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে বলেন, ‘মেলান্দহ উপজেলার প্রায় প্রত্যেক ইউনিয়নে জন্ম নিবন্ধনের টাকা বেশি নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। এ বিষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য উপজেলা প্রশাসনকে আহ্বান জানাচ্ছি। সুষ্ঠু সমাধান না হলে আন্দোলনে নামবে মেলান্দহ উপজেলা ছাত্রলীগ।’ ওই ফেসবুক স্ট্যাটাসে ওমর ফারুক নামে একজন মন্তব্য করেন, ‘১৫ দিন থেকে ঘুরছি। এখনো জন্মনিবন্ধন হাতে পাইনি।

জন্মনিবন্ধন কার্যক্রমের সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা জানান, ২০০০ সালের পরবর্তী সময়ে জন্মগ্রহণকারী কেউ নিবন্ধন করতে গেলে অবশ্যই মা-বাবার জন্মনিবন্ধন লাগবে। এ ছাড়া জন্মের ৪৫ দিনের পর থেকে ৫ বছরের মধ্যে জন্মনিবন্ধনে টিকা কার্ড এবং পরবর্তী সময়ে চিকিৎসকের সনদের প্রয়োজন।

মেলান্দহ উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মো. আল-আমিন বলেন, ‘জন্ম নিবন্ধন করতে গিয়ে অনেকেই ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। জন্ম নিবন্ধনে সবচেয়ে বেশি টাকা নিচ্ছে আদ্রা ইউনিয়নে ১০০০ থেকে ১ হাজার ৫০০ টাকা। আদ্রা ইউনিয়নের উদ্যোক্তার বিরুদ্ধে সবচেয়ে বেশি অভিযোগ।

আদ্রা ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোক্তা (ইউপিগুলোতে অনলাইনের কাজগুলোর করেন উদ্যোক্তারা) মো. রাসেল বলেন, ‘জন্ম নিবন্ধনে অতিরিক্ত টাকা নেওয়া হয় না। কেউ যদি দালাল বা অন্য লোকের মাধ্যমে জন্ম নিবন্ধন করতে আসেন সেই লোক হয়তোবা বেশি টাকা নেন। সরাসরি আমার কাছে আসলে সরকার নির্ধারিত যে টাকা, সেই টাকা নেওয়া হয়।’

আদ্রা ইউনিয়ন পরিষদের সচিব জেরিন শায়লা ডানা বলেন, ‘দিনের বেলায় অনলাইন সার্ভারের সমস্যা থাকে। রাতে কাজ করতে হয়। উদ্যোক্তা একজন।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘জন্মনিবন্ধন করতে যাতে ভোগান্তি না হয়, সেই বিষয়ে সচিব ও উদ্যোক্তাদের সঙ্গে কথা বলা হয়েছে। কেউ যদি বাড়তি টাকা নিয়ে থাকে তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মন্তব্য

আপনার পরিচয় গোপন রাখতে
আমি নীতিমালা মেনে মন্তব্য করছি।
Show
 
    সব মন্তব্য

    ইহাতে মন্তব্য প্রদান বন্ধ রয়েছে

    এলাকার খবর

     
     

    জগদ্ধাত্রী একাই এক শ

    বোনদের নিয়ে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা অক্ষয়ের

    তারেক মাসুদ ছিলেন স্বপ্নের নায়ক

    নতুন পরিচয়ে সোহানা সাবা

    বস্তি, দোকানে কোটি টাকা ভাড়া-বাণিজ্য

    সরকারের নজর জাতিসংঘের মানবাধিকার প্রধানের সফরে

    বিসিএস ভাইভা প্রস্তুতি: ভালো উপস্থাপনা জরুরি

    চবির হলে ৪ ছাত্রলীগ নেত্রীর মধ্যে মারামারি, তদন্ত কমিটি গঠন

    ভেন্টিলেশনে সালমান রুশদি, কথা বলতে পারছেন না

    আষাঢ়ে নয়

    তুইও মরবি, আমাদেরও মারবি

    বস্তি, দোকানে কোটি টাকা ভাড়া-বাণিজ্য